High Court: ডিভোর্স হলে শিক্ষিতা স্ত্রী-র খোরপোষ নেওয়া উচিত নয়, বড় পর্যবেক্ষণ হাইকোর্টের
High Court: সেই মামলাতেই বড় রায় দেন বিচারপতি গৌরীশঙ্কর শতপতি। কী বলেন তিনি? মামলাকারীর আর্জিকে মঞ্জুর করে প্রতি মাসে ৮ হাজার টাকা থেকে ৫ হাজার টাকায় নামানো হয় ভরণপোষণের খরচ।

কটক: সম্প্রতি, একটি মামলায় শেয়ার বাজারে হওয়া স্ত্রীয়ের দেনা মেটাতে স্বামীকেও সাহায্য করতে হবে বলে রায় দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্টের একটি ডিভিশন বেঞ্চ। আদালতের পর্যবেক্ষণে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন বহু নেটিজেনই।
এবার বিবাহবিচ্ছেদের পর স্ত্রীয়ের ভরণপোষণ সংক্রান্ত মামলায় বিরাট পর্যবেক্ষণ ওড়িশা হাইকোর্টের। কী বললেন বিচারপতি? ২০১৪ সালের একটি বিবাহবিচ্ছেদের মামলা নিয়ে প্রায় দশ বছর পর বড় পর্যবেক্ষণ হাইকোর্টের।
২০১৪ সালে ডিভোর্স হয় ওড়িশার এক দম্পতির। স্বাভাবিকভাবেই পারিবারিক আদালতে চলে সেই মামলা। ২০১৩ সালে বিয়ে, এক বছরেই সম্পর্কে ইতি। আদালতের রায়ের উপর ভিত্তি করে প্রতি মাসে প্রাক্তন স্ত্রীকে ৮ হাজার খোরপোষ পাঠাতেন স্বামী। বিগত ৯ বছর ধরেই মহিলাকে এই ভরণপোষণের জন্য এই টাকা পাঠিয়েছেন সেই ব্যক্তি।
এরপর ২০২৩ সালে অবশেষে আর্থিক অনটনে পড়ে গিয়ে দ্বারস্থ হন ওড়িশা হাইকোর্টে। আর্জি রাখেন স্ত্রীকে ভরণপোষণের জন্য পাঠানোর অর্থের পরিমাণ ৮ হাজার থেকে কমিয়ে ৫ হাজার টাকা করার। মামলাকারীর আবেদন গিয়ে ওঠে ওড়িশা হাইকোর্টের বিচারপতি গৌরীশঙ্কর শতপতির এজলাসে।
সেই মামলাতেই বড় রায় দেন বিচারপতি গৌরীশঙ্কর শতপতি। কী বলেন তিনি? মামলাকারীর আর্জিকে মঞ্জুর করে প্রতি মাসে ৮ হাজার টাকা থেকে ৫ হাজার টাকায় নামানো হয় ভরণপোষণের খরচ। পাশাপাশি, বিচারপতির পর্যবেক্ষণ যদি কোনও স্ত্রী শিক্ষিত হন ও পূর্বে কাজের অভিজ্ঞতা থাকে, সেক্ষেত্রে স্ত্রীয়ের উচিত প্রাক্তন স্বামীর কাছে নিজের খরচ না দাবি করা।
প্রসঙ্গত, আদালত সূত্রেই জানা গিয়েছে, বিজ্ঞানে স্নাতকের পর সাংবাদিকতা নিয়ে পড়াশোনা করেছিলেন সেই মহিলা। তবে এত শিক্ষিত হওয়ার পরেও তিনি কোনও কাজ জোগানোর চেষ্টা কখনওই করেননি বলে খবর।





