‘রাষ্ট্রপতি শাসন জারির প্রচেষ্টা?’, নারদ-কাণ্ডে সরব রাজ-মিমি-সায়নী

কেন্দ্রীয় সরকারকে কার্যত কটাক্ষ করে মিমি লেখেন, "এখন সিবিআই? ওরা কি টিকা আনছে?" এখানেই থামেননি মিমি।

'রাষ্ট্রপতি শাসন জারির প্রচেষ্টা?', নারদ-কাণ্ডে সরব রাজ-মিমি-সায়নী
মিমি-রাজ-সায়নী

নারদ মামলায় রাজ্যের দুই মন্ত্রী এবং দুই হেভিওয়েট নেতার গ্রেফতারি ও অন্তর্বর্তী জামিন পর্ব নিয়ে দিনভর উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। রাজ্য জুড়ে তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের বিক্ষোভ, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছয় ঘণ্টা নিজাম প্যালেসে অবস্থানকে কেন্দ্র করে যখন জটিল থেকে জটিলতর হচ্ছিল পরিস্থিতি ঠিক সেই সময়ে টুইটারে সিবিআই এবং কেন্দ্রীয় সরকারের উপর ক্ষোভ উগরে দিলেন তৃণমূলের তারকা সাংসদ এবং বিধায়কেরা। তারকা সাংসদ মিমি চক্রবর্তী থেকে শুরু করে সদ্য নির্বাচিত বিধায়ক রাজ চক্রবর্তী একহাত নিলেন ওই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে।

কেন্দ্রীয় সরকারকে কার্যত কটাক্ষ করে মিমি লেখেন, “এখন সিবিআই? ওরা কি টিকা আনছে?” এখানেই থামেননি মিমি। সকাল থেকেই একের পর এক টুইট করতে থাকেন তিনি। কেন্দ্রীয় সরকারকে সরাসরি কটাক্ষ করে মিমি লেখেন, “সরকার হিসেবে অনেক আগেই নিজেদের অক্ষমতা প্রকাশ করেছ। এখন ক্যালাসের মতো আচরণ শুরু করেছ।”

 

আরও পড়ুন: ‘ওদের মুখে প্রতিহিংসা শব্দটা মানায় না’ 

অন্যদিকে ব্যারাকপুরের তৃণমূল বিধায়ক রাজ চক্রবর্তী পরিচালক বিরসা দাশগুপ্তের একটি টুইটকে রি-টুইট করেছেন। সেই টুইটে লেখা, “আগে ভ্যাকসিন পাঠান। যদি বেঁচে থাকি তখন সিবিআই।” প্রসঙ্গত, এর আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রের বিরুদ্ধে পর্যাপ্ত টিকা না পাঠানোর অভিযোগ এনেছিলেন, এ দিনের ঘটনায় কেন্দ্রের উদ্দেশ্যে আরও একবার পরোক্ষে সেই কথাই বললেন রাজ।

সায়নীর টুইট

বাদ যাননি তৃণমূল নেত্রী এবং সদ্যসমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে আসানসোলের পরাজিত তৃণমূল প্রার্থী সায়নী ঘোষ। নিজের টুইটার প্রোফাইলে সায়নী লেখেন, “যে কোনও প্রকারে বাংলা দখলের প্রচেষ্টা। প্রথমে প্রধানমন্ত্রী শাসনের চেষ্টা করেছে। ২১৩% চপেটাঘাত খেয়েছেন। এখন কি তাই রাষ্ট্রপতি শাসনের প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন? আমরাও দেখে নেব।”
প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের নারদ মামলায় সোমবার সকালে আচমকাই সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার হন রাজ্যের দুই বর্তমান মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম ও সুব্রত মুখোপাধ্যায়, এবং প্রাক্তন মন্ত্রী মদন মিত্র ও শোভন চট্টোপাধ্যায়। যদিও বেলা বাড়তেই ব্যাঙ্কশাল কোর্টে শুনানি শুরু হয় ওই মামলার।