শ্রমিক বিক্ষোভের নামে ‘ভাঙচুর’, বহিষ্কৃত শিলিগুড়ির তৃণমূল নেতা

ড্রাইপোর্টে ভাঙচুরের ঘটনায় আইএনটিটিইউসি-র বেশ কয়েক জন গ্রেফতার হলেও এখনও অবশ্য ফেরার রয়েছেন তৃণমূল শ্রমিক সংগঠনের এনজেপি ইউনিট সভাপতি প্রসেনজিৎ রায়।

শ্রমিক বিক্ষোভের নামে 'ভাঙচুর', বহিষ্কৃত শিলিগুড়ির তৃণমূল নেতা
বহিষ্কৃত নেতা প্রসেনজিৎ রায়, ফাইল চিত্র

শিলিগুড়ি: শিলিগুড়িতে (Siliguri) শ্রমিক বিক্ষোভের জের। বিক্ষোভে নেতৃত্ব দিয়ে দল থেকে বহিষ্কৃত শিলিগুড়ির তৃণমূল শ্রমিক নেতা প্রসেনজিৎ রায়। ৪ ফেব্রুয়ারিতে মুখ্যমন্ত্রী শিলিগুড়িতে থাকাকালীন কর্মীদের নিয়ে শিলিগুড়ি ড্রাইপোর্টে ব্যাপক ভাঙচুর চালান প্রসেনজিৎ ও তার অনুগামীরা। এরপরই তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়।

দলের তরফে আলোচনা করে তাঁকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয়। ড্রাইপোর্টে ভাঙচুরের ঘটনায় আইএনটিটিইউসি-র বেশ কয়েক জন গ্রেফতার হলেও এখনও অবশ্য ফেরার রয়েছেন তৃণমূল শ্রমিক সংগঠনের এনজেপি ইউনিট সভাপতি প্রসেনজিৎ রায়।

ড্রাইপোর্ট কর্তৃপক্ষ একটি ভিডিয়ো প্রকাশ করে জানায়, তোলাবাজির উদ্দেশ্যে পরিকল্পনা করেই সেদিন হামলা চালিয়েছিল প্রসেনজিতের দলবল। ড্রাইপোর্টে দু’কোটি টাকার যন্ত্রপাতি ভাঙচুর করা হয় সেদিন। এরপরেই দলের মুখ বাঁচাতে তৎপর হন নেতারা। ঘটনায় অত্যন্ত বিরক্ত হন মুখ্যমন্ত্রী নিজেও।

প্রসেনজিতের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে দফায় দফায় বৈঠক করেন শাসক দলের নেতারাও। এলাকায় তোলাবাজির নানা অভিযোগ রয়েছে প্রসেনজিৎ রায়ের দলবলের বিরুদ্ধে। রেলের রেকের থেকে মাল ওঠানো নামানো থেকে শুরু করে, এলাকায় দোকানপাট, যানবাহন চলাচল সবেতেই প্রসেনজিৎ রায় ও তার অনুগামীদের তুষ্ট না করলে কিছুই করা যেত না বলে অভিযোগ। ওয়েলফেয়ার ফান্ডের নামে তোলা হত টাকা। প্রসেনজিৎ রায়কে বহিষ্কার করে দলের মুখরক্ষার চেষ্টায় দলীয় নেতারা।

আরও পড়ুন: মমতার ছবি এখনও তাঁর অফিসেই রয়েছে, নিজের এলাকাতেই পদযাত্রায় বললেন রাজীব

এ প্রসঙ্গে পর্যটন মন্ত্রী গৌতম দেব বলেন, “দল এ সব বরদাস্ত করে না। তাই এনজেপিতে শ্রমিক সংগঠনের ইউনিট সভাপতি প্রসেনজিৎ রায়কে বহিষ্কার করা হচ্ছে।”