Diamond-Harbour: প্রার্থী চেয়ে WANTED পোস্টার, ‘ডায়মন্ড ডরে’ অভিষেকের গড়ে ওয়াকওভার বিরোধীদের?

Diamond-Harbour: বিরোধী দল হিসাবে হাই-প্রোফাইলে আসনে এখনও পর্যন্ত প্রার্থী ঘোষণা করেছে এসইউসিআই। লড়ছেন রাজকুমার মণ্ডল। ডায়মন্ড-হারবার নিয়ে অভিষেককে বারবার চ্যালেঞ্জ ছুঁড়েছেন বিরোধী নেতারা। কিন্তু কেন সেখানে প্রার্থী দিতে কেন এত সময় লাগছে সেই প্রশ্নের উত্তর মিলছে না।

Diamond-Harbour: প্রার্থী চেয়ে WANTED পোস্টার, ‘ডায়মন্ড ডরে’ অভিষেকের গড়ে ওয়াকওভার বিরোধীদের?
কী বলছেন বিরোধী শিবিরের নেতারা? Image Credit source: TV-9 Bangla
Follow Us:
| Updated on: Apr 02, 2024 | 10:13 PM

কলকাতা: তৃণমূলের সেনাপতির আসন বলে কথা। বঙ্গ রাজনীতিতে তাই অন্যতম ওজনদার কেন্দ্র ডায়মন্ড-হারবার। এবার নিজের গড়ে জয়ের হ্যাটট্রিকের লক্ষ্যে নেমেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যে ভোট প্রস্তুতি শুরু করে দিয়ে বিধানসভা পিছু লিডের টার্গেটও বেঁধে দিয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। প্রার্থী হিসাবে অভিষেকের নাম ঘোষণার পর একমাস হতে চললেও তৃণমূলের কার্যত ফাঁকা মাঠ ডায়মন্ড-হারবার। অভিষেকের আসনে এখনও প্রার্থীর নাম ঘোষণা করতে পারেনি বিজেপি। আইএসএফের টিকিটে নওশাদ সিদ্দিকী লড়বেন কিনা তা নিয়ে যেমন ধোঁয়াশা রয়েছে তেমনই বামেদের অবস্থানও অস্পষ্ট। কংগ্রেস কী করবে তাও পরিষ্কার নয় খুব একটা। 

বিরোধী দল হিসাবে হাই-প্রোফাইলে আসনে এখনও পর্যন্ত প্রার্থী ঘোষণা করেছে এসইউসিআই। লড়ছেন রাজকুমার মণ্ডল। ডায়মন্ড-হারবার নিয়ে অভিষেককে বারবার চ্যালেঞ্জ ছুঁড়েছেন বিরোধী নেতারা। কিন্তু কেন সেখানে প্রার্থী দিতে কেন এত সময় লাগছে সেই প্রশ্নের উত্তর মিলছে না। বিজেপি অনেকদিন ধরেই বলে আসছে ওখানে অনেকেই প্রার্থী হতে চান। তার জন্য সময় লাগছে। বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, “প্রার্থী তো নিমিত্ত মাত্র। এ তো প্রধানমন্ত্রীর ভোট। বেল পাকলে কাকের কী! তৃণমূলের এতে কী! ৫৪৩ আসনে যাঁরা ৪৫টাতে লড়ছে সেই পার্টির লোকসভায় কী ভূমিকা আছে?” 

অন্যদিকে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী বলছেন, “আমাদের সময় লাগে জানেন তো। অন্যান্য জায়গাতেও আমাদের সময় লেগেছে। ডায়মন্ড-হারবারে একবার বামেরা বলছে আমরা দেব, কখনও আইএসএফ বলছে আমরা দেব। বাম-আইএসএফের মধ্যে একটা কথা চলছিল। ওটার মধ্যে আমরা ছিলাম না। কংগ্রেস তো কখনও আইএসএফের সঙ্গে থাকেনি।” এখানেই না থেমে তিনি আরও বলেন, “বামেদের সঙ্গে ওদের কথা চলে। আমরা বলেছিলাম কেউ দাঁড়ালে আমরা ছেড়ে দেব। এখন তাঁরা কী করবে জানি না। শূন্য হলে আমরা তো আছি ময়দানে।” 

এই খবরটিও পড়ুন

রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলছেন অভিষেকের কেন্দ্রে প্রার্থী ঠিক করা নিয়ে বেজায় দোলাচলে আইএসএফও। তবে দোলাচল যে আছে তা ঠিক মানতে নারাজ নওশাদ সিদ্দিকীও। তিনি আবার দীর্ঘদিন ধরেই বলে আসছেন তিনি ডায়মন্ড-হারবারেই লড়তে চান। আগেই বলেছেন, আমি এক জায়গাতেই অনড় আছি। একই জায়গায় অবস্থান করছি। কিছু বাধ্যবাধ্যকতা থাকে। আমি তো একা দলটা চালাই না। আমি একা দল চালালে এতক্ষণে ওখানে গিয়ে প্রচারে নেমে যেতাম।