Bizarre Custom: পুজোর পর ভক্তদের মারা হয় লাথি! ৪০০ বছরের প্রথা পালনে উপচে পড়া ভিড়
স্বামী লিঙ্গেশ্বরের আরাধনায় মাততে বিভিন্ন বয়সের লোকেরা এসে ভিড় জমান। কেউ চাকরি পাওয়ার আশায় আসেন। কেউ আবার রোগে জর্জরিত অবস্থা থেকে মুক্তি পেতেও শরণাপন্ন হন লিঙ্গেশ্বরের। তবে পুজো দেওয়ার পর এক অদ্ভুত প্রথা পালিত হয় এই উৎসবে। কিন্তু ভক্তদের বিশ্বাস এই প্রথার মাধ্যমেই ঈশ্বরের আশীর্বাদ সঞ্চালিত হয় তাদের মধ্যে।

কু্র্নুল: অন্ধ্র প্রদেশের কুর্নুল জেলার পাতিককোন্ডা মণ্ডলের পেড্ডাহুলটি গ্রামে শুরু হয়েছে হুলটি লিঙ্গেশ্বর স্বামীর উৎসব। সেই উৎসব ঘিরে হাজার হাজার ভক্ত সমাগম হয়েছে ওই এলাকায়। প্রায় ৪০০ বছর ধরে অন্ধ্র প্রদেশের এই গ্রামে লিঙ্গেশ্বর স্বামীর উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই উৎসবে যোগ দিতে কেবল অন্ধ্র প্রদেশের বিভিন্ন প্রান্ত নয় তামিলনাড়ু, কর্নাটক, তেলঙ্গানা থেকেও ভিড় জমান ভক্তরা। ভক্তদের বিশ্বাস স্বামী লিঙ্গেশ্বরের দর্শন করে বোরলা নিলে পূর্ণ হয় মনের ইচ্ছা।
স্বামী লিঙ্গেশ্বরের আরাধনায় মাততে বিভিন্ন বয়সের লোকেরা এসে ভিড় জমান। কেউ চাকরি পাওয়ার আশায় আসেন। কেউ আবার রোগে জর্জরিত অবস্থা থেকে মুক্তি পেতেও শরণাপন্ন হন লিঙ্গেশ্বরের। তবে পুজো দেওয়ার পর এক অদ্ভুত প্রথা পালিত হয় এই উৎসবে। কিন্তু ভক্তদের বিশ্বাস এই প্রথার মাধ্যমেই ঈশ্বরের আশীর্বাদ সঞ্চালিত হয় তাদের মধ্যে।
হুলটি লিঙ্গেশ্বর স্বামীর কাছে পুজো দেওয়ার পর ভক্তরা শুয়ে পড়েন মন্দিরের সামনে। সেখানে লিঙ্গেশ্বর স্বামীর এক পুরোহিত এক এক করে লাথি মারেন সকলকে। এই প্রথারই স্থানীয় নাম বোরলা। বছরের পর বছর ধরেই এই প্রথা চলে আসছে ওই গ্রামে। দিওয়ালির পরই এই উৎসব শুরু হয় অন্ধ্র প্রদেশের গ্রামে। এই উৎসব শেষ হলে ফসল কাটা শুরু হয় বলেও জানিয়েছেন ওই মন্দিরের সঙ্গে জড়িত এক আধিকারিক।





