Farmers Protest: আপাতত জারি থাকবে আন্দোলন, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় কৃষক সংগঠন

Farmers Meeting on 27 November: কেন্দ্রের তরফে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, তার উপর ভিত্তি করেই কৃষক আন্দোলন জারি রাখা হবে কিনা, তা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। মাঝের এই কয়েকটি দিনে যাবতীয় কর্মসূচি চালু থাকবে বলেই জানানো হয়েছে।

Farmers Protest: আপাতত জারি থাকবে আন্দোলন, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় কৃষক সংগঠন
আগামী ২৭ তারিক বৈঠকে বসবে কৃষক সংগঠনগুলি। ছবি:PTI

নয়া দিল্লি: আজ নয়, ২৭ নভেম্বরই হবে কৃষক আন্দোলনের (Farmers Protest) ভাগ্য নির্ধারণ। গত ১৯ নভেম্বর কেন্দ্রের তরফে তিন কৃষি আইন  (Farm Laws) প্রত্যাহার করে নেওয়ার পর কৃষক আন্দোলন জারি রাখা হবে কিনা, তা নিয়ে রবিবারই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা ছিল কৃষক সংগঠনগুলির। কিন্তু শেষ মুহূর্তে সেই বৈঠক পিছিয়ে দেওয়া হল। আপাতত যাবতীয় আন্দোলন কর্মসূচি জারি থাকবে বলেই জানিয়েছে সংযুক্ত কিসান মোর্চা (Samyukta Kisan Morcha)।

শুক্রবার, গুরু নানক জয়ন্তীতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) তিন কৃষি আইন প্রত্যাহারের ঘোষণা করেন। এরপরই প্রশ্ন ওঠে যে, দিল্লি সীমান্তে প্রায় এক বছর ধরে যে আন্দোলন চালাচ্ছে কৃষকরা, তা জারি রাখা হবে কিনা। এই বিষয়ে আলোচনা করতে শনিবারই বৈঠকে বসে সংযুক্ত কিসান মোর্চার অধীনে থাকা ৩২টি কৃষক সংগঠন। আজ দিল্লির সিংঘু সীমান্তে সকাল ১১টায় দ্বিতীয় দফার বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। এই বৈঠকেই আন্দোলন নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হত। কিন্তু  শেষ মুহূর্তে কৃষক সংগঠনগুলির তরফে এই বৈঠক স্থগিত করে দেওয়া হয়। পরবর্তী বৈঠকের দিন হিসাবে ২৭ নভেম্বর বেছে নেওয়া হয়।

সূত্রের খবর, শীতকালীন অধিবেশনে আইন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তে সিলমোহর পড়ার কথা থাকলেও, তার আগেই বিতর্কিত তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করে নেওয়া হতে পারে। জানা গিয়েছে, আগামী সপ্তাহেই সংসদের শীতকালীন অধিবেশনের আগে কৃষি আইন প্রত্যাহারের বিষয়ে মন্ত্রিসভার চূড়ান্ত অনুমোদন মিলতে পারে। আগামী বুধবার মন্ত্রিসভার যে বৈঠক রয়েছে, সেই বৈঠকেই কৃষি আইন প্রত্যাহারের কাজ আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে।

কেন্দ্রের তরফে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, তার উপর ভিত্তি করেই কৃষক আন্দোলন জারি রাখা হবে কিনা, তা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। মাঝের এই কয়েকটি দিনে যাবতীয় কর্মসূচি চালু থাকবে বলেই জানানো হয়েছে।

শনিবারই সংযুক্ত কিসান মোর্চার কোর কমিটির সদস্য দর্শন পাল জানিয়েছিলেন, আইন প্রত্য়াহারের দাবি পূরণ হলেও কৃষকদের এখনও বেশ কিছু দাবি রয়েছে, সেগুলিও কেন্দ্রকে পূরণ করতে হবে। ফসলের ন্যূনতম সহায়ক মূল্যের আইনি গ্যারান্টি দিতে হবে সরকারকে। একইসঙ্গে বিদ্যুৎ সংশোধনী আইন প্রত্যাহারের যে প্রস্তাবে রাজি হয়েছিল কেন্দ্র, তা কার্যকর করতে হবে। শনিবারের বৈঠকে এমএসপি নিয়ে কথা বলা ছাড়াও শীতকালীন অধিবেশন চলাকালীন প্রতিদিন সংসদ অবধি ট্রাক্টর মিছিল করার পরিকল্পনা করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।

২৭ তারিখের বৈঠক না হওয়া অবধি কৃষক আন্দোলনের যাবতীয় কর্মসূচি চালু থাকবে বলেই জানানো হয়েছে আজ। ২২ নভেম্বর লখনউয়ে যে মহাপঞ্চায়েতের আয়োজন করা হয়েছিল, তাও নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ীই হবে।  এই বিষয়ে কৃষক নেতা বলবীর সিং রাজেওয়াল বলেন, “সংযুক্ত কিসান মোর্চার তরফে যে কর্মসূচিগুলির পরিকল্পনা করা হয়েছিল, তার সবকটিই জারি থাকবে। ২২ নভেম্বর লখনউয়ে মহাপঞ্চায়েত, ২৬ নভেম্বর কৃষক আন্দোলনের বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে সীমান্তে কৃষকদের বিশাল জমায়েত এবং ২৯ নভেম্বর থেকে সংসদ ভবন অবধি ট্রাক্টর মিছিলের পরিকল্পনা জারি থাকবে। ২৭ নভেম্বরের বৈঠকেই ট্রাক্টর মিছিল নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ”

সংযুক্ত কিসান মোর্চার তরফে প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “কৃষকদের বাকি দাবিগুলি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি লেখা হবে। এরমধ্যে ফসলের ন্যূনতম সহায়ক মূল্যের আইনি গ্য়ারান্টি, বিদ্যুৎ সংশোধনী বিল ২০২০, আন্দোলনকারী কৃষকদের উপর থেকে যাবতীয় এফআইআর প্রত্যাহার এবং লখিমপুর খেরির হিংসার ঘটনায় জড়িত কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অজয় কুমার মিশ্রকে পদ থেকে বহিস্কার করার দাবি জানানো হবে।”

আরও পড়ুন: Bharati Ghosh BJP National Spokesperson: বিজেপিতে গুরুত্ব বাড়ল ভারতী ঘোষের, এবার দলের সর্বভারতীয় মুখপাত্র 

Click on your DTH Provider to Add TV9 Bangla