Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে স্থগিতাদেশের বিরুদ্ধে ডিভিশন বেঞ্চে রাজ্য

গত ২২ ফেব্রুয়ারি রাজ্যের ১৬,৫০০ শূন্যপদে প্রাইমারি শিক্ষক (Primary TET) নিয়োগের উপর স্থগিতাদেশ জারি করেন হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজ।

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে স্থগিতাদেশের বিরুদ্ধে ডিভিশন বেঞ্চে রাজ্য
ফাইল ছবি
Follow Us:
| Updated on: Mar 03, 2021 | 5:04 PM

কলকাতা: প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ (Primary TET) মামলায় স্থগিতাদেশ জারি করেছিল কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) সিঙ্গেল বেঞ্চ। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে এ বার ডিভিশন বেঞ্চে মামলা দায়ের করল রাজ্য সরকার (WB Govt)। গত ২২ ফেব্রুয়ারি রাজ্যের ১৬,৫০০ শূন্যপদে প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগের উপর স্থগিতাদেশ জারি করেন হাইকোর্টের বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজ। আদালতের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে আপিল মামলা দায়ের করেছে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ।

সূত্রের খবর, হাইকোর্টের বিচারপতি সৌমেন সেন ও বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যর ডিভিশন বেঞ্চে দায়ের হয়েছে আপিল মামালাটি। সিঙ্গেল বেঞ্চ স্থগিতাদেশ দেওয়ার সময় রাজ্যের বক্তব্য ঠিকমতো শোনেনি বলে দাবি করা হয়েছে আপিলে। তবে শুধু প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ নয়। যে সমস্ত প্রার্থীরা ইতিমধ্যেই চাকরি পেয়ে গিয়েছিলেন তাঁরাও আজ সিঙ্গেল বেঞ্চের এই নির্দেশের বিরুদ্ধে ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছেন। আগামী সপ্তাহে এই মামলা শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ১১ ডিসেম্বর নবান্ন থেকে ১৬ হাজার ৫০০ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের কথা ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সে দিনই জানিয়েছিলেন, দ্রুততার সঙ্গে প্যানেল তৈরি করা হবে। সেইমতো ২৩ ডিসেম্বরে জারি হয় বিজ্ঞপ্তি। গত ১০ থেকে ১৭ জানুয়ারি পর্যন্ত চলে নিয়োগের ইন্টারভিউ প্রক্রিয়া। এরপরই রেকর্ড কম সময়ের মধ্যে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত হয় মেধাতালিকা। কাউন্সেলি নিয়োগ প্রক্রিয়াও শুরু হয়। কিন্তু এরই মধ্যে নিয়োগ তালিকা নিয়ে অস্বচ্ছতার অভিযোগ ওঠে।

আরও পড়ুন: নন্দীগ্রাম-মামলায় তৃণমূল কর্মীদের ছাড় রাজ্যের? ‘জঘন্যতম অপরাধ’ পর্যবেক্ষণ প্রধান বিচারপতির

একাধিক প্রার্থী অস্বচ্ছতার অভিযোগ তুলে মামলা সিঙ্গেল বেঞ্চে দায়ের করলে আদালত জানায়, এই মামলার নিষ্পত্তি যতদিন না হচ্ছে তত দিন পর্যন্ত স্থগিতাদেশ জারি থাকবে। চার সপ্তাহ পর ফের শুনানি হওয়ার কথা ছিল।

আরও পড়ুন: ‘না চাইলেও বিজেপিতে যেতে বাধ্য করা হচ্ছে’, মন্তব্য শিশির অধিকারীর