Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

‘ধর্ষক’ শ্বশুর ভাসুর দেওর! নিজেই সেই ভিডিয়ো করে কাঁদতে কাঁদতে ‘মেসোকে’ দেখালেন গৃহবধূ

Crime News: শনিবার সাহস করে মোবাইল ফোনটি সঙ্গে নিয়ে কোনওক্রমে বাড়ি থেকে পালিয়ে নিজের মেসোর বাড়িতে আশ্রয় নেন ওই বধূ। খুলে বলেন সব ঘটনা।

'ধর্ষক' শ্বশুর ভাসুর দেওর! নিজেই সেই ভিডিয়ো করে কাঁদতে কাঁদতে 'মেসোকে' দেখালেন গৃহবধূ
প্রতীকী চিত্র
Follow Us:
| Updated on: Jun 27, 2021 | 12:08 AM

উত্তর দিনাজপুর: স্বামী বাড়ি থেকে বেরলেই আর রক্ষে ছিল না। শ্বশুর-ভাসুর-দেওর মিলে ঝাঁপিয়ে পড়ত (Rape) গৃহবধূর উপর। মুখ খুললেই প্রাণে জুটত প্রাণে মারার হুমকি। দিনের পর দিন সেই পাশবিক অত্যাচারের শিকার হতে হতে অবশেষে কোনওরকমে বাড়িতে পালিয়ে বাঁচলেন বধূ। নিজের শ্বশুর-ভাসুর-দেওরের বিরুদ্ধে ধর্ষণের লাগাতার অভিযোগ করলেন নিগৃহীতা। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে ইটাহারে।

নির্যাতিতার পরিবারের অভিযোগ,  ওই বধূর স্বামী বাড়িতে না থাকলেই নানারকম কাজের ছুতোয় ডেকে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ (Rape) করতেন শ্বশুর আর ভাসুর। বাদ যেতেন না দেওরও। অভিযোগ, মুখ খুললে অভিযুক্তরা প্রাণে মারার হুমকি দিতেন। নিজের স্বামীকে কয়েকবার সেই কথা জানানো সত্ত্বেও প্রথমটা স্ত্রীর কথায় পাত্তা দেননি তিনি।

প্রমাণস্বরূপ, ওই বধূ নিজের মোবাইল ফোনের ভিডিয়ো রেকর্ডার অন করে ঘরের গোপন জায়গায় রেখে দেন। সেইসময় তাঁর শ্বশুর ভাসুর ও দুই দেওর, চারজন মিলে ‘ধর্ষণ’ করলে সেই ছবি রেকর্ড হয়ে যায়। স্বামী ফিরতেই সেই রেকর্ডিং দেখান নির্যাতিতা। তখনই স্ত্রীর পক্ষ নিয়ে ঘটনার প্রতিবাদ করতেই তাঁঁকেও অভিযুক্তরা মারধর করে ঘরে হাত-পা বেঁধে আটকে রাখেন বলে অভিযোগ। অনতিপরেই ফের ‘ধর্ষণের’ শিকার হন নির্যাতিতা।

শনিবার সাহস করে মোবাইল ফোনটি সঙ্গে নিয়ে কোনওক্রমে বাড়ি থেকে পালিয়ে নিজের মেসোর বাড়িতে আশ্রয় নেন ওই বধূ। খুলে বলেন সব ঘটনা। তারপরেই, বধূর পরিবারের পক্ষ থেকে শনিবার ইটাহার থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। নির্যাতিতার আত্মীয় নিরঞ্জন চৌধুরীর কথায়, “মেয়েটার উপর দিনের দিনের পর দিন অত্যাচার (rape) করেছে। আমার কাছে শনিবার, কাঁদতে কাঁদতে এসে ফোন টা হাতে দিয়ে বলে, ‘মেসো ভিডিয়ো টা দেখো’। তখনও ভাবিনি মেয়েটার এই অবস্থা হবে। আমরা এর বিচার চাই। ওদের কাউকে ছেড়ে দেব না।”

পুলিশ সূত্রে খবর, ওই চার অভিযুক্তের মধ্যে  কৈলাস চৌধুরী, দেবাশিস চৌধুরী ও সুভাষ চৌধুরী, এই তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে, বধূর ভাসুর রঞ্জিত চৌধুরী পলাতক। তাঁর খোঁজ করা হচ্ছে। নির্যাতিতার মেডিক্যাল পরীক্ষাও করা হয়েছে। এছাড়া, মোবাইলের সেই ভিডিয়ো ফুটেজও পাওয়া গিয়েছে। গোটা ঘটনা তদন্ত করে দেখছে ইটাহার থানার পুলিশ।

আরও পড়ুন: ত্রিপল নিয়ে বচসায় জড়ান বিডিএমও, কিছু বোঝার আগেই গালে এসে পড়ল চড়! অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা