‘৪ নয় ৪০ লক্ষ ট্রাক্টর যাবে’, সংসদ ভবন ঘেরাওর হুঁশিয়ারি কৃষক নেতার

সংসদ ভবন ঘেরাও করার হুঁশিয়ারি দিলেন কৃষক নেতা রাকেশ টিকায়েত (Rakesh Tikait)।

  • TV9 Bangla
  • Published On - 11:54 AM, 24 Feb 2021
Rakesh Tikait calls for Tractor Rally
ফাইল চিত্র

সিকর: সিঙ্ঘু সীমান্তে কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে অনড় কৃষকরা (Farmers)। এ বার সংসদ ভবন ঘেরাও করার হুঁশিয়ারি দিলেন কৃষক নেতা রাকেশ টিকায়েত (Rakesh Tikait)। প্রজাতন্ত্র দিবসে কৃষকদের ট্রাক্টর র‍্যালির জেরে বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছিল দিল্লির একাধিক অঞ্চলের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি। আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ করতে সে দিন যথেষ্ট বেগ পেতে হয়েছিল পুলিশকে। ট্রাক্টর র‍্যালিতে অংশগ্রহণকারীরা ঢুকে পড়েছিলেন লালকেল্লায়। তারপর লালকেল্লার চূড়ায় বিক্ষোভকারীরা লাগিয়ে দিয়েছিলেন হলুদ পতাকা। এই ঘটনার পর  নিন্দায় সরব হয়েছিলেন ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ।

মঙ্গলবার রাজস্থানের সিকরে ইউনাইটেড কিষাণ মোর্চার ‘মহাপঞ্চায়েতে’ কৃষক নেতা রাকেশ টিকায়েত কৃষকদের যে কোনও সময় ‘দিল্লি মার্চের’ জন্য তৈরি থাকতে বলেছেন। এ দিন রাকেশ বলেন, “এ বার পার্লামেন্ট ঘেরাওর ডাক দেওয়া হবে। এ বার আর ৪ লক্ষ নয় ৪০ লক্ষ ট্রাক্টর নিয়ে দিল্লি মার্চ হবে।” পাশাপাশি এ দিনের সভা থেকে প্রজাতন্ত্র দিবসের র‍্যালিতে হিংসা ছড়ানোর জন্য ষড়যন্ত্র হয়েছিল, এই অভিযোগও করেন তিনি।

কৃষক নেতা রাকেশ টিকায়েত এ দিন বলেন, “কৃষকরা তেরঙাকে ভালবাসেন। কিন্তু নেতাদের নয়।” এ ছাড়াও সরাসরি কেন্দ্রের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন তিনি। তাঁর সাফ কথা, যদি তিনটি কৃষি আইন বাতিল না হয় এবং ন্যূনতম সহায়ক মূল্য না পাওয়া যায়, তাহলে দেশের কৃষকরা গুদাম ও বড় কোম্পানিগুলিকে ধ্বংস করে দেবে। রাজস্থানের এই ‘মহাপঞ্চায়েতে’ রাকেশ টিকায়েত ছাড়াও বক্তা হিসেবে ছিলেন স্বরাজ অভিযানের নেতা যোগেন্দ্র যাদব, চৌধরী যুধবির সিং-সহ অন্যান্যরা।

প্রসঙ্গত, কৃষকদের প্রজাতন্ত্র দিবসের পরে টুলকিট শেয়ার নিয়ে তোলপাড় হয়েছে দেশ। গত ৩ ফেব্রুয়ারি কৃষক আন্দোলন নিয়ে সুইডিশ পরিবেশকর্মী গ্রেটা থুনবার্গ একটি টুলকিট শেয়ার করেন। দিল্লি পুলিশের অভিযোগ, এই টুলকিট শেয়ারের মাধ্যমেই দেশের ভাবমূর্তিকে নষ্ট করার চেষ্টা করা হচ্ছে এবং খালিস্তানি আন্দোলনেও মদত দেওয়া হচ্ছে। এরপরই টুলকিট তৈরি ও শেয়ারের অভিযোগে বেঙ্গালুরু থেকে দিশা রবিকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয় নিকিতা জেকব ও শান্তনুর বিরুদ্ধেও। গ্রেফতারি নিয়ে বিতর্ক হলেও পুলিশ সাফ জানিয়েছিল, দিশার ফোন থেকে যে তথ্য মিলেছে তাতে প্রমাণ হচ্ছে যে টুলকিট বানানোয় তাঁর হাত ছিল। তবে আদালতে সে কথা প্রমাণ করতে পারেনি দিল্লি পুলিশ। আদালতের নির্দেশে এরপর জামিন পেয়ে যান দিশা রবি।

আরও পড়ুন: প্রশ্নের মুখে তথ্যের গোপনীয়তা, সোশ্যাল মিডিয়ায় পরিষেবাদাতাদের জন্য আসছে নয়া নির্দেশিকা