এনজেপি টি পার্ক (স্থলবন্দর) কাণ্ডে গ্রেফতার মূল অভিযুক্ত শ্রমিক নেতা প্রসেনজিৎ রায়

 এই অসন্তোষের জেরেই গত ৭ ফেব্রুয়ারি, সাংবাদিক বৈঠক করে দলের জেলা সভাপতি রঞ্জন সরকার ঘোষণা করেন দল কোনওভাবেই হিংসাত্মক কর্মকাণ্ড সমর্থন করেনা। তাই দল থেকে প্রসেনজিৎকে বহিষ্কার করা হল।

  • TV9 Bangla
  • Published On - 15:33 PM, 23 Feb 2021
বহিষ্কৃত নেতা প্রসেনজিৎ রায়, ফাইল চিত্র

জলপাইগুড়ি: মোবাইল ট্র্যাক করে অরুণাচল সীমান্ত থেকে মঙ্গলবার গ্রেফতার এনজেপি টি পার্ক (স্থল বন্দর) কাণ্ডের মূল অভিযু্ক্ত প্রসেনজিৎ রায় (Prasenjit Roy)। এমনটাই খবর, শিলিগুড়ি পুলিশ সূত্রে।

গত ৪ ফেব্রুয়ারি, সকালে আচমকা লরি বোঝাই শ্রমিক হামলা চালায় এনজেপির স্থলবন্দরে। গেট ভেঙে ভেতরে ঢুকে চলে বেপরোয়া ভাঙচুর। প্রায় আড়াই কোটি টাকার সম্পত্তির ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন কর্তৃপক্ষ।

ওইদিন শিলিগুড়িতেই ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর উত্তরবঙ্গ সফরের শেষ দিনে উত্তরকন্যা থেকে বাগডোগরা যাওয়ার সময়েই স্থানীয়দের কাজ ও স্থানীয় ব্যাবসায়ীদের লড়ি ভাড়া নিতে হবে এই দাবীতে তৃণমূল প্রভাবিত শ্রমিক সংগঠন আইএনটিটিইউসি এর সঙ্গে ল্যান্ড পোর্ট কর্তৃপক্ষর বাদানুবাদ কে ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বন্দর চত্বর।

আরও পড়ুন: শিক্ষক-চিকিৎসক নিয়োগে এবার পত্রবোমা নিয়োগপ্রার্থীর

 উল্লেখ্য, শিলিগুড়ির টি পার্কের ভিতরে থাকা কন্টেনার ডিপোতে শ্রমিক নিয়োগ ঘিরে বহুদিন ধরে ঝামেলা চলছে। সেখানে স্থানীয়দের প্রাধান্য দেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছে আইএনটিটিইউসি নেতা প্রসেনজিৎ রায় (Prasenjit Roy) ও তাঁর অনুগামীরা। অন্যদিকে টি পার্কের ব্যবসায়ীদের যুক্তি অত্যাধুনিক কাজের জন্য দরকার দক্ষ শ্রমিক। স্থানীয় অদক্ষ শ্রমিকদের কাজ দেওয়া যাবে না। কেন্দ্রীয় সরকারের শুল্ক দফতরের ডেপুটি কমিশনারের অফিসারের ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে প্রসেনজিৎ রায়ের সমর্থকদের বিরুদ্ধে।

কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে গুলি চালানো হয় বলে অভিযোগ করেছিলেন শ্রমিক নেতা প্রসেনজিৎ রায়। ঘটনার জেরে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

আরও পড়ুন: শাসক শিবিরের ‘খেলা হবে’ বনাম বামেদের ‘টু্ম্পা সোনা’, দেওয়াল লিখনের জেরে টানটান চন্দ্রকোণা

এই অসন্তোষের জেরেই গত ৭ ফেব্রুয়ারি, সাংবাদিক বৈঠক করে দলের জেলা সভাপতি রঞ্জন সরকার ঘোষণা করেন দল কোনওভাবেই হিংসাত্মক কর্মকাণ্ড সমর্থন করেনা। তাই দল থেকে প্রসেনজিৎকে (Prasenjit Roy) বহিষ্কার করা হল। ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন পর্যটন মন্ত্রী গৌতম দেব ও আইএনটিটিইউসির সভাপতি অরূপরতন ঘোষ। পুলিশ সূত্রে খবর, এনজেপি কাণ্ডে ইতিমধ্যেই ১৩ জন সন্দেহভাজন করেছে পুলিশ।