Chief Candy Officer: বলিহারি চাকরি! ক্যান্ডির স্বাদ চাখতে হবে, আর তাতেই বেতন মিলবে ৮০ লাখ টাকা, আবেদন করবেন?

Candy Testing Job In Canada: চাকরির খোঁজ করছেন? তাহলে আপনার জন্য বিরাট সুযোগ নিয়ে হাজির হয়েছে কানাডার এক ক্যান্ডি প্রস্তুতকারক সংস্থা। আপনাকে কেবল ক্যান্ডি চেখে দেখতে হবে। বদলে বছরে পেয়ে যাবেন ৮০ লাখ টাকার কাছাকাছি বেতন।

Chief Candy Officer: বলিহারি চাকরি! ক্যান্ডির স্বাদ চাখতে হবে, আর তাতেই বেতন মিলবে ৮০ লাখ টাকা, আবেদন করবেন?
ক্যান্ডি চাখতে পারলেই কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা!
TV9 Bangla Digital

| Edited By: Sayantan Mukherjee

Aug 05, 2022 | 4:34 PM

বাজারে অনেক রকমের চাকরি রয়েছে। তার মধ্যে কিছু কাজ খুবই চমকদার, কিছু আবার চমৎকারও বটে। একবার ভাবুন তো, এমন একটা চাকরি পেলেন, যেখানে আপনাকে সারাদিন খেয়ে যেতে হবে। প্রতিটা খাবারের টেস্ট কীরকম, সেটা আপনাকে বলতে হবে। আর তারই বিনিময়ে মাসের শেষে আপনি মোটা টাকার বেতনও পেয়ে গেলেন। কেমন হয় তাহলে? হেঁয়ালি নয়। সত্যিই এমন চাকরি রয়েছে বাজারে। আপনিও পেতে পারেন সেই চাকরি। একটি ক্যান্ডি প্রস্তুতকারক সংস্থা তাদের চিফ ক্যান্ডি অফিসারের (Chief Candy Officer) খোঁজ করছে। কাজটা ঠিক যেরকম বললাম, আপনাকে ক্যান্ডি টেস্ট (Candy Testing) করতে হবে। ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করা এই চাকরির খবর নিয়ে নেটদুনিয়া তোলপাড়।

সংস্থার নাম ক্যান্ডি ফানহাউস। ইনস্টাগ্রাম পোস্টে সংস্থাটি লিখছে, “আমরা একজন চিফ ক্যান্ডি অফিসার নিয়োগ করতে চলেছি। আপনি কি ক্যান্ডি ও পপ কালচার সম্পর্কে উৎসাহিত? আমাদের ক্যান্ডিওলজিস্টদের নেতৃত্ব দিতে আপনি পেয়ে যাবেন ছয় সংখ্যার বেতন। পাঁচ বছরের বেশি বয়স হলেই আবেদন জানাতে পারবেন। আপনার সন্তানের জন্যও আবেদন জানাতে পারেন আপনি।”

ক্যান্ডি ফানহাউসের তরফে তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটেও এই চাকরি সম্পর্কে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। সেখানে লেখা হচ্ছে, “বিশ্বের প্রথম এবং একমাত্র চিফ ক্যান্ডি অফিসারের সন্ধান করছি আমরা! এই চাকরিতে আপনি বাড়িতে বসে কাজ করারও সুযোগ পেতে পারেন। এছাড়া কানাডার লোকজন টরন্টোতে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মানুষরা নিউ জার্সির নিউআর্কের অফিস থেকে কাজ করতে পারেন। ফানহাউস ক্যান্ডি স্ট্র্যাটেজির দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য বেতন প্রতি বছরে ১০০,০০০ মার্কিন ডলার। এর মধ্যে রয়েছে ইনভেন্টরিতে থাকা সমস্ত ক্যান্ডি অনুমোদন করা এবং প্রতিটি ট্রিট অফিসিয়ালকে চিফ ক্যান্ডি অফিসারের স্ট্যাম্প অফ অ্যাপ্রুভাল দেওয়া বা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া।”

এই খবরটিও পড়ুন

ইনস্টাগ্রামে এই পোস্টটি শেয়ার হওয়ার পর থেকে ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে। নেটপাড়ার অলিগলি নানাবিধ মন্তব্যে উপচে পড়েছে। চিফ ক্যান্ডি অফিসারের পোস্টটিতে একজন ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারী লিখছেন, “আমি এই চাকরিটা করার জন্য মুখিয়ে রয়েছি। কিন্তু দুঃখের বিষয়টা হল আমি এখন থাইল্যান্ডে।” আর একজন কিছুটা মজার স্বরেই যোগ করলেন, “আমি আবেদন করেছি আমার পাঁচ বছরের ছেলের জন্য।” তৃতীয় এক ইউজারের বক্তব্য, “আমি তো চিরকালই একজন ক্যান্ডি ব্যক্তিত্ব হতে চেয়েছি!”

Follow us on

Related Stories

Most Read Stories

Click on your DTH Provider to Add TV9 Bangla