Edible Oil Price: কেন্দ্রীয় সরকারের পদক্ষেপে ২০ টাকা পর্যন্ত সস্তা হল খাবার তেলের দাম

Edible Oil Price: সরকার দ্বারা নেওয়া পদক্ষেপের পর অপরিশোধিত তেলের উপর ৭.৫ শতাংশ এবং অপরিশোধিত সোয়াবিন তেল আর সূর্যমুখী তেলের উপর ৫ শতাংশ আমদানি শুল্ক বসানো হয়েছে। আরবিডি পামোলিন অয়েলের উপর বেসিক ডিউটি সম্প্রতিই ১৭.৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১২.৫ শতাংশ করা হয়েছিল। রিফাইন্ড সোয়াবিন আর রিফাইন্ড সূর্যমুখী তেলের উপর বেসিক ডিউটি ৩২.৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৭.৫ শতাংশ করে দেওয়া হয়েছে।

Edible Oil Price: কেন্দ্রীয় সরকারের পদক্ষেপে ২০ টাকা পর্যন্ত সস্তা হল খাবার তেলের দাম
ফাইল চিত্র

নয়া দিল্লি: কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছে, দেশজুড়ে খাবার তেলের দাম (Edible Oil) খুচরো দাম বিশ্ববাজারের অনুরূপ এক বছরের সমান সময়সীমার তুলনায় অনেকটাই বেড়েছে, কিন্তু অক্টোবর ২০২১ এর পর থেকে এই দাম নীচের দিকে নামছে। ১৬৭টি প্রাইস কালেকশন সেন্টারের অনুযায়ী, দেশজুড়ে প্রধান খুচরো বাজারে খাবার তেলের দাম ৪-২০ টাকা প্রতি কেজি দাম কমেছে। উপভোক্তা বিষয়ক মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বাদাম তেলের (Groundnut Oil) অল ইন্ডিয়া অ্যাভারেজ খুচরো দাম ১৮০ টাকা প্রতি কেজি, সর্ষের তেলের দাম (Mustard oil) ১৮৪.৫৯ টাকা প্রতি কেজি, সোয়া তেলের দাম (Soya oil) ১৪৮.৮৫ টাকা প্রতি কেজি, সূর্যমুখী তেলের (Sunflower oil) দাম ১৬২.৪ টাকা প্রতি কেজি আর পাম তেলের দাম (Palm Oil) ছিল প্রতি কেজি ১২৮.৫ টাকা।

পরিসংখ্যানে দেখানো হয়েছে যে এক অক্টোবর ২০২১ এর প্রচলিত দামের তুলনায় বাদাম আর সর্ষের তেলের খুচরো দামে ১.৫০-৩ টাকা প্রতি কেজি কমেছে। অন্যদিকে সোয়া আর সূর্যমুখী তেলের দাম এখন ৭-৮ টাকা প্রতি কেজি হ্রাস পেয়েছে।

এই কোম্পানিগুলি কমিয়েছে খাবার তেলের দাম

মন্ত্রকের বক্তব্য অনুযায়ী, আদানি ভিল্মর আর রুচি ইন্ডাস্ট্রিজ সহ প্রধান খাবারা তেলের কোম্পানিগুলি প্রতি লিটারে ১৫-২০ টাকা কম করেছে। অন্যান্য যে কোম্পানিগুলি খাবার তেলের দাম কম করেছে তারা হল- জেমিনি এডিবলস অ্যান্ড ফ্যাটস ইন্ডিয়া হায়দরাবাদ, মোদি ন্যাচারালস দিল্লি, গোকূল রি-ফয়েল অ্যান্ড সাল্ভেট, বিজয় সাল্ঙভেক্স, গোকূল অ্যাগ্রো রিসোর্সেজ আর এনকে প্রোটিন্স।

অক্টোবর থেকে কমছে দাম

মন্ত্রালয় জানিয়েছে, ইন্টারন্যাশনাল কমোডিটির দাম বেশি হওয়া সত্ত্বেও কেন্দ্র সরকার দ্বারা রাজ্য সরকারগুলির সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং হস্তক্ষেপের ফলে খাবার তেলের দাম কম হয়েছে। খাবার তেলের দাম এক বছর আগের তুলনায় অনেক বেশি কিন্তু গত অক্টোবর মাস থেকে এই নাম নীচের দিকে নামছে।

সরকার দ্বারা নেওয়া পদক্ষেপের প্রভাব

উপভোক্তা মন্ত্রকের বক্তব্যে বলা হয়েছে, আমদানি শুল্ক কম হওয়া আর মজুত রোধ করা আইনের ফলে স্টকের সীমা বেঁধে দেওয়ার মতো অন্যান্য পদক্ষেপ সমস্ত খাদ্য তেলের ঘরোয়া দাম কম করার ক্ষেত্রে সহায়তা করেছে আর গ্রাহকরা স্বস্তি পেয়েছেন। সরকার দ্বারা নেওয়া পদক্ষেপের পর অপরিশোধিত তেলের উপর ৭.৫ শতাংশ এবং অপরিশোধিত সোয়াবিন তেল আর সূর্যমুখী তেলের উপর ৫ শতাংশ আমদানি শুল্ক বসানো হয়েছে। আরবিডি পামোলিন অয়েলের উপর বেসিক ডিউটি সম্প্রতিই ১৭.৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১২.৫ শতাংশ করা হয়েছিল। রিফাইন্ড সোয়াবিন আর রিফাইন্ড সূর্যমুখী তেলের উপর বেসিক ডিউটি ৩২.৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৭.৫ শতাংশ করে দেওয়া হয়েছে।

ভারত খাবার তেলের সবচেয়ে বড় আমদানিকারক দেশগুলির মধ্যে একটি

খাদ্য তেলের আমদানির উপর অত্যাধিক নির্ভরতার কারণে ঘরোয়া উৎপাদনকে উৎসাহ দেওয়ার প্রচেষ্টা করা গুরুত্বপূর্ণ। ভারত খাবার তেলের সবচেয়ে বড় আমদানিকারক দেশগুলির মধ্যে একটি। কারণ দেশের ঘরোয়া উৎপাদন দেশের চাহিদা পূরণ করতে অসমর্থ। দেশে খাদ্য তেলের চাহিদার প্রায় ৫৬-৬০ শতাংশ আমদানির মাধ্যমে পূরণ করা হয়। মন্ত্রক জানিয়েছে যে বিশ্ব উৎপাদন কম হওয়া আর রফতানিকারক দেশগুলির রফতানি কর/ লেভি বৃদ্ধি করার কারণে খাদ্য তেলের আন্তর্জাতিক দাম চাপের মধ্যে রয়েছে। এই কারণে খাদ্য তেলের ঘরোয়া দাম আমদানিকৃত তেলের দামের মাধ্যমে ঠিক হয়।

আরও পড়ুন: Retail Inflation Rate: ফের ধাক্কা সাধারণ মানুষের! মূল্যবৃদ্ধির হার বাড়ল ৫.৫৯ শতাংশ

Click on your DTH Provider to Add TV9 Bangla