Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

করোনা আক্রান্ত শিশুদের শরীরে বাসা বাঁধছে অন্য অসুখ! উদ্বেগ বাড়ছে শিশুবিশেষজ্ঞদের

করোনার বিরুদ্ধে লড়াই এখনও অব্যাহত। তারমধ্যেই বিভিন্ন রঙের মারণ ছত্রাকের আর্বিভাব ঘটেছে। ছত্রাক ও ভাইরাস সংক্রমণের সঙ্গে যুদ্ধে সফল হওয়ার লড়াইয়ে নেমেছে সারা দেশ।

করোনা আক্রান্ত শিশুদের শরীরে বাসা বাঁধছে অন্য অসুখ! উদ্বেগ বাড়ছে শিশুবিশেষজ্ঞদের
ছবিটি প্রতীকী
Follow Us:
| Updated on: Jun 02, 2021 | 3:20 PM

প্রতিদিনই কিছু না কিছু রোগ বা অসুকের নামে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে মানুষের মধ্যে। বিশেষজ্ঞদের কথায়, সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ের পড়ার পরই তৃতীয় ঢেউয়ের সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে দেশে। সেই দফায় শিশুদের স্বাস্থ্যের উপর মারণভাইরাস অনেকটাই প্রভাব বিস্তার করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন চিকিতসকের একাংশ। সেই নিয়ে উদ্বেগের শেষ নেই। এদিকে এই অতিমারি দশা কাটার পরই আরও একটি মারাত্মক অসুখ আসতে চলেছে, যা সদ্যোজাত থেকে খুব ছোট বাচ্চাদের উপর হামলা চালাতে পারে।

মাল্টি- সিস্টেম ইনফ্ল্যামেটর সিন্ড্রোম (MIS-C) । করোনায় আক্রান্ত হয়ে সুস্থ হয়েছে এমন শিশুরা এই রোগের প্রকোপে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। শিশুদের শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের উপর এই অসুখের প্রভাব পড়তে পারে। করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে আক্রান্ত বাচ্চাদের মাত্র ২ সপ্তাহ পরই এই সিনড্রোম দেখা যাচ্ছে। এখনও পর্যন্ত সারা দেশে ২ জনের শরীরের পাওয়া গিয়েছে। অন্তত ৫ শিশু এই অসুখে আক্রান্ত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

আরও পড়ুন: Corona 3rd wave: করোনার তৃতীয় ঢেউ থেকে বাচ্চাকে সুরক্ষা দিতে নজর রাখুন ডায়েটে!

একটি বেসরকারি হাসপাতালের শিশুবিশেষজ্ঞ জানিয়েছেন, করোনা থেকে সুস্থ হয়ে ওটার পর শিশুদের মধ্যে এই সিনড্রোমের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। তবে এই অসুখ যে মারণ, তা একেবারেই নয়, তবে এই রোগের কারণে শিশুর স্বাস্থ্যের উপর বিরাট প্রভাব ফেলতে পারে। তা দীর্ঘস্থায়ী বা আজীবন অসুখে পরিণত হতে পারে। বিশেষ করে হার্ট, লিভার ও কিডনির সমস্যায় ভুগতে হতে পারে খুদেদের।তিনি জানিয়েছেন, সংক্রমিত হওয়ার ৪-৬ সপ্তাহ পর এই সিনড্রোম দেখা যাচ্ছে। MIS-C -এর কারণে কোভিডের পাশাপাশি শরীরের অ্যান্টিজেন তৈরি হচ্ছে। করোনার ভয়াবহ সময়ে যেসব শিশুরা আক্রান্ত হচ্ছে, তা অধিকাংশই মাঝারি ও কম উপসর্গ যুক্ত ভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছে। ফলে তা নিয়ে চিন্তা না থাকলেও বেশি উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, সুস্থ হয়ে ওঠার পর অন্য রোগের উপসর্গ দেখা দেওয়াতে।