কমোডে ফ্ল্যাশ না করে বিক্রি করুন ‘মল’, এক টুকরোর জন্যই পাবেন ৪১ হাজার টাকা!

Stool Sample: এই সংস্থা আপনার মল সংগ্রহ করবে। একবার মলের নমুনা জমা দিলে ৫০০ ডলার পাবেন। যদি এই সংস্থার সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেন এবং এক বছরের জন্য আপনার 'বাওয়েল মুভমেন্ট' অর্থাৎ সারাদিনে আপনি কতবার মলত্যাগ করছেন, তার ধরন কেমন-এই বিষয়গুলি পর্যবেক্ষণ করতে দেন, তবে আপনাকে ওই সংস্থা দেবে ১ লক্ষ ৮০ হাজার ডলার।

কমোডে ফ্ল্যাশ না করে বিক্রি করুন 'মল', এক টুকরোর জন্যই পাবেন ৪১ হাজার টাকা!
প্রতীকী চিত্রImage Credit source: Facebook
Follow Us:
| Updated on: May 23, 2024 | 9:23 AM

নিউ ইয়র্ক: মাথার চুল থেকে পায়ের নখ, কোনও কিছুই ফেলনা নয়। আজকের দুনিয়ায় বিক্রি হয় সব কিছুই। কিন্তু কখনও কি ভেবেছেন, সকালে পেট খালি করতে যে বাথরুমে ছোটেন, তা জলে ফ্ল্যাশ না করে দিয়ে বিক্রিও করতে পারেন? টাকার অঙ্কটা শুনলে ঘৃণাও চলে যাবে। আপনার একটি ‘মলে’র জন্য দাম পাবেন ৫০০ ডলার, ভারতীয় মুদ্রায় যার অঙ্ক ৪১ হাজার টাকা! গোটা বছর যদি আপনি মল সংগ্রহ করে এই সংস্থার হাতে তুলে দেন, তবে ১ কোটি ৪০ লক্ষ টাকা পাবেন!

অবিশ্বাস্য মনে হলেও, এটাই সত্যি। এক সংস্থা মানুষের মলের নমুনা সংগ্রহের জন্য ব্যয় করছে কোটি কোটি টাকা। এর জন্য বিজ্ঞাপনও দেওয়া হয়েছে। হিউম্যান মাইক্রোবস নামক এই সংস্থার তরফে বলা হয়েছে, “যদি আপনি অল্প বয়সী হন এবং আপনার শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য চনমনে হয়, তবে এই ওয়েবসাইটে আবেদন করুন”।

View this post on Instagram

A post shared by Human Microbes (@humanmicrobesorg)

এই সংস্থা আপনার মল সংগ্রহ করবে। একবার মলের নমুনা জমা দিলে ৫০০ ডলার পাবেন। যদি এই সংস্থার সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেন এবং এক বছরের জন্য আপনার ‘বাওয়েল মুভমেন্ট’ অর্থাৎ সারাদিনে আপনি কতবার মলত্যাগ করছেন, তার ধরন কেমন-এই বিষয়গুলি পর্যবেক্ষণ করতে দেন, তবে আপনাকে ওই সংস্থা দেবে ১ লক্ষ ৮০ হাজার ডলার। ভারতীয় মুদ্রায় যার অঙ্ক ১ কোটি ৪০ লক্ষ টাকার আশেপাশে। কীভাবে স্টুল ডোনার হবেন, সেই প্রক্রিয়াও তুলে ধরেছে সংস্থা।

মল সংগ্রহ করে কী করবে এই সংস্থা?

হিউম্যান মাইক্রোবস সংস্থা পেটের স্বাস্থ্য ও রোগ নিয়ে গবেষণা করে। তাদের দাবি, পেটের সঙ্গে মানসিক রোগেও যোগ রয়েছে। পেট সুস্থ থাকলে, একাধিক জটিল মানসিক রোগের চিকিৎসাও সম্ভব

। এই সংস্থা সুস্থ মানুষদের কাছ থেকে মলের নমুনা সংগ্রহ করে, তা প্রক্রিয়াজাত করে, পেটের রোগে ভোগা ব্য়ক্তির শরীরে ইনজেক্ট করায় বা প্রবেশ করায়। মলে থাকা নানা এনজাইম, যা আসলে শরীরের পক্ষে উপকারী, তা অন্যের শরীরে প্রবেশ করে গ্রাসট্রোইন্টেস্টেনাল সমস্যা কমাতে সাহায্য করে।

২০২০ সালে তৈরি এই সংস্থা মূলত আমেরিকা ও কানাডা থেকেই মলের নমুনা সংগ্রহ করে। তবে বিশ্বের যে কোনও প্রান্তের মানুষই এই গবেষণায় অংশ নিতে পারেন। নিজের মলের নমুনা ড্রাই আইসের বাক্সে ভরে সংস্থার ঠিকানায় পাঠাতে পারেন।