Hooghly: করোনার ছোঁয়া এড়িয়ে কীভাবে জগদ্ধাত্রী পুজোর রোশনাইতে মাতবে চন্দননগর, জরুরি বৈঠক পুলিশের

Jagadhatri Puja in Chandannagar: গত কয়েক দিনে হুগলি জেলার করোনা পরিস্থিতি বেশ চিন্তায় ফেলেছে প্রশাসনকে। স্বাস্থ্য দফতরের কোভিড বুলেটিন বলছে, গত রবিবার জেলায় করোনা আক্রান্ত ছিল ৮৯ জন। শেষ ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছে আরও ৬২ জন।

Hooghly: করোনার ছোঁয়া এড়িয়ে কীভাবে জগদ্ধাত্রী পুজোর রোশনাইতে মাতবে চন্দননগর, জরুরি বৈঠক পুলিশের
জগদ্ধাত্রী পুজোর প্রস্তুতি চন্দননগরে। নিজস্ব চিত্র

হুগলি:  করোনা (Corona) পরিস্থিতিকে মাথায় রেখে এবার জগদ্ধাত্রী পুজোর (Jagadhatri Puja) অনলাইন পারমিশনের (online Permission) ব্যবস্থা করল চন্দননগর (Chandannagar) কমিশনারেটের পুলিশ। পুজোর জন্য দরকারি একাধিক পারমিশন সহ বিভিন্ন রকম নথি। কিন্তু কীভাবে জমা দেওয়া হবে সেই নথিপত্র, সেই বিষয় নিয়ে আজ চন্দননগর রবীন্দ্র ভবনে এক আলোচনা সভা আয়োজন করা হয়।

সোমবার চন্দননগর কেন্দ্রীয় জগদ্ধাত্রী পুজো কমিটির সহ একাধিক পুজো কমিটি এবং প্রশাসনিক কর্তা উপস্থিত ছিলেন এই সভায়। চন্দননগর কেন্দ্রীয় জগদ্ধাত্রী পুজো কমিটির আওতায় মোট ১৭১ টি পুজো কমিটি রয়েছে। করোনা পরিস্থিতির মধ্যে যাতে যথাযথ দূরত্ব বিধি মেনে ভিড় এড়িয়ে পুজোর আয়োজন করা যায় সেই নিয়ে আলোচনা ও শলা পরামর্শ হয় এই বৈঠকে।

রাজ্য বিদ্যুৎ দফতর, দমকল, পরিবেশ দফতর, চন্দননগর পুরনিগম ও ভদ্রেশ্বর পুরসভা এবং চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেট এক যোগে এই বৈঠকের আয়োজন করে। চন্দননগর কেন্দ্রীয় জগদ্ধাত্রী পুজো কমিটির সভাপতি নিমাই দাস বলেন, “আমরা গত বছর যে ভাবে পুজো করেছিলাম। সেই ভাবেই করব। তবে সেই ভাবে পুজো করতে গেলে চন্দননগরের আলো শিল্প নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এবারেও আমরা শোভাযাত্রা করতে পারব না। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে এবং পুলিশ প্রশাসনের অনুমতি ক্রমে এসব করতে হবে। নাহলে আমরা এগুলো করতে পারব না। চন্দননগরের আলো শিল্প যাতে বাঁচানো যায়, তাই আমরা প্রত্যেক পুজো কমিটি কে অনুরোধ করেছি যে আলোটা লাগাতে হবে রাস্তায়। যাতে ডেকোরেটার্স ও ইলেকট্রিশিয়নরা কাজটা পান। কিন্তু সবটাই হবে কোভিড বিধি মেনে।”

তিনি আরও বলেন, সবার টিকা থাকতে হবে। পুজো আমরা করব। কিন্তু প্রচার করব যাতে সকলে কোভিড বিধি মেনেই ঠাকুর দেখতে আসেন। এদিনের বৈঠক নিয়ে চন্দননগর পুলিশ কমিশনার অর্ণব ঘোষ বলেন, “আজকের মিটিংটা ছিল পুজো উদ্যোক্তাদের নিয়ে। শুধু মাত্র অনলাইন পারমিশনে কীভাবে পুজো করা যাবে, সেটা দেখানো হয়েছে। আমরা প্রত্যেক পুজো উদ্যোক্তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। আর দুর্গাপুজোর সময় যে কোভিড নির্দেশাবলি ছিল, সেইগুলো পুঙ্খনাপুঙ্খ মেনে এবং সাবধনতা অবলম্বন করে পুজো করতে হবে। তার সঙ্গে প্রশাসনও সজাগ থাকবে যাতে কোথাও কোন বিচ্যুতি না ঘটে। পুজোর সময় সরকারি যে সব বিধি নিষেধ আছে সে গুলোও জারি থাকবে। আগামিদিনে যদি আরও কোনও সরকারি নির্দেশ যুক্ত হয় সেগুলোও পুজো কমিটিগুলোকে জানানো হবে।

উল্লেখ্য, গত কয়েক দিনে হুগলি জেলার করোনা পরিস্থিতি বেশ চিন্তায় ফেলেছে প্রশাসনকে। স্বাস্থ্য দফতরের কোভিড বুলেটিন বলছে, গত রবিবার জেলায় করোনা আক্রান্ত ছিল ৮৯ জন। শেষ ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছে আরও ৬২ জন।

আরও পড়ুন: Corona Update: মহানগরে লম্ফঝম্প করোনার, একদিনেই আক্রান্ত ২২৯! রাজ্যে ৮০০ পার 

Click on your DTH Provider to Add TV9 Bangla