অন্য নামে কলকাতার ভবানীপুরের স্কুলে পড়তেন রাজ কাপুর, একদিন এমন কাণ্ড বাঁধালেন যে নামই কাটা গেল স্কুলের খাতা থেকে!
পৃথ্বীরাজ কাপুর তখন নিউ থিয়েটার্সের সঙ্গে যুক্ত। রাজ কাপুর তখন কিশোর। পৃথ্বীরাজ কাপুর তখন স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে ভবানীপুরের বাড়িতেই থাকতেন।

কথায় আছে, কপালে যা আছে, তাই তো হবে। নিয়তির লেখা কেউ মুছতে পারে না! হয়তো জন্মলগ্ন থেকেই রাজ কাপুরের ভাগ্যে ছিল, ভারতীয় চলচ্চিত্রের দিকপাল হওয়া। আর হবে নাই বা কেন, যাঁর বাবা পৃথ্বীরাজ কাপুর, সেই রাজ কাপুর যে হিন্দি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে রাজত্ব করবেন, তা তো আন্দাজ করাই গিয়েছিল। কিন্তু জানেন কি? বলিউডের কাপুর সাম্রাজ্যের ভিত এই কলকাতা! আর কলকাতারই এক স্কুলে ছাত্র জীবন কাটিয়েছেন রাজ কাপুর!
ব্যাপারটা একটু বিশদে বলা যাক। পৃথ্বীরাজ কাপুর তখন নিউ থিয়েটার্সের সঙ্গে যুক্ত। রাজ কাপুর তখন কিশোর। পৃথ্বীরাজ কাপুর তখন স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে ভবানীপুরের বাড়িতেই থাকতেন। ছোটোবেলা থেকেই সিনেমার প্রতি তাঁর ভালোবাসা। আর তাই তো, সুযোগ পেলেই পৌঁছে যেতেন নিউ থিয়েটার্সে। ট্রামে চড়ে বাবাকে খাবার দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে, সিনেমার নানা কাজেও রাজ কাপুর যুক্ত থাকতেন।

ভবানীপুরের মিত্র ইনস্টিটিউট স্কুল
ভবানীপুরের মিত্র ইনস্টিটিউটে পড়তেন রাজ কাপুর। কিন্তু শোনা যায়, পড়াশুনোর থেকে তাঁর বেশি মন থাকত সিনেমাপাড়ায়। সেই কারণেই বহুবার বকাও খেয়েছেন মাস্টারমশাইদের কাছে। এক বিনোদন ম্যাগাজিনে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, একদিন স্কুলে না গিয়েই রাজ কাপুর ঢুঁ মারেন স্টুডিও পাড়ায়। হেডস্যারের সে খবর কানে যাওয়ায়, রীতিমতো রেগে যান তিনি। বাধ্য হয়েই স্কুল ছাড়তে বাধ্য হন রাজ। তারপর অবশ্য বেশিদিন কলকাতায় থাকা হয়নি কাপুর ফ্য়ামিলির। সপরিবারে মুম্বই পাড়ি দিয়েছিলেন পৃথ্বীরাজ কাপুর। এখানে উল্লেখ করা দরকার, এই সময় কিন্তু রাজ কাপুরের নাম মোটেই রাজ ছিল না। তাঁর নাম ছিল সৃষ্টিনাথ কাপুর। এই নামেই স্কুলে ভর্তি হয়েছিলেন তিনি। সূত্রের খবর অনুযায়ী, ভবানীপুর মিত্র ইনস্টিটিউশনের ৭৫ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানে রাজ স্কুলকে ২৫০০০ টাকা ডোনেশনও দিয়েছিলেন।





