High Cholesterol: পারিবারিক ইতিহাসেই রয়েছে হাই কোলেস্টেরলের সমস্যা? রোজ নিয়ম করে চুমুক দিন এই কয়েকটি পানীয়তে
Drinking Habit For High Cholesterol: কোলেস্টেরলের সমস্যা সাধারণত জিনগত। তবে আজকাল জীবনযাত্রার পরিবর্তনও কিন্তু প্রভাব ফেলে শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধিতে। তাই প্রথম থেকেই এ ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে

কোলেস্টেরলের (Cholesterol) সমস্যা থাকলেই কিন্তু সেখান থেকে আসে হার্টের সমস্যা। আর তাই যদি বাড়িতেই থাকে এই সমস্যা, তাহলে কিন্তু প্রথম থেকেই সতর্ক থাকতে হবে। হাই কোলেস্টেরলের সমস্যায় প্রভাব থাকে জিনেরও। বাবা-কাকাদের মধ্যে যদি এই কোলেস্টেরলের প্রবণতা থাকে তাহলে তা পরবর্তী প্রজন্মের মধ্যেও চলে আসে। যে কারণে যে সব বাড়িতে এই উচ্চ কোলেস্টেরল (High Cholesterol), হার্টের রোগের মত পূর্বাভাস রয়েছে তাদের কিন্তু প্রথম থেকেই নজর দিতে হবে রোজকার জীবনযাত্রায় (Lifestyle)। নিয়ম মেনে খাওয়া-দাওয়া, ধূমপান, মদ্যপানের অভ্যাস এড়িয়ে চলা এসব করতেই হবে। সেই সঙ্গে জোর দিতে হবে স্বাস্থ্যকর খাওয়া-দাওয়াতে। সেই সঙ্গে প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণে জল খেতে হবে। কারণ জল আমাদের প্রাকৃতিক ভাবে ডিটক্সিফিকেশনে সাহায্য করে। এছাড়াও জল খেলে শরীরের অনেক সমস্যাও কিন্তু দূর হয়ে যায়। এছাড়াও এই কয়েকটি পানীয় কিন্তু অবশ্যই রাখার চেষ্টা করবেন রোজকার ডায়েটে-
বিভিন্ন রকমের চা
দুধ, চিনি দেওয়া ঘন চা একেবারেই নয়- বরং চিনি ছাড়া লিকার চায়ের অভ্যাস করুন। এক কাপ করে অন্তত গ্রিন টি রোজ খাওয়ার চেষ্টা করবেন। সেই সঙ্গে চিনি ছাড়া লিকার চা, ওলং টি- সব মিলিয়ে তিন থেকে চার কাপ পর্যন্ত খান। চায়ের মধ্যে থাকে ফ্ল্যাভিনল যা আমাদের কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। এছাড়াও তা রক্তনালীতে রক্ত জমাট বাঁধতে দেয় না। সম্প্রতি অ্যাডভান্সেস ইন নিউট্রিশনে একটি গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে। সেখানেই বলা হয়েছে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে ভূমিকা রয়েছে সাইনেনসিস উদ্ভিদের। যারা নিয়ম করে ২-৩ কাপ গ্রিন টি রোজ খান তাঁদের মধ্যে কিন্তু কমে হৃদরোগের ঝুঁকি।
বেদানার জুস খান
বেদানার মধ্যে যে পরিফেলন থাকে তা আমাদের শরীরের জন্য খুব উপকারী। এছাড়াও বেদানার মধ্যে থাকে ফ্ল্যাভিনয়েড, লিগানন, ট্রাইটারপেনে- যার মধ্যে থাকে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। আর এই উপাদান আমাদের শরীরে ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। বেদানার রসে রয়েছে ১০০ শতাংশ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা আমাদের হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। সেই সঙ্গে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতেও কিন্তু ভূমিকা রয়েছে বেদানার।
রেড ওয়াইন
কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং হার্টের স্বাস্থ্যের খাতিরে কিন্তু রেড ওয়াইন খাওয়া যেতে পারে। তবে পরিমিতল খেতে হবে। রোজকারের হিসেবে ছেলেদের জন্য দু গ্লাস আর মেয়েদের জন্য একগ্লাসই বরাদ্দ। রেড ওয়াইন ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের হাত থেকে আমাদের হৃৎপিন্ডকে বাঁচায়। সেই সঙ্গে শরীরে ভাল কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে। তবে সব সময় কিন্তু রেড ওয়াইনের ভরসায় থাকা ঠিক নয়। অ্যালকোহলের পরিবর্তে মাঝে মধ্যে চলতে পারে এই পানীয়।
ওটস মিল্ক
ওটস আমাদের শরীরের জন্য খুবই ভাল। ওটসের মধ্যে কোনও ক্যালোরি নেই। আছে প্রচুর পরিমাণ ফাইবার। এছাড়াও রয়েছে বিটা গ্লুকান, যা আমাদের শরীরে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। সেই সঙ্গে ক্ষতিকর টক্সিন বের করে দেয়। হার্টের স্বাস্থ্যরক্ষাতেও কিন্তু উপকারী এই ওটস মিল্ক। নিয়মিত ভাবে ওটসের দুধ খেলে কিন্তু কোলেস্টেরলের মাত্রা ৬ শতাংশ পর্যন্ত হ্রাস পায় আর তা প্রমাণিত। যে কারণে পুষ্টিবিদরা সব সময় ওটস মিল্ক খাওয়ার কথা বলেন। তবে এই দুধে কিন্তু একেবারেই কোনও চিনি দেবেন না





