Pakistan Love Story: ছাত্রীর সঙ্গে স্বামীর বিয়ে দিলেন প্রথম স্ত্রী, খোঁজা হচ্ছে তৃতীয় বউ

First wife arranged Pakistani man's second marriage: লাহোরের মাজহার হোসেনের সঙ্গে প্রথম বিয়ে হয়েছিল আমনার। গত বছর তাঁর দ্বিতীয় বিয়ে দেন আমনাই। এখন মাজহারের তৃতীয় স্ত্রীর খোঁজ চলছে।

Pakistan Love Story: ছাত্রীর সঙ্গে স্বামীর বিয়ে দিলেন প্রথম স্ত্রী, খোঁজা হচ্ছে তৃতীয় বউ
দুই স্ত্রীর সঙ্গে মাজহার হোসেন (ছবি সূত্র - সোশ্যাল মিডিয়া)
Follow Us:
| Edited By: | Updated on: Oct 15, 2022 | 8:57 AM

ইসলামাবাদ: মোবাইল ক্যামেরা এবং সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে দাম্পত্য সম্পর্ক বজায় রাখা অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। সঙ্গী বা সঙ্গিনীর প্রতি আনুগত্যে একটুও খামতি ধরা পড়ে যেতে পারে সহজেই। প্রায়শই দেখা যায়, স্বামীকে অন্য মহিলার সঙ্গে দেখে স্ত্রী তাকে মারধর করেছে, কিংবা সম্পর্ক ছিন্ন করেছে। কোনও স্ত্রীই দাম্পত্য সম্পর্কে অন্য মহিলার প্রবেশ পছন্দ করেন না। কিন্তু, পাকিস্তানের লাহোরে সম্প্রতি এক অদ্ভুত ঘটনা ঘটেছে। এক স্ত্রী তাঁরা স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ে দিয়েছেন। এখন তিনজনই একসঙ্গে থাকেন। দুই স্ত্রী মিলে এখন আবার স্বামীর তৃতীয় বিয়ে দেওয়ার কথাও ভাবছেন।

শুনতে অদ্ভুত লাগলেও এটাই সত্যি। পাকিস্তানি ইউটিউবার সৈয়দ বাসিত আলীর ইউটিউব চ্যানেলের প্রতিবেদন অনুযায়ী, কয়েক বছর আগে লাহোরের বাসিন্দা ২৪ বছর বয়সী মাজহার হোসেনের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল ৩৫ বছর বয়সী আমনার। আমনা সম্পর্কে মাজহারের মামার মেয়ে। গত বছর, ১৮ বছর বয়সী আরেক তরুণীর প্রেমে পড়ে যান মাজহার। ওই তরুণীর গৃহশিক্ষিকা ছিলেন আমনা। তাঁর কাছে নতুন প্রেমের কথা লোকায়নি মাজহার। এরপরই আমনা নিজেই তাঁর স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ের ব্যবস্থা করেছিলেন।

বস্তুত, এই বিয়েতে তাঁর যথেষ্ট আগ্রহও ছিল। আগের বিয়ে থেকে আমনার ২ সন্তান রয়েছে। ১৭ বছরের এক ছেলে এবং ১৮ বছরের এক মেয়ের মা তিনি। সৈয়দ বাসিত আলীর সঙ্গে সাক্ষাৎকারে আমনা জানিয়েছেন, মাজহারের সঙ্গে তাঁর কোনও সন্তান হচ্ছিল না। তাই তিনি মাজহারের আবার বিয়ে দিয়েছেন। এমনকি, মাজহার তৃতীয়বার বিয়ে করলেও তাঁর কোনও সমস্যা নেই। তিনি চান মাজহার তৃতীয়বার বিয়ে করুক। আশ্চর্যের বিষয়, মাজহারের দ্বিতীয় স্ত্রীও আমনার সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন। তাঁরা দুজনেই চান মাজহারের তৃতীয় বিয়ে দিতে। তার জন্য মেয়ে দেখাও শুরু করে দিয়েছেন। আমনা বলেছেন, “তৃতীয় বিয়ের জন্য অনেক সম্বন্ধ এসেছে। আমরা যেটা ভাল বলে মনে করব, সেটাতেই হ্যাঁ বলব।”