১৫০ টাকায় কেন্দ্রকে ভ্যাকসিন দিয়ে টেকা দায় হয়ে যাচ্ছে, দাবি ভারত বায়োটেকের

ভারত বায়োটেকের দাবি, সংস্থা ৫০০ কোটি টাকা ঝুঁকি নিয়ে বিনিয়োগ করেছে ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল থেকে শুরু করে উৎপাদনের জন্য।

১৫০ টাকায় কেন্দ্রকে ভ্যাকসিন দিয়ে টেকা দায় হয়ে যাচ্ছে, দাবি ভারত বায়োটেকের
ফাইল চিত্র

নয়া দিল্লি: কেন্দ্রকে ১৫০ টাকা প্রতি ডোজ়ের হিসেবে কোভ্য়াক্সিন (Covaxin) পাঠাচ্ছে ভারত বায়োটেক। তবে সংস্থার এই দাবি এই দামে টিকা দিয়ে লম্বা দৌড়ের জন্য টেকা দায় হয়ে যাচ্ছে তাদের। সেরাম যদি ১৫০ টাকায় ভ্যাকসিন কেন্দ্রের হাতে তুলে দিতে পারে, তাহলে কেন ভারত বায়োটেক পারবে না? এই ক্ষেত্রে অবশ্য কোভ্যাক্সিন নির্মাতাদের দাবি, টিকার ডিস্ট্রিবিউশনে খরচ বেশি হচ্ছে।

ভারত বায়োটেকের দাবি, সংস্থা ৫০০ কোটি টাকা ঝুঁকি নিয়ে বিনিয়োগ করেছে ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল থেকে শুরু করে উৎপাদনের জন্য। তাদের দাবি, মোট টিকার মাত্র ১০ শতাংশ গিয়েছে বেসরকারি হাসপাতালে। ৯০ শতাংশ গিয়েছে রাজ্য বা কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে। তাই টিকার দাম তুলে টিকে থাকা প্রশ্নের মুখে পড়ছে বলে দাবি ভারত বায়োটেকের।

উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগে বেসরকারি হাসপাতালের জন্য টিকার দাম বেঁধে দেয় কেন্দ্র। সেখানে কোভিশিল্ড বা স্পুটনিক ভি-র থেকে অনেক বেশি দাম ছিল কোভ্যাক্সিনের। বেসরকারি হাসপাতালে কোভিশিল্ডের (Covishield) একটি ডোজ়ের দাম ৭৮০ টাকার বেশি নয়। রাশিয়ার স্পুটনিক-ভি এর দাম ১১৪৫ টাকার বেশি নয়। কিন্তু দেশের প্রযুক্তিতে তৈরি কোভ্যাক্সিনের দাম ১৪১০ টাকা। যা কোভিশিল্ডের প্রায় দ্বিগুণ। দেশের প্রযুক্তিতে তৈরি ভ্য়াকসিনের কেন এত বেশি দাম, স্বাভাভিকভাবেই এই প্রশ্ন উঠেছিল।

কোভ্যাক্সিনের একটি ডোজ়ের দাম প্রায় বিদেশি ভ্য়াকসিন ফাইজ়ারের সমান। এ বিষয়ে সেন্ট্রাল ফর মলিকুলার বায়োলজির বিশেষজ্ঞ রাকেশ মিশ্র জানান, কোভ্যাক্সিনের দাম বেশি কারণ, প্রযুক্তিগত ভাবে এটি কোভিশিল্ড বা স্পুটনিক ভি-এর থেকে আলাদা। কোভ্যাক্সিনে একটি ইন্যাক্টিভ ভাইরাস সম্পূর্ণ থাকে। যার জন্য সেরাম আমদানি করতে হয়। বিএসএল ল্যাবে অত্যন্ত সতর্কভাবে ভাইরাসকে পরিণত করে তুলতে হয়। তাই খরচ বেশি।

আরও পড়ুন: বুধেই তালা খুলছে তাজমহলের, যেতে পারবেন দর্শনার্থীরাও , কিন্তু…

Click on your DTH Provider to Add TV9 Bangla