গভীর সমুদ্রেই লুকিয়ে অসংখ্য এলিয়েন! এবার টেনে বের করে আনার পালা
Aliens: বিজ্ঞানীদের দাবি, এলিয়েনরা বারবার পৃথিবীতে আসে মানুষ দেখতে। যদিও এটি একটি রহস্য হয়েই রয়ে গিয়েছে। ভিনগ্রহের প্রাণীরা আসলেই আছে কি নেই তার প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে আজকাল মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার এক বিজ্ঞানী সবার সমানে অন্য় এক তথ্য তুলে ধরেছেন।

এলিয়েনদের নিয়ে আজও অনেক মতবিরোধ রয়েছে। অনেকে অনেক দাবি করে। কারও কাছে এর কোনও অস্তিত্ব নেই। আবার কেউ কেউ এটিকে প্রমাণ করতে ব্যস্ত। অনেক সময় ইউএফও এলিয়েনদের সঙ্গেও যুক্ত থাকে। অনেক বিজ্ঞানীদের দাবি, এলিয়েনরা বারবার পৃথিবীতে আসে মানুষ দেখতে। যদিও এটি একটি রহস্য হয়েই রয়ে গিয়েছে। ভিনগ্রহের প্রাণীরা আসলেই আছে কি নেই তার প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে আজকাল মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার এক বিজ্ঞানী সবার সমানে অন্য় এক তথ্য তুলে ধরেছেন। আর তা শুনে বিস্মিত অনেক বিজ্ঞানীরাই।
নতুন তথ্য প্রকাশ পেয়েছে…
এখনও পর্যন্ত নাসা অনেক রহস্যময় টানেল আবিষ্কার করেছে। আর একের পর এক আবিষ্কারের পরে মানুষ দাবি করেছে, আমেরিকা গোটা বিশ্ব থেকে এলিয়েন সম্পর্কে অনেক কিছু লুকিয়ে রাখছে। কিন্তু এখন নাসার আমস রিসার্চ সেন্টারে কর্মরত একজন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ কেভিন নুথ জানান, এলিয়েনরা অন্য কোথাও লুকিয়ে থাকে না। এদের বাস মহাসাগরে।
তবে কি মহাসাগরেই এদের বসবাস?
কেভিন নুথ জানান, এলিয়েনরা যদি পৃথিবীতে উপস্থিত থাকে তবে তাদের জন্য সেরা স্থান হল সমুদ্রের তলদেশ। তারা সেখানে একটি ঘাঁটি তৈরি করে থাকতে পারে। তিনি থিওরি অফ এভরিথিং পডকাস্টে বলেছিলেন যে, “আমাদের পৃথিবীর 75% জল দিয়ে গঠিত এবং এই কারণেই আমরা এখনও পৃথিবীর মহাসাগর সম্পর্কে পুরোপুরি কিছু জানি না। অতএব, এটি এলিয়েনদের লুকানোর জন্য সেরা জায়গা এবং আমরা এখনও এটি খুঁজে পাইনি।”
তবে কয়েকদিন আগেই সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে, যা দেখে মানুষ হতবাক। মেক্সিকান পার্লামেন্টে দুই এলিয়েনের মৃতদেহকে সামনে এনেছেন বিজ্ঞানীরা। পেরুর কুজকো থেকে এগুলো উদ্ধার করা হয়েছে বলে দাবি করেছিলেন বিজ্ঞানীরা। তাদের দাবি, ভিনগ্রহের মৃতদেহগুলি হাজার বছরের পুরনো। সেই সময়ও বিজ্ঞানীরা দাবি করেছিলেন, এই দু’টি মৃতদেহ একবারেই পৃথিবীর অংশ নয়। এদেরকে UFO-এর ধ্বংসাবশেষ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। দু’টোই বর্তমানে জীবাশ্মে পরিণত হয়েছে।





