Ranji Trophy: নাইটওয়াচম্যানের সেঞ্চুরিতে পঞ্জাবের বিরুদ্ধে অ্যাডভান্টেজ বাংলা
Ranji Trophy 2024-25, Bengal vs Punjab: বাংলার ক্রিকেট প্রেমীদের জন্য অন্য়তম গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচও। কেরিয়ারে শেষ বার নেমেছেন কিংবদন্তি ঋদ্ধিমান সাহা। তাঁর বিদায়ী ম্যাচ স্মরণীয় করে রাখতে মরিয়া বাংলা টিমের সতীর্থরাও। দ্বিতীয় দিনের শেষে অ্যাডভান্টেজে বাংলাই।

তরুণ পেসারের দাপট। তবে বল হাতেই শুধু নয়। ব্যাট হাতেও ইডেন গার্ডেন্সে জ্বলে উঠলেন। এসেছিলেন নাইটওয়াচম্যান হিসেবে। সেই তিনিই সেঞ্চুরি করে তাক লাগিয়ে দিলেন। পঞ্জাবের বিরুদ্ধে দুর্দান্ত জায়গায় বাংলা। রঞ্জি ট্রফির সপ্তম রাউন্ডে পঞ্জাবের বিরুদ্ধে খেলছে বাংলা। নকআউটের সম্ভাবনা নেই দু-দলেরই। মর্যাদার ম্যাচ। তেমনই বাংলার ক্রিকেট প্রেমীদের জন্য অন্য়তম গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচও। কেরিয়ারে শেষ বার নেমেছেন কিংবদন্তি ঋদ্ধিমান সাহা। তাঁর বিদায়ী ম্যাচ স্মরণীয় করে রাখতে মরিয়া বাংলা টিমের সতীর্থরাও। দ্বিতীয় দিনের শেষে অ্যাডভান্টেজে বাংলাই।
প্রথম ইনিংসে পঞ্জাবকে মাত্র ১৯১ রানেই গুটিয়ে দিয়েছিল বাংলা। বল হাতে কামাল করেছিলেন সূরজ সিন্ধু জয়সওয়াল। তিনি এবং অভিষেক ম্যাচ খেলতে নামা সুমিত মোহন্ত ৪টি করে উইকেট নিয়েছিলেন। ব্যাট হাতেও দাপট দেখালেন সূরজ। বাংলা প্রথম ইনিংসে ৩৪৩ রানে অলআউট। টপ অর্ডার ব্য়াটাররা অবশ্য় ভরসা দিতে পারেননি। তবে মিডল অর্ডারে সুমন্ত গুপ্ত এবং কিপার ব্যাটার অভিষেক পোড়েলের হাফসেঞ্চুরি।
ম্যাচের প্রথম দিনের শেষ দিকে ক্যাপ্টেন অনুষ্টুপ মজুমদার ফেরায় নাইটওয়াচম্যান হিসেবে পাঠানো পাঠানো হয় সূরজকে। কোনওরকমে দিনটা কাটিয়ে দেওয়াই টার্গেট ছিল। যদিও সূরজ পরিণত ব্য়াটারের মতোই খেলে গেলেন। কয়েকটি ক্যাচও মিস হয়েছে। তার ভরপুর সুযোগ নিলেন সূরজ। প্রথম শ্রেনির কেরিয়ারে সেঞ্চুরিও করে ফেললেন। শেষ অবধি ১১১ রান করেন সূরজ।
দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিং অর্ডারে পরিবর্তন আনে পঞ্জাব। তাতেও অবশ্য বাংলার দাপট। মহম্মদ কাইফ ও সুমিত মোহন্ত একটি করে উইকেট নিয়েছেন। আর একটি রান আউট। ৪৯ রানেই তিন উইকেট তুলে নেয় বাংলা। দিন শেষে ৬৪-৩ স্কোর পঞ্জাবের। তবে ক্রিজে রয়েছেন প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি করা অনমোলপ্রীত সিং। বাংলা এখনও ৮৮ রানে এগিয়ে।
