পুলিশের চোখ এড়িয়েই কোভিড সেন্টারের জানলা ভেঙে পালাল ৩১ করোনা রোগী!

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কোভিড সেন্টারের দোতলার একটি জানলা ভেঙে পাইপ ও গাছ বেয়ে নীচে নামে। সেখান থেকেই তাঁরা পালিয়ে যায়।

পুলিশের চোখ এড়িয়েই কোভিড সেন্টারের জানলা ভেঙে পালাল ৩১ করোনা রোগী!
প্রতীকী চিত্র।

আগরতলা: সংক্রমণ ঠেকাতেই কোভিড কেয়ার সেন্টারে রাখা হয়েছিল করোনা রোগীদের। বাইরে কড়া পুলিশি নিরাপত্তা থাকা সত্ত্বেও হাসপাতালের জানলা ভেঙে পালালেন কমপক্ষে ৩১ জন করোনা রোগী। ঘটনাটি ঘটেছে ত্রিপুরার আগরতলার পিআরটিআই কোভিড কেয়ার সেন্টারে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নিয়মমাফিকই ভিন রাজ্য থেকে আগত যাত্রীদের করোনা পরীক্ষা করা হয়। তাতে প্রায় ৫০ জন ব্যক্তির করোনা রিপোর্ট পজ়িটিভ আসে। চিকিৎসার জন্য তাদের আগরতলার পিআরটিআই কোভিড কেয়ার সেন্টারে নিয়ে আসা হয়। এর আগেও বেশ কয়েকজন রোগী পালানোর চেষ্টা করায় আগেভাগেই হাসপাতালের গেটে পুলিশি পাহারাও বসানো ছিল।

তবে ভিন রাজ্যের বাসিন্দা ওই করোনা রোগীরা সদর দরজা দিয়ে নয়, কোভিড সেন্টারের দোতলার একটি জানলা ভেঙে পাইপ ও গাছ বেয়ে নীচে নামে। সেখান থেকেই তাঁরা পালিয়ে যায়। রুটিন চেক আপ করতে গিয়েই চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নজরে আসে বহু রোগীই বিছানায় নেই। পরে দীর্ঘক্ষণ খোঁজাখুঁজির পর জানা যায়, তাঁরা জানলা ভেঙে পালিয়েছে।

এই ঘটনায় পুলিশের গাফিলতি নিয়ে প্রশ্ন তোলা হলে এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক জানান, এই ধরনের ঘটনা আগে কখনও ঘটেনি। গেটের সামনেই নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন বেশ কয়্কজন পুলিশকর্মী। কিন্তু ওই কোভিড কেয়ারস সেন্টারের পিছন দিক দিয়েই পালিয়ে যান কমপক্ষে ৩১ জন রোগী।

করোনা রোগীদের এভাবে পালিয়ে যাওয়ায় বাকি রাজ্যবাসীদের মধ্যেও সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই গুয়াহাটি অবধি সমস্ত রেলস্টেশনে কড়া নজরদারি চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং রাজ্যজুড়েও একাধিক পুলিশ বাহিনী পলাতকর করোনা রোগীদের খোঁজ চালাচ্ছে।

রাজ্যে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় আজ রাত থেকেই রাজধানী আগরতলায় জারি হচ্ছে নৈশ কার্ফু। পাশাপাশি আগামী ২৪ তারিখ থেকে ভিন রাজ্য থেকে আগত যাত্রীদের বাধ্যতামূলকভাবে করোনার নেগেটিভ রিপোর্ট দেকানোর নিয়মও জারি করেছে ত্রিপুরা সরকার।

আরও পড়ুন: বৈশাখী পালনে পাকিস্তানে গিয়ে করোনা আক্রান্ত ১০০ তীর্থযাত্রী

Click on your DTH Provider to Add TV9 Bangla