করোনায় মৃত সন্দেহে দেহ ফেরাল একের পর এক শ্মশান, ১২ ঘণ্টা ঘুরে বেড়াল পরিবার

করোনায় (Corona) মৃত্যু হয়েছে, এই সন্দেহে একের পর এক শ্মশানে দেহ সৎকার করতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠল দক্ষিণ ২৪ পরগনার পাথরপ্রতিমায়।

করোনায় মৃত সন্দেহে দেহ ফেরাল একের পর এক শ্মশান, ১২ ঘণ্টা ঘুরে বেড়াল পরিবার
নিজস্ব চিত্র

দক্ষিণ ২৪ পরগনা: করোনায় (Corona) মৃত্যু হয়েছে, এই সন্দেহে একের পর এক শ্মশানে দেহ সৎকার করতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠল দক্ষিণ ২৪ পরগনার পাথরপ্রতিমায়। রবিবার সকাল থেকে এক মরদেহ নিয়ে একের পর এক শ্মশান ঘুরে শেষমেষ বিধায়ক সমীর জানার দারস্থ হলেন পরিবারের লোকজন। কিন্তুও তাতেও সুরাহা হল না। শেষ পর্যন্ত বিধায়কের হস্তক্ষেপে দাহকার্য সম্পন্ন হল দক্ষিণ দুর্গাপুরের কাছে নদীর চরে।

পাথরপ্রতিমার পশ্চিম শ্রীধরপুরের বাসিন্দা কমল মণ্ডল। প্রৌঢ়ের পরিবার সূত্রে খবর, জ্বর ও হালকা শ্বাসকষ্টজনিত নিয়ে পাথরপ্রতিমা ব্লক হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন বছর পঞ্চান্নর কমলবাবু। গত বৃহস্পতিবার সেখান থেকে ফলতার একটি বেসরকারি নাসিংহোমে প্রৌঢ়কে ভর্তি করা হয়। তাঁর করোনা হওয়ার কোনও রিপোর্ট নেই বলেই দাবি পরিবারের। শনিবার রাতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় প্রৌঢ়ের।

এর পর এদিন সকালে নাসিংহোম থেকে দেহ নিয়ে সৎকারের জন্য পরিবারের লোকজনেরা সোজা চলে আসেন মন্দিরবাজারের বিষ্ণুপুর শ্মশানে। অভিযোগ, কোভিডে মৃত্যু হয়েছে সন্দেহ সেখানে দাহ করতে বাধা দেওয়া হয়। তড়িঘড়ি পরিবারের লোকজনেরা দেহ নিয়ে চলে যান পাথরপ্রতিমার ইন্দ্রামোড় শ্মশানে। কিন্তু সেখানেও একই বাধার সম্মুখীন হতে হয় তাঁদের।

আরও পড়ুন: করোনা মৃতের দেহ লোপাটে অভিযুক্ত হাসপাতাল, থানাতেও মেলেনি সাহায্য!

তার পর গুরুদাসপুর শ্মশান, এভাবে একের পর এক শ্মশান বাধা দেওয়ায় শেষে স্থানীয় বিধায়কের দ্বারস্থ হন পরিবার। কিন্তু তাতেও বিশেষ কিছু সুবিধা হয়নি। প্রায় ১২ ঘণ্টা একটার পর এক শ্মশানে মৃতদেহ নিয়ে ঘোরার পর নদীর চরে দেহ সৎকার করে পরিবার। ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসনের দিকে আঙুল তুলেছে মৃতের পরিবার।

Click on your DTH Provider to Add TV9 Bangla