Jaynagar: হাসপাতাল-পুলিশের অধীনে ময়নাতদন্ত নয়, দাবি মৃত নাবালিকার বাবার, এখনও জয়নগরে জ্বলছে ক্ষোভের আগুন
Jaynagar: শনিবার পদ্মহাট গ্রামীণ হাসপাতালে ও কাটাপুকুর মর্গে দফায় দফায় বিক্ষোভ চলেছে। নাবালিকার দেহ সংরক্ষণের দাবি জানায় বিজেপি-সিপিএম, দুই বিরোধী দলই। তাঁদের একটাই দাবি, রাজ্য সরকার, হাসপাতাল ও পুলিশের অধীনে ময়নাতদন্ত করা যাবে না।

দক্ষিণ ২৪ পরগনা: এখনও ফুঁসছে কুলতলি। নাবালিকাকে ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগে বিচারের দাবিতে দফায় দফায় অবরোধ, বিক্ষোভ। শনিবার থানায় ভাঙচুরের পর বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। রবিবার সকাল থেকে মহিষমারিতে টহল দিচ্ছে পুলিশ। নতুন করে যাতে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি না হয়, তার জন্য বাড়ানো হয়েছে পুলিশি নিরাপত্তা।
শনিবার পদ্মহাট গ্রামীণ হাসপাতালে ও কাটাপুকুর মর্গে দফায় দফায় বিক্ষোভ চলেছে। নাবালিকার দেহ সংরক্ষণের দাবি জানায় বিজেপি-সিপিএম, দুই বিরোধী দলই। তাঁদের একটাই দাবি, রাজ্য সরকার, হাসপাতাল ও পুলিশের অধীনে ময়নাতদন্ত করা যাবে না। একই দাবি মৃতার পরিবারের বাবার। দাবি মৃতার পরিবারের আইনজীবী চন্দনকুমার সাহার। তিনি বলেন, “রাজ্য সরকারের অধীনে ময়নাতদন্তে চাইছি না। পরিবার চাইছে, নিরপেক্ষ কোনও হাসপাতালে ময়নাতদন্ত করা হোক। দেহ সংরক্ষণেরও দাবি জানিয়েছি। এই মর্মে লোকাল থানায়, ডিজি-র কাছে চিঠি করা হয়েছে। আমাদের চিঠি গ্রহণ করা হয়েছে।”
শুক্রবার রাতে জয়নগরে নাবালিকার দেহ উদ্ধার হয়। সন্ধ্যা থেকেই খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না তাকে। পরিবার স্থানীয় থানায় বিষয়টি জানিয়েছিল। পরিবারের আক্ষেপ, শুরুতে গুরুত্ব দেওয়া হলে তাঁদের মেয়েকে বাঁচানো যেত। নাবালিকার দেহ উদ্ধারের পর তপ্ত হয়ে ওঠে জয়নগর। থানায় ভাঙচুর থেকে শুরু করে আগুন, উত্তেজিত জনতার ক্ষোভের মুখে পড়ে পুলিশ। যখন সুরতহাল রিপোর্ট বানানো হচ্ছিল, তখনও বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন গ্রামবাসীরা। দুপুরে এলাকায় পৌঁছে বিক্ষোভের মুখে পড়েন জয়নগরের তৃণমূল সাংসদ প্রতিমা মণ্ডল। ওঠে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান। প্রতিমার সঙ্গে মুখোমুখি বচসায় জড়িয়ে পড়েন বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল। শনিবারের পর রবিবার, এখনও জয়নগরে চলছে প্রতিবাদ। বিচারের দাবিতে প্ল্যাকার্ড পোস্টার হাতে রাস্তায় নেমেছেন জয়নগরের বাসিন্দারা।





