Cyclone Dana: দানার ভয়ে কাঁপছে বাংলা, উড়তে পারবে তো বিমান? হয়ে গেল উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক
Cyclone Dana: বিমানবন্দরে টার্মিনালের ঢোকা এবং বেরোনোর গেটে বালির বস্তা দিয়ে মোকাবিলা করার চিন্তাভাবনা চলছে বলে জানা যাচ্ছে। এদিকে আবহাওয়া দফতর বলছে, স্থলভাগের সঙ্গে ক্রমেই কমছে দূরত্ব। শেষ আপডেট বলছে বর্তমানে স্থলভাগ থেকে প্রায় সাড়ে সাতশো কিলোমিটার দূরে রয়েছে।
কলকাতা: ভয় বাড়াচ্ছে দানা। তৎপর প্রশাসন। সবথেকে বেশি তৎপরতা দেখা যাচ্ছে উপকূলবর্তী এলাকাগুলিতে। ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে মাইকিং। উপকূল সংলগ্ন এলাকায় থাকা মানুষদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় দানার কারণে যাতে বিমান চলাচলে কোনও অসুবিধা না হয়, বা বিপদ এড়াতে কোনও কোন ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে সে বিষয়ে তৎপরতা বেড়েছে দমদম বিমানবন্দরেও। সতর্ক বন্দরের কর্তারা। মঙ্গলবার হয়ে গেল উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক।
ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়ার আগেই বিমানগুলিকে কীভাবে নির্দিষ্ট জায়গায় নিয়ে যাওয়া হবে, কোথায় রাখা হবে, উড়ান বাতিল হবে নাকি ঘুরপথে চলবে এই সমস্ত সামগ্রিক বিষয় নিয়ে এদিন হয় বৈঠক। এই প্রথম নয়, বিগত কয়েক বছরে একাধিক ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়েছে বাংলার বুকে। প্রতিবারই তৎপরতা দেখা গিয়েছে বিমান বন্দর চত্বরে। বিধ্বংসী ঝড়ের কবল থেকে বাঁচতে এর আগে বহু বিমানের চাকাই বেঁধে রাখতে দেখা গিয়েছিল। এবারই ফিরতে পারে সেই ছবি।
বিমানবন্দরে টার্মিনালের ঢোকা এবং বেরোনোর গেটে বালির বস্তা দিয়ে মোকাবিলা করার চিন্তাভাবনা চলছে বলে জানা যাচ্ছে। এদিকে আবহাওয়া দফতর বলছে, স্থলভাগের সঙ্গে ক্রমেই কমছে দূরত্ব। শেষ আপডেট বলছে বর্তমানে স্থলভাগ থেকে প্রায় সাড়ে সাতশো কিলোমিটার দূরে রয়েছে। রাত পোহালেই বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া এই গভীর নিম্নচাপ পরিণত হবে ঘূর্ণিঝড়ে। বলছে আবহাওয়া দফতর। তাতেই ভয় বাড়ছে বাংলায়। ঘূর্ণিঝড়ের কারণে আগামী তিন দিন বাংলায় ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। ভারী বৃষ্টি হতে পারে কলকাতাতে।