Vivek Oberoi: বিবেক ওবেরয়ের করা অভিযোগে গ্রেফতার করা যাবে না মহিলাদের: বম্বে হাইকোর্ট
Vivek Oberoi Cheating case: অভিযুক্তদের সঙ্গে যৌথভাবে 'আনন্দিতা এন্টারটেইনমেন্ট এলএলপি' নামে এক ফিল্ম প্রোডাকশন ফার্ম চালাতেন বিবেক ওবেরয়। সেই সংস্থায় আর্থিক অনিয়মের মাধ্যমে বিবেক ওবেরয়ের সঙ্গে ১.৫৫ কোটি টাকার প্রতারণা করা হয়েছে বলে অভিযোগ বিবেকের।

মুম্বই: বলিউড অভিনেতা বিবেক ওবেরয়ের সঙ্গে প্রতারণার করার দায়ে অভিযুক্ত দুই মহিলাকে অন্তর্বর্তীকালীন আগাম জামিন দিল বম্বে হাইকোর্ট। মুম্বইয়ের এমআইডিসি থানায় জনৈক নন্দিতা সাহা এবং রাধিকা নন্দার বিরুদ্ধে একটি এফআইআর দায়ের করেছিলন বিবেক ওবেরয়ের চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট দেবেন বাফনা। এফআইআর-এ বলা হয়েছে, নন্দিতা সাহার ছেলে সঞ্জয় সাহা এবং রাধিকা নন্দার সঙ্গে যৌথভাবে ‘আনন্দিতা এন্টারটেইনমেন্ট এলএলপি’ নামে এক ফিল্ম প্রোডাকশন ফার্ম চালাতেন বিবেক ওবেরয়। সেই সংস্থায় আর্থিক অনিয়মের মাধ্যমে কে বিবেক ওবেরয়ের সঙ্গে ১.৫৫ কোটি টাকার প্রতারণা করেছেন অভিযুক্ত দুই মহিলা। এদিন অবশ্য বম্বে হাইকোর্টের পিচারপতি সারং ভি. কোতওয়াল জানিয়েছেন, ২০২৪ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তাঁদের গ্রেফতার করা যাবে না।
নন্দিতা সাহা এবং রাধিকা নন্দা দুজনেই পৃথক পৃথকভাবে আগাম জামিনের আবেদন করেছিলেন। দুটি আবেদনই মঞ্জুর করেছে আদালত। অন্তর্বর্তীকালীন জামিন মঞ্জুর করার সময়, বিচারপতি কোতওয়াল জানান, আবেদনকারীদের আইনজীবী তাঁদের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন মঞ্জুর করার জন্য যথেষ্ট প্রমাণাদি পেশ করেছেন। তবে, তদন্তের স্বার্থে অভিযুক্ত মহিলাদের জিজ্ঞাসাবাদ করবে পুলিশ। এর জন্য আগামী সপ্তাহে তিন দিন তাঁদের থানায় হাজিরা দিতে হবে। বিচারপতি বলেছেন, “২৯/০১/২০২৪ থেকে ৩১/০১/২০২৪ পর্যন্ত, দুপুর ১টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত এবং তারপরে তাঁদের যখন ডাকা হবে তখন সংশ্লিষ্ট থানায় আবেদনকারীদের হাজিরা দিতে হবে। আবেদনকারীরা জানিয়েছেন, তাঁরা তদন্তে সহযোগিতা করবেন।”
এদিন আদালতে আবেদনকারী মহিলাদের পক্ষের আইনজীবী যুক্তি দেন, বিবেক ওবেরয়ের পক্ষ থেকে দায়ের করা এফআইআর-এ যে অভিযোগগুলি করা হয়েছে, সেগুলি মূলত সঞ্জয় সাহার নেওয়া সিদ্ধান্ত সম্পর্কিত। কাজেই এর জন্য তাঁর মা নন্দিতা সাহা বা রাধিকা নন্দাকে দায়ী করা যায় না। তিনি আরও জানান, যে অর্থের অপব্যবহার করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে, ‘আনন্দিতা এন্টারটেইনমেন্ট এলএলপি’-র চুক্তিতেই সেই অর্থ প্রদানের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। তিনি জানিয়েছেন, ২০২০ সালের ১ ডিসেম্বর ওই চুক্তি হয়েছিল। চুক্তির একটি ধারায় অংশীদারদের কল্যাণের জন্যও অর্থপ্রদানের কথাও বলা ছিল৷ কাজেই, এই ধারার অনুযায়ী আবেদনকারীদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলি ধোপে টেকে না। ২২ ফেব্রুয়ারি আগাম জামিনের আবেদনের মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।





