করোনা আবহে সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রজেক্ট বন্ধের আবেদন শুনবে সুপ্রিম কোর্ট

কেন্দ্রের নির্ধারিত ডেডলাইন অনুযায়ী, সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রজেক্টের প্রথম কাজ হবে আগামী বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন তৈরা করা।

  • TV9 Bangla
  • Published On - 11:48 AM, 5 May 2021
করোনা আবহে সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রজেক্ট বন্ধের আবেদন শুনবে সুপ্রিম কোর্ট
ফাইল চিত্র

নয়া দিল্লি: কয়েকদিন আগেই কেন্দ্রের গ্রিন ক্লিয়ারেন্স পেয়েছিল সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রজেক্ট (Central Vista Project)। করোনা আবহে এই প্রজেক্টের কাজ হওয়ায় সমালোচনার মুখে পড়েছিল কেন্দ্র। এ বার সেই প্রজেক্ট বন্ধের আবেদন শুনবে সুপ্রিম কোর্ট। আইনজীবী সিদ্ধার্থ লুথরা প্রধান বিচারপতিকে দিল্লি হাইকোর্টের নির্দেশের বিরুদ্ধে আবেদন গ্রহণ করার অনুরোধ করেছেন।

করোনা সংক্রমণের বাড়বাড়ন্তের জেরে দিল্লিতে জারি লকডাউন। এই আবহেও সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রজেক্টের কাজ চলছে। কেন্দ্র ‘অত্যন্ত প্রয়োজনীয়’ কাজ হিসেবে এই প্রজেক্টকে দেখছে। আগামী বছরের ডিসেম্বর মাসের মধ্যেই নতুন প্রধানমন্ত্রী বাসভবন তৈরির কাজ শেষ করার ডেডলাইন দিয়েছে কেন্দ্র। কিন্তু বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টে যাওযায় এ বিষয়ে শেষ সিদ্ধান্ত নেবে দেশের সর্বোচ্চ আদালত।

কেন্দ্রের নির্ধারিত ডেডলাইন অনুযায়ী, সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রজেক্টের প্রথম কাজ হবে আগামী বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন তৈরা করা। একই সময়ের মধ্যেই তৈরি হবে বিশেষ নিরাপত্তা দলের হেডকোয়ার্টারও। মূলত প্রধানমন্ত্রীকে সুরক্ষা দেওয়ার জন্যই বাসভবনের সঙ্গে সঙ্গে এই ভবন নির্মাণের নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র।

বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের ঠিকানা ৭, লোককল্যাণ মার্গ। সেন্ট্রাল ভিস্তার মাধ্যমে সেই ঠিকানারই বদল আসতে চলেছে। আগামী বছরের মে মাসের মধ্যেই উপরাষ্ট্রপতিরও বাসভবন তৈরির নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র। এই গোটা সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রজেক্টের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে ইন্ডিয়া গেট পর্যন্ত ৪ কিলোমিটার অঞ্চল একেবারে নতুন করে সাজিয়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়েছে কেন্দ্র। এই প্রজেক্টের মাধ্যমেই নতুন সংসদ ভবনও নির্মাণ হচ্ছে।

যদিও এই প্রজেক্টের বারবার বিরোধিতা করেছে বিরোধীরা। কংগ্রেস নেতা তথা ওয়ানাদের সাংসদ রাহুল গান্ধী কয়েকদিন আগেই টুইট করে লিখেছিলেন, “সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রয়োজনীয় নয়, প্রয়জোনীয় হল একটা লক্ষ্যযুক্ত কেন্দ্রীয় সরকার।” সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রজেক্ট দেশের সর্বোচ্চ আদালত পর্যন্ত আগেও গড়িয়েছে। যদিও সর্বোচ্চ আদালত এতে বাধা দেওয়ার আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছিল। এ বার ফের সেই আবেদনের শুনানি হবে সর্বোচ্চ আদালতে।

আরও পড়ুন: করোনা হাসপাতালে বিধ্বংসী আগুন, অল্পের জন্য প্রাণ বাঁচল রোগীদের