Women Health: মেয়েদের রোজকার খাদ্যতালিকায় এই ৬ খাবার অবশ্যই থাকুক! পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের

Tips: পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সময়ে খাবার খাওয়া জরুরি। সেই সঙ্গে ভিটামিন সি, ভিটামিন ডি রাখুন খাদ্যতালিকায়

Women Health: মেয়েদের রোজকার খাদ্যতালিকায় এই ৬ খাবার অবশ্যই থাকুক! পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের
শরীরে আয়রনের ঘাটতি যাতে না হয় সেদিকে খেয়াল রাখুন অবশ্যই

যতই পরিবার এবং সামাজিক কাঠামোয় বদল আসুক না কেন, এখনও পর্যন্ত একটি পরিবারের যাবতীয় দায়িত্ব বাড়ির মহিলাটির উপরেই বর্তায়। বাড়ির বাকি সদস্যদের মতো তিনিও রোজগেরে হলেও বদল নেই এই নিয়মে। কে কখন কী খাবে, বাড়িতে রোজকার রান্না কী হবে থেকে অতিথি আপ্যায়ম কেমন হবে- এই সব বিষয়েই কিন্তু মাথা ঘামাতে হয় তাঁকে।

আর বাড়ির বাকিদের খেয়াল রাখতে গিয়ে মহিলারা নিজেদের স্বাস্থ্যের খেয়াল রাখেন না। কিন্তু সুস্থ এবং ফিট থাকতে আগে নজর দিতে হবে খাবারে। প্রতিদিনের তালিকায় পুষ্টিকর খাবার থাকা যেমন জরুরি, তেমনই খাবার খাওয়ার সময়ও ঠিক রাখতে হবে। যখন খুশি, যা খুশি খেলে চলবে না।

ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের অনেক বেশি শারীরিক সমস্যায় ভুগতে হয়। আর মেয়েদের এই সব সমস্যার কারণ কিন্তু অনিয়ম। গলব্লাডার স্টোন
(Gallstones) থেকে ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন (Urinary tract infection) অনেক বেশি কাবু করে মেয়েদের।

সুস্থ থাকার জন্য আয়রন অত্যন্ত জরুরি। এটি আমাদের রক্তের কোষগুলিকে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে। মেয়েরা যখন বড় হচ্ছে তখন তাদের দেহে অনেকগুলি হরমোনাল পরিবর্তন ঘটে। এই সময়ে, তার শরীরে আয়রনের গুরুত্ব অনেক বেশি। নিয়মিত পিরয়ডসের ফলে শরীর থেকে যে পরিমাণ রক্তক্ষরণ হয়, তাতে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে। আর শরীর দুর্বল হলেই কমে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা।

তাই মেয়েদের প্রতিদিনের ডায়েটে আয়রন রাখা বিশেষ জরুরি। এছাড়াও পর্যাপ্ত পরিমআম প্রোটিন তো রাখতেই হবে। ৩০ পেরোলেই মেয়েদের শরীরে নানা সমস্যা জাঁকিয়ে বসে। তার মধ্যে কোমর ব্যথা, হাঁটু ব্যথা এসব খুবই সাধারণ। মূলত ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি এর পেছনে দায়ী। আর তাই ভিটামিন সি, ডি- ডায়েটে অবশ্যই রাখতে হবে। দেখে নিন পুষ্টিবিদরা প্রতিদিন মেয়েদের যে সব খাবার অবশ্য তালিকাভুক্ত করার পরামর্শ দিয়েছেন-

ইয়োগার্ট বা টকদই- টকদইয়ের মধ্যে থাকা প্রোবায়োটিকস (probiotics) শরীরের জন্য খুবই উপকারী। এছাড়াও আলসার থেকে ভ্যাজাইনাল যে কোনও ইনফেকশন প্রতিরোধে সাহায্য করে এই টকদই। এছাড়াও ব্রেস্ট ক্যানসার রুখতে ভূমিকা রয়েছে টকদইয়ের। প্রতিদিনের ভাত খাওয়ার পর খান একবাটি টকদই। নইলে রায়তা বানিয়ে খান কিংবা ওটস দিয়েও খেতে পারেন।

ফ্যাটি ফিশ- এমন কিছু মাছ খান যা ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিডে সমৃদ্ধ। আর এই ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড আমাদের বিভিন্ন হার্টের সমস্যা, আর্থ্রাইটিস, ডিপ্রেশন, স্ট্রোকের হাত থেকে রক্ষা করে।

বিভিন্ন বীজ- প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় চিয়া সিডস, ফ্লেক্স সিডস, কুমড়ো বীজ, সানফ্লাওয়ার সিডস এসব অবশ্যই রাখুন। এতে যেমন শরীর থাকবে সুস্থ তেমনই বীজ থেকে প্রয়োজনীয় ফাইবার পাবে শরীর। এছাড়াও বিভিন্ন ডাল বেশি পরিমাণে খান। এতেও কিন্তু কমবে বিভিন্ন স্ত্রী রোগের আশঙ্কা।

টমেটো- সপ্তাহে তিন থেকে পাঁচটা করে টমেটো অবশ্যই খাবেন মেয়েরা। টমেটো সিদ্ধ হোক বা টমেটোর চাটনি যে ভাবে হোক খেতে পারেন। টমেটোর মধ্যে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বিভিন্ন রকম সমস্যার হাত থেকে শরীরকে রক্ষা করে। ব্রেস্ট ক্যানসার প্রতিরোধে ভীষণই উপকারী।

দুধ- প্রতিদিন একগ্লাস করে দুধ খেতে পারলে খুব ভাল। ঐএছাড়াওএ চলতে পারে ছানা, টকদই, পনির, চিজ ইত্যাদি। ভিটামিন ডি এর খুব ভাল উৎস হল দুধ। এছাড়াও প্রতিদিন একটা করে ডিম খেলেও তা কিন্তু শরীরের জন্য উপকারী।

লেবু- পাতি লেবু থেকে মুসাম্বি লেবু যে কোনও একটা অবশ্যই রাখবেন রোজকার ডায়েটে। লেবু থেকে পর্যাপ্ত ভিটামিন সি পায় শরীর। এছাড়াও রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা বাড়িয়ে শরীরকে ভিতর থেকে রাখে সুস্থ।

আরও পড়ুন: Arthritis: আর্থ্রাইটিসের এই কারণগুলি জানলে আপনি একটু অবাকই হবেন…

Click on your DTH Provider to Add TV9 Bangla