ভিডিয়ো: পূর্ণিমার রাতে চাঁদের আলোয় চা পাতা সংগ্রহ, ডুয়ার্সে নতুন অধ্যায়

পূর্ণিমার একেবারে সন্ধিক্ষণে চুবড়ি নিয়ে চা বাগানে যান চা-কর্মীরা। সঙ্গে থাকে মশাল।

ভিডিয়ো: পূর্ণিমার রাতে চাঁদের আলোয় চা পাতা সংগ্রহ, ডুয়ার্সে নতুন অধ্যায়
নিজস্ব চিত্র


ডুয়ার্স: পূর্ণিমার রাত, চাঁদের নরম আলো চা বাগানে একটা মোহ সৃষ্টি করেছে। সেই অবস্থায় কয়েকটা মশাল এগিয়ে আসছে। না রঘু ডাকাতের গল্প নয়। চাঁদের আলোয় দু’টি পাতা একটি কুঁড়ির গল্প। অভিনব এই উদ্যোগে ট্রায়াল শুরু হয়েছে চা-পাতা সংগ্রহের। দার্জিলিংয়ে এই পদ্ধতিতে আগে ব্যবহৃত হলেও ডুয়ার্সে (Dooars) একেবারে প্রথম। সেখানকার মাঝেরডাবাড়ি চা বাগানে শুরু হল এই মুন লাইট প্লাকিং।

কীভাবে তোলা হয় চা পাতা?

পূর্ণিমার একেবারে সন্ধিক্ষণে চুবড়ি নিয়ে চা বাগানে যান চা-কর্মীরা। সঙ্গে থাকে মশাল। ব্যস্ত হাতে তড়িঘড়ি তুলে ফেলেন চা পাতা। আর তাতেই ম্যাজিক। মাঝেরডাবড়ি চা-বাগানের ম্যানেজার চিন্ময় ধর জানান, সন্ধিক্ষণে চা পাতা তুললে তার গন্ধ অনেক দিন থাকে। যা নষ্ট হয় না। রজনীগন্ধা কিংবা জুঁই ফুল যেমন রাতে সুভাষ ছড়ায়, তেমনই চা পাতারও গন্ধ রাতে প্রখর হয়, তাই এই উদ্যোগ বলে জানান চিন্ময়বাবু।

কেন পূর্ণিমারই রাত?

আকাশে গোলাকার চাঁদ। আর চা বাগানে হন্তদন্ত হয়ে কাজ করছে ব্যস্ত হাতগুলি। কিন্তু কেন পূর্ণিমার রাত? এ বিষয়ে চিন্ময় ধর বলেন, “পূর্ণিমার রাতে চাঁদের আলোর সঙ্গে মশাল দিয়ে কাজ করতে সুবিধা হয়। এ ছাড়া গবেষণায় দেখা গিয়েছে পূর্ণিমার রাতে চা পাতা সংগ্রহ করলে তা একটু বেশি সুগন্ধি হয়।” বিদেশে এই চায়ের বিপুল চাহিদা। তাই ট্রায়াল হিসেবে তরাই-ডুয়ার্সে প্রথম শুরু হল এই পদ্ধতিতে চা পাতা সংগ্রহের কাজ। তবে রাতে বন্যপ্রাণীদের হামলার আশঙ্কাও থাকে। তাই সঙ্গে চৌকিদার নিয়ে যাচ্ছেন চা-কর্মীরা।

আরও পড়ুন: ভয় করো-না: ১০৫ বছরের বৃদ্ধ করোনাকে হারাতে পারলে আপনিও পারবেন, কিন্তু কীভাবে?

Click on your DTH Provider to Add TV9 Bangla