Sukanta Majumdar: এ রাজ্যের সরকার ৩৫৬ ধারা প্রয়োগ করতে কেন্দ্রকে প্ররোচনা দিচ্ছে : সুকান্ত মজুমদার
Purba Medinipur: সাগরদিঘিতে সোমবার ছিল উপনির্বাচন। এই উপনির্বাচনে তৃণমূল ভোট লুঠের চেষ্টা করেছে বলেও অভিযোগ করেন সুকান্ত।
পূর্ব মেদিনীপুর: রাজ্য সরকার কেন্দ্রকে বাংলায় ৩৫৬ ধারা বলবত করতে প্ররোচনা দিচ্ছে, সোমবার মারিশদায় গিয়ে এমনই মন্তব্য করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। মারিশদায় জনসংযোগ কর্মসূচিতে গিয়ে রাজ্যের প্রকল্পকেও খোঁচা দেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। মারিশদার ৫ নম্বর অঞ্চলে বিজেপি যুবমোর্চার গৃহসম্পর্ক অভিযানে যোগ দিতে এসে সুকান্ত বলেন, “এসে দেখলাম এখানে রাস্তা নেই। এত শ্রী প্রকল্প শুরু করেছে রাজ্য, তাতে শ্রী-ই উধাও হয়ে গিয়েছে।” এদিন বেশ কিছু বাড়ি ঘুরে মানুষের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। অভাব অভিযোগ শোনেন। এদিন সুকান্তের কাছে রাস্তা, বাড়ি, শৌচালয়-সহ একাধিক না পাওয়ার অভিযোগ জমা পড়ে। সাগরদিঘিতে সোমবার ছিল উপনির্বাচন। এই উপনির্বাচনে তৃণমূল ভোট লুঠের চেষ্টা করেছে বলেও অভিযোগ করেন সুকান্ত। তিনি বলেন, “রবিবার রাতেও বহরমপুর পুরসভার এক তৃণমূল নেতা আমাদের লোকজন হাতেনাতে ধরেন।” এলাকার লোক না হয়েও ঘুরছিলেন বলে অভিযোগ করেন সুকান্ত।
ভোটারদের প্রভাবিত করারও অভিযোগ তোলেন ওই তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। একইসঙ্গে রাষ্ট্রপতি শাসন নিয়েও মুখ খোলেন সুকান্ত মজুমদার। বলেন, “রাজ্য সরকার ৩৫৬ ধারা জারি করতে কেন্দ্রকে প্ররোচনা দিচ্ছে। আমরা বিশ্বাস করি না নির্বাচিত রাজ্য সরকারকে জোর করে ফেলে দিয়ে ক্ষমতা দখলে। নেতার বাড়ি ঘেরাও করতে হবে, সে নীতিতেও আমরা বিশ্বাস করি না। কোনওদিন করিওনি। তৃণমূল সেটা করতে বাধ্য করছে। একটা দেউলিয়া, অসভ্য, বর্বর দল। একজন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর উপর যদি হামলা হয়, এই রাজ্যে সাধারণ মানুষের সুরক্ষা কোথায়?”
যদিও এ বিষয়ে জেলা তৃণমূল সভাপতি তরুণ মাইতি বলেন, “তৃণমূলের কর্মসূচির নকল করে দুয়ারে দুয়ারে যাচ্ছে। আমাদের দেখানো পথেই চলতে হচ্ছে ওদের। যে কারণে প্রচারে আসার ক্ষেত্র হিসাবে আমাদের সর্বভারতীয় নেতাকে অনুসরণ করছেন।” একইসঙ্গে তরুণ মাইতি বলেন, “উনি অধ্যাপক মানুষ। সিপিএমের সময়ে অনুন্নয়ন চোখে দেখেননি। সে কারণে উন্নয়ন অনুন্নয়নের পার্থক্যটা বুঝতে পারছেন না। পুরনো দিনের কথা একটু মনে করার অনুরোধ জানাব ওনাদের। ওনারা উন্নয়ন দেখতে পান না চোখে। অনুন্নয়নের চশমা পরে মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্য এসেছেন।”