Topsia Fire: ফের রাতের শহরে আগুন, তপসিয়ায় ভস্মীভূত রবার কারখানা

Topsia Fire: দমকলের মোট আটটি ইঞ্জিন এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রায় এক ঘন্টার চেষ্টায় আগুন আসে। কী থেকে আগুন লাগল, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

Topsia Fire: ফের রাতের শহরে আগুন, তপসিয়ায় ভস্মীভূত রবার কারখানা
তপসিয়ায় আগুন (নিজস্ব চিত্র)

কলকাতা: ফের রাতের শহরে আগুন। মঙ্গলবারের পর বুধবার রাতে তপসিয়ার জেডি খান রোডের একটি জুতোর রবার কারখানায় আগুন লাগে। বুধবার রাত বারোটা নাগাদ আগুন লাগে বলে স্থানীয় সূত্রে খবর।

প্রথমে কারখানার একটি জানলা দিয়ে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। দাহ্য পদার্থ থাকায় আগুন ছড়িয়ে পড়তে থাকে দ্রুত। কারখানার কয়েকজন কর্মী, স্থানীয় বাসিন্দারা প্রথমে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। তা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকল। দমকলের মোট আটটি ইঞ্জিন এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রায় এক ঘন্টার চেষ্টায় আগুন আসে। কী থেকে আগুন লাগল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, শর্টসার্কিট থেকে আগুন লেগেছে। আগুন লাকার কারণ খতিয়ে দেখছেন দমকলকর্মীরা। তদন্তে তপসিয়া থানার পুলিশও।

মঙ্গলবার রাতে  উল্টোডাঙার আরিফ রোডে ডালের গুদামে বিধ্বংসী আগুন লাগে। দমকলের ১২ টি ইঞ্জিনের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। কর্মীদের মারফত জানা গিয়েছে, রাতে কাজ চলাকালীন আচমকাই একটি বিস্ফোরণ হয়। তারপর আগুন ধরে যায় গুদামে। দাহ্য পদার্থ থাকায় আগুন ছড়িয়ে পড়তে থাকে দ্রুত। প্রাথমিকভাবে কর্মীরাই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেছিলেন। মুহূর্তের মধ্যে লেলিহান শিখা গ্রাস করতে শুরু করে গোটা গুদামকে।

প্রথমে দমকলের ৬ টি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। পরে পরিস্থিতি বুঝে যায় আরও ৬ টি ইঞ্জিন। দমকলের ১২ টি ইঞ্জিন প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। কী থেকে আগুন লেগেছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। আগুন লাগার কারণ খতিয়ে দেখছেন দমকল আধিকারিকরা।

পরপর রাতের শহরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে। সল্টলেক সেক্টর ফাইভ মহিষবাথান লালবাড়িতে বিধ্বংসী আগুন গত শনিবার। একটি ঘর থেকে প্রথমে ধোঁয়া বের হতে দেখেন স্থানীয়রা। প্রাথমিকভাবে স্থানীয় বাসিন্দারাই আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ, দমকল।

গত মাসেই নারকেলডাঙ্গা প্রধান রাস্তার ধারেই দোতলা বাড়িতে আগুন লাগে। তারও আগে বেলেঘাটা (Beleghata Fire) এলাকার ৭ নম্বর কবি সুকান্ত সরণিতে একটি পুরনো কাঠের দোতলা বাড়িতে আগুন লাগে। ওই বাড়িতে দু-একজন বাস করতেন।স্থানীয় মানুষের তৎপরতায় আশপাশের বাড়ি থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে নিয়ে যান।

গত মাসেই ১৫১ শরৎ বোস রোডে একটি বহুতলে আগুন লাগে। , টেলারিং কারখানা ছিল ওই বহুতলে। বন্ধ ছিল। দোতলায় আগুন লাগে। ৩ টি ইঞ্জিনের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। শহরের অগ্নিকাণ্ডে বড় বিপদের আশঙ্কা আজকাল থেকেই যায়। সেক্ষেত্রে আগে থেকে সতর্ক দমকল, বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর।

চেতলা হাটের একটি বস্তিতে এদিন সকালে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। একেবারে ঘিঞ্জি এলাকা হওয়ায় পরিস্থিতি মুহূর্তে ভয়াবহ হয়ে ওঠে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আগুন লাগার সময় ঘরে তিনটি বাচ্চা ছিল। তাদের নাম রাঘব মিশ্র, মাধব মিশ্র ও সাক্ষী মিশ্র। ছয় থেকে দশ বছরের মধ্যে তিনজনের বয়স। এর মধ্যে সাক্ষী মিশ্রের শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হয়। তাদের তিনজনকেই হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।

আরও পড়ুন: পৌরুষ দেখাতে অন্যকে হিজড়ের সঙ্গে তুলনা, সংবিধানকেই অপমান করছেন না তো দিলীপ-কুণালরা? প্রশ্ন বৃহন্নলাদের

Click on your DTH Provider to Add TV9 Bangla