AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Nayab Singh Saini: আরও এক BJP রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রী বদল, খট্টরের জায়গা নিলেন নায়েব সিং সাইনি

Nayab Singh Saini: বিকেলে ফের একবার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন খট্টর, এমনটাই শোনা যাচ্ছিল। তবে, তাঁকে আর মুখ্যমন্ত্রী পদে রাখল না বিজেপি। তাঁর বদলে দলের নেতা নায়েব সিং সাইনিকে হরিয়ানার নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ গ্রহণ করলেন। তিনি অবশ্য মনোহরলাল খট্টরের ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত।

Nayab Singh Saini: আরও এক BJP রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রী বদল, খট্টরের জায়গা নিলেন নায়েব সিং সাইনি
মনোহরলাল খট্টরের উপস্থিতিতেই মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নায়েব সিং সাইনিরImage Credit: PTI
| Updated on: Mar 12, 2024 | 5:51 PM
Share

নয়া দিল্লি: মঙ্গলবার (১২ মার্চ), কয়েক ঘণ্টার মধ্যে বড় অদল বদল ঘটে গেল হরিয়ানায়। সকালেই মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন মনোহরলাল খট্টর। পদত্যাগপত্র জমা দেন তাঁর মন্ত্রিসভার মন্ত্রীরাও। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের আগে আসন ভাগাভাগি নিয়ে বিজেপি এবং জননায়ক জনতা পার্টি বা জেজেপির মধ্যে বনিবনা না হওয়ায় জোটে ফাটল ধরে। আর তারপরই ঘটে মন্ত্রিসভার গণ-পদত্যাগ। বিকেলে ফের একবার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন খট্টর, এমনটাই শোনা যাচ্ছিল। তবে, তাঁকে আর মুখ্যমন্ত্রী পদে রাখল না বিজেপি। তাঁর বদলে দলের নেতা নায়েব সিং সাইনিকে হরিয়ানার নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ গ্রহণ করলেন। তবে, তিনি মনোহরলাল খট্টরের ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত।

কে এই নায়েব সিং সাইনি? বিধানসভায় নেই তিনি, কুরুক্ষেত্রের সাংসদ। তাঁকেই এদিন বিজেপির পরিষদীয় দলনেতা হিসেবে সর্বসম্মতভাবে বেছে নেন রাজ্যের বিজেপি বিধায়করা। ওবিসি সম্প্রদায় নেতা হিসেবেই বেশি পরিচিত নায়েব সিং। গত বছরের অক্টোবর থেকে তিনি হরিয়ানা বিজেপির রাজ্য সভাপতি পদেও আছেন। আরএসএস-এর ঘর থেকেই উঠে এসেছেন নায়েব সিং সাইনি। কিন্তু বহু যুদ্ধের নায়ক মনোরলাল খট্টরের কী হবে? বিজেপি সূত্রে খবর, মধ্য প্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহানকে যেমন লোকসভা নির্বাচনের টিকিট দেওয়া হয়েছে, একইভাবে হরিয়ানার সদ্য প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকেও প্রার্থী করা হবে লোকসভায়। আসন্ন নির্বাচনে কার্নাল আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন তিনি।

১৯৯৬ সালেই রাজনীতিতে পা রেখেছিলেন এই বিজেপি নেতা। ২০০২ সালে বিজেপির যুব মোর্চার আম্বালা জেলার সাধারণ সম্পাদক হয়েছিলেন তিনি। ২০০৫ সালে ওই জেলারই জেলা সভাপতি হয়েছিলেন তিনি। এরপর, ২০০৯ সালে হরিয়ানায় বিজেপি কিষাণ মোর্চার রাজ্য সাধারণ সম্পাদক এবং ২০১২ সালে বিজেপির আম্বালা জেলার সভাপতি হন। নির্বাচনী রাজনীতিতে এসেছিলেন ২০১৪ সালে। নারায়ণগড় কেন্দ্র থেকে বিধায়ক হিসাবে নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। ২০১৬-য় রাজ্যের মন্ত্রীও হন। তারপর, ২০১৯ সালে পা রেখেছিলেন লোকসভায়।

৯০ সদস্যের হরিয়ানা বিধানসভায় বিজেপির ৪১ জন বিধায়ক আছে। জেজেপি-র বিধায়ক সংখ্যা ১০। শাসক জোটে ছয়জন নির্দল প্রার্থীর সমর্থনও ছিল। প্রধান বিরোধী দল, কংগ্রেসের বিধায়ক সংখ্যা ৩০। এছাড়া, ভারতের জাতীয় লোকদল এবং হরিয়ানা লোকহিত পার্টির রয়েছে একজন করে বিধায়ক। এদিনের পর, বিজেপির সরকার দুর্বল হল ঠিকই, তবে সরকার উল্টে যাওয়ার কোনও সম্ভাবনা এখনও নেই। মূলত লোকসভার আসন ভাগাভাগি নিয়ে ঐক্যমত না হওয়াতেই ভাঙল জোট। প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যের ১০টি লোকসভা আসনের সবকটিতেই জিতেছিল বিজেপি।

Follow Us