Sreebhumi: আজ থেকে কি ভিআইপিতে বাস চলাচল বন্ধ? শ্রীভূমির ভিড়ে বদল হতে পারে রুট
Durga Puja: সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই পুলিশের তরফে বাস মালিকদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, বাস বা গাড়ির রাস্তা ঘুরিয়ে নিতে। সন্ধ্যার পর থেকে বাস চলাচল নিয়ন্ত্রিত হতে পারে ভিআইপিতে। এয়ারপোর্টগামী বাস সল্টলেক স্টেডিয়ামের পাশ দিয়ে নিউটাউন হয়ে যেতে হতে পারে।
কলকাতা: বোধনের আগেই শহরের রাস্তায় ভিড়ের গুঁতো। ট্রাফিক জ্যামে অবরুদ্ধ শহরের একাধিক বড় রাস্তা। ভিআইপি রোড, রুবি থেকে রাসবিহারী যানজটে জেরবার আমজনতা। দ্বিতীয়া-তৃতীয়াতেই যদি এই ছবি হয়, তাহলে ষষ্ঠীতে বোধনের পর কী হবে, উঠছে প্রশ্ন। সবথেকে বিপাকে নিত্যযাত্রীরা। বাসে, ট্রেনে ওঠা যাচ্ছে না। অটোরও লম্বা লাইন। ২০ মিনিটের পথ যেতে ১ ঘণ্টা পার হয়ে যাচ্ছে। এমন ট্রাফিক-বিশৃঙ্খলা নাভিশ্বাস উঠছে সাধারণ মানুষের।
রাস্তা ‘ব্লক’ করা হলে কড়া পদক্ষেপের কথা বলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার কলকাতার নগরপালও আশ্বাস দিয়েছিলেন, যানজটমুক্ত পুজোর কলকাতাই উপহার দেবে পুলিশ প্রশাসন। অথচ তারপরও এমন পরিস্থিতি।
শ্রীভূমির পুজোর ভিড় শুরু হয়েছে মহালয়া থেকে। সোমবারই এ পুজোর প্রধান সুজিত বসু বলেছিলেন, দু’দিনে ২ লক্ষ মানুষ এসেছেন পুজো দেখতে। কিন্তু বিধাননগর থেকে ভিআইপি রোডে বাস কিংবা চার চাকা উঠতেই যে সিগনাল আর সবুজ হচ্ছে না! ঘণ্টার পর ঘণ্টা রাস্তাতেই অফিস কিংবা কর্মক্ষেত্র-ফেরত যাত্রীরা। এ তো দুর্ভোগের কিছুই নয়। দাঁড়িয়ে রয়েছে অ্যাম্বুল্যান্সও।
অথচ পুজো উদ্যোক্তাদের নিয়ে বৈঠকে নাম করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, “দুষ্টুমি করে সুজিত বোস। এমনভাবে এলাকাটা করে, এয়ারপোর্ট থেকে লোক আসতে পারে না। এবার আমি পুলিশকে বলব এয়ারপোর্ট যাতে ডিস্টার্ব না হয়। সেটা দেখে সুজিত তুমি পুজো করবে। শুধু তোমারটায় লোকে যাবে, অন্যগুলোয় লোকে যাবে না, তোমার চালাকিটা আমি বুঝি। তুমি দমকলমন্ত্রী। এটা তোমাকেও কিন্তু মাথায় রাখতে হবে। পরিবহণ ব্যবস্থা যদি ব্লক হয়, আমি তোমাকে ব্লক করব।”
সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই পুলিশের তরফে বাস মালিকদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, বাস বা গাড়ির রাস্তা ঘুরিয়ে নিতে। সন্ধ্যার পর থেকে বাস চলাচল নিয়ন্ত্রিত হতে পারে ভিআইপিতে। এয়ারপোর্টগামী বাস সল্টলেক স্টেডিয়ামের পাশ দিয়ে নিউটাউন হয়ে যেতে হতে পারে।
চার চাকার গাড়ির ক্ষেত্রে এয়ারপোর্ট যেতে হলে চিংড়িঘাটা ফ্লাইওভার হয়ে নিউটাউন ধরে যেতে হবে। সূত্রের খবর, অ্যাম্বুল্যান্স, ফায়ার ব্রিগেড বা কোনও জরুরি পরিষেবা যাতে সমস্যায় না পড়ে তাই এই আবেদন। কিন্তু এই বিকল্প পথে কি কমবে ভোগান্তি? কারণ, সকলে এয়ারপোর্ট যাবেন এমনটা নয়। বাঙুর, দমদম পার্ক, কেষ্টপুর, বাগুইআটিরও প্রচুর যাত্রী থাকেন এই রুটের বাসে। তাঁরা কীভাবে ফিরবেন, সে উত্তর অধরা।