AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

বদলে গেল জীবন! তৃণমূল নেত্রীর পরিবারে সেলিব্রিটি বউমা

বিরোধীর চোখে চোখ রেখে রাজনীতির মঞ্চ তিনি কাঁপিয়েছেন বহুবার। সেই স্মিতা শাশুড়ি হিসেবে কেমন? টিভিনাইন বাংলাকে মন উজাড় করে সবটা শেয়ার করলেন সুদীপ্তা। তুলে ধরা হল তাঁরই বয়ানে...

বদলে গেল জীবন! তৃণমূল নেত্রীর পরিবারে সেলিব্রিটি বউমা
| Updated on: May 13, 2024 | 5:40 PM
Share

আজ নাকি মায়েদের দিন। সামাজিক মাধ্যম মনে করিয়ে দিচ্ছে তেমনটাই। প্রবাদ বলে, শাশুড়ি কখনও মা হন না। সত্যিই কি তাই? এক বছর হল বিয়ে করেছেন ছোট পর্দার পরিচিত মুখ সুদীপ্তা বন্দ্যোপাধ্যায়। নিউক্লিয়ার পরিবার থেকে বক্সী পরিবারের বউ হওয়ার মাঝে কেটে গিয়েছে ৩৬৫ দিনেরও বেশি। শাশুড়ি স্মিতা বক্সী, দুঁদে নেত্রী। বিরোধীর চোখে চোখ রেখে রাজনীতির মঞ্চ তিনি কাঁপিয়েছেন বহুবার। সেই স্মিতা শাশুড়ি হিসেবে কেমন? টিভিনাইন বাংলাকে মন উজাড় করে সবটা শেয়ার করলেন সুদীপ্তা। তুলে ধরা হল তাঁরই বয়ানে…

“বক্সী পরিবারটা অনেকটাই বড়। আমার খুব ইচ্ছে ছিল এরকমই এক একান্নবর্তী পরিবারে বিয়ে হবে। আমার শাশুড়ি স্মিতা বক্সী। সকলেই চেনেন তাঁকে। সেই কবে থেকে রাজনীতির জগতে নিজেকে প্রমাণ করে আসছেন। সেই বাড়ির বৌ হয়ে এসেছি আমি। অনেকেরই মনে হতে পারে, বাইরে থেকে যে স্মিতা বক্সীকে তাঁরা জেনে এসেছেন বাস্তবেও কি তিনি ঠিক তেমনটাই? জানেন, শাশুড়িকে আমি মাম্মাম ডাকি। প্রথম প্রথম মনে হত মাম্মাম মনে হয় ভীষণ রাগী, আমাকে পছন্দ করে না। তবে বিয়ে হয়ে আসার পর বুঝলাম সবকিছু মাথায় থাকে এই মানুষটার। যে পরিবার থেকে যে পরিবারে এসেছি, পুরোটাই আলাদা। অথচ এই মাম্মামের চারিদিকে নজর। কে কী খেল, কার কী দরকার, এত ব্যস্ততার মধ্যেও সব কিছু নজরে থাকে তাঁর। আমি তো নতুন অথচ আমার পছন্দ অপছন্দও জানেন তিনি।

বাইরে থেকে স্মিতা বক্সীকে দেখলে মনে হয় খুব রাগী, খুব কঠিন, কিন্তু সত্যিটা তা নয়। মা ভীষণ চুজি, ভীষণ ক্লাসি একজন মানুষ। এখনও সকালে উঠে রান্না করেন। ভীষণ গুছিয়ে রাখেন। একান্নবর্তী পরিবারে সবার সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখার কাজটাও কিন্তু উনিই করেন। রোজই শিখি ওঁর থেকে। শিখি কীভাবে সংসারটা করতে হয়, শিখি কীভাবে আগলে রাখতে হয়। মাম্মাম নিজের মতামত সম্পর্কে খুব স্ট্রেটকাট। খারাপ লাগা, ভাল লাগা সবটাই বলে দেন। মাম্মার শাড়ি পরতে খুব ভালবাসে। রিসেপশনে লেহেঙ্গার রঙ কী হবে সেটাও মাম্মাম ঠিক করে দিয়েছিল। প্রথম প্রথম বাড়ির জন্য মন খারাপ হত। তারপর বাবাও চলে গেল। ওই সময়টা কিন্তু গোটা শ্বশুরবাড়িকে যেভাবে পাশে পেয়েছি তা বলার নয়। এখন এখানেই মন বসে গিয়েছে। এখন এটাই আমার বাড়ি। আর সেই বাড়ির মাথা আমার মাম্মাম, আপনাদের স্মিতা বক্সী। বাইরে থেকে যাই মনে হোক না কেন, ভিতরটা যার নরম। যিনি বকাও দেন, আর ভালবাসেনও মন ভরে।”

Follow Us