Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

ভোট পরবর্তী হিংসায় ভয়ে সিটিয়ে বিজেপির কর্মীরা, আশ্রয় নিলেন দলীয় কার্যালয়ে

বিজেপির অভিযোগ, বহু এলাকায় শাসকদলের সন্ত্রাসের কবলে পড়ে বাড়ি ছেড়ে বিজেপির জেলা কার্যালয়ে আশ্রয় নিতে হয়েছে বহু বিজেপি কর্মীকে।

ভোট পরবর্তী হিংসায় ভয়ে সিটিয়ে বিজেপির কর্মীরা, আশ্রয় নিলেন দলীয় কার্যালয়ে
প্রতীকী চিত্র
Follow Us:
| Updated on: May 03, 2021 | 7:20 PM

কোচবিহার: বিধানসভা ভোটের ফল প্রকাশ হওয়ার পরই তেতে উঠেছে গোটা রাজ্যের রাজনৈতিক আবহাওয়া। জেলায় জেলায় তৃণমূল কর্মীদের হামলার শিকার হতে হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। অন্যান্য জেলার তুলনায় কোচবিহারে বিজেপির ফলাফল ভাল হয়েছে ঠিকই। কিন্তু হিংসায় বিরাম পড়তে দেখা যায়নি। এই অবস্থায় ভয়ে সিঁটিয়ে রয়েছে বিজেপি কর্মীরা। সন্ত্রাস থেকে মুক্তি পেতে তাই বিজেপির কার্যালয়ে আশ্রয় নিতে হয়েছে গেরুয়া শিবিরের কর্মীদের।

নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর দেখা যায়, কোচবিহারের ৯ আসনের মধ্যে ৭ আসনেই জয়লাভ করেছে বিজেপি। এই অবস্থায় কোচবিহারে ক্রমাগত বৃদ্ধি পেতে শুরু করে রাজনৈতিক সংঘর্ষের ঘটনা। কীভাবে এই পরিস্থিতির মোকাবিলা করা যায় তা ঠিক করতে জয়ী ৭ টি বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থীরা জেলা বিজেপি দলীয় কার্যালয়ে এক বৈঠকে বসেন। বিজেপির অভিযোগ, বহু এলাকায় শাসকদলের সন্ত্রাসের কবলে পড়ে বাড়ি ছেড়ে বিজেপির জেলা কার্যালয়ে আশ্রয় নিতে হয়েছে বহু বিজেপি কর্মীকে।

এই বিষয়ে বিজেপি জেলা সভাপতি তথা তুফানগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রের জয়ী বিজেপি প্রার্থী মালতি রাভা রায় বলেন, “বিজেপি বাংলায় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করার জন্য লড়াই করেছে। বাংলার জনগণ যা রায় দিয়েছে, বিজেপি তা মাথা পেতে নিয়েছে। মালতিদেবী আরও বলেন, বাংলার আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি হয়েছে। আগেও দেখেছি, এখনো দেখছি। কোচবিহারে ৯ টি বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে ৭ টি বিধানসভা কেন্দ্রে আমরা জিতেছি। তারপর থেকেই তৃণমূলের তান্ডব শুরু হয়েছে।

আরও পড়ুুন: ফের শীতলকুচিতে চলল গুলি, সংঘর্ষের মাঝে প্রাণ হারালেন এক যুবক

এর পাশাপাশি হুঁশিয়ারির সুরে তিনি জানান, কোচবিহারের মানুষ বিজেপির পাশে রয়েছে। বিজেপি মাঠে নামলে তৃণমূলকে খুঁজে পাওয়া যাবে না বলে তিনি মন্তব্য করেন। মালতি রাভা রায় অভিযোগ করে বলেন, বিজেপি এই বিষয়ে জেলাশাসক, “পুলিশ সুপার-সহ প্রশাসনের সমস্ত লোককে জানানোর চেষ্টা করেছে। কিন্তু কেউ ফোন তুলছেন না। তাঁরা সবাই অপারগ।” এই বিষয়ে তৃণমূল নেতৃত্বের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুুন: ‘মুখ্যমন্ত্রীর সদিচ্ছার অভাব’, হিংসা থামাতে রাজ্যপালের দ্বারস্থ দিলীপ ঘোষ