Jannese Torres: চাকরি থেকে বিতাড়িত হয়েও এই মহিলার বার্ষিক আয় সাড়ে ৩ কোটি টাকা! অনুপ্রেরণার অভাব হবে না
Jannese Torres: এক সময় ৩৭ বছরের জ্যানিস টরেস (Jannese Torres ) বছরে ৮০ মিলিয়ন ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় ৬৬ লক্ষ টাকা) রোজগার করতেন।
এই মেয়ের গল্প অনুপ্রেরণা দেবে যাঁর একটা চাকরি পাওয়ার জন্য লড়াই করছেন অথবা চাকরির সুবাদেব ৯টা-৫টার অফিস করতে বিরক্ত হয়ে গিয়েছেন। এমন অনেকেই নিজের ব্যবসা খুলে নিজের ‘মর্জির মালিক’ হতে চান, কিন্তু আর্থিক ক্ষতি, পারিবারিক চাপের কারণে ঝুঁকি নিতে ভয় পান, তাদের জন্য এই গল্প হবে অনুপ্রেরণার, হবে সাহসের।
এক সময় ৩৭ বছরের জ্যানিস টরেস (Jannese Torres ) বছরে ৮০ মিলিয়ন ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় ৬৬ লক্ষ টাকা) রোজগার করতেন। জ্যানিস আদতে একজন ইঞ্জিনিয়ার। জ্যানিস যে সংস্থায় কর্মরত ছিলেন সেখান থেকে ২০১৩ সালে তাঁকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়। চাকরি থেকে বহিষ্কৃত হয়ে জ্যানিস বুঝতে পারেন, কোনও একটি দিক থেকে আয়ের ওপর তিনি আর নির্ভর করে থাকতে পারবেন না। ফুড ব্লগিং ছিল জ্যানিসের শখ, সেটাকেই তিনি পেশা হিসেবে বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। এর পাশাপাশি অন্য একটি চাকরি করার সঙ্গে সঙ্গে নিজের পডকাস্ট চ্যানেলও খোলেন জ্যানিস। এখন জ্যানিস বছরে ৪ লক্ষ ২০ হাজার ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় ৩ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা) আয় করেন।
জানা গিয়েছে, এই মুহূর্তে জ্যানিস ১০ রকম উপায়ে আয় করেন। ব্লগ, পডকাস্ট অ্যাড ছাড়াও অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, স্পিকিং এনগেজমেন্ট, ডিজিট্যাল কোর্স ব্র্যান্ড পার্টনারশিপ থেকেও রোজগার করেন সে। সিএনবিসিকে টোরেস জানিয়েছেন, এই সবরকম দিক থেকে তিনি মাসে ৪৫ হাজার মার্কিন ডলার আয় করেন। এই কাহিনী অনেক বেকার তরুণ-তরুণী থেকে শুরু করে অভিজ্ঞ পেশাদারদের নিঃসন্দেহে অনুপ্রেরণা জোগাবে। জ্যানিস জানিয়েছেন, নিজের ইচ্ছে অনুযায়ী কাজ করার ইচ্ছে থেকেই ৯টা-৫টার চাকরি জন্য আর চেষ্টা না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি। সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় জ্যানিস জানিয়েছেন, কখনও হাল ছেড়ে দেওয়া অবধি উচিত না।