লকডাউন ভীতি ও পেট্রোপণ্যের সেঞ্চুরিতে নিম্নমুখী সেনসেক্স-নিফটি, রেকর্ড পতন শেয়ার বাজারে

দেশে আচমকাই করোনা (COVID-19) সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় ও মহারাষ্ট্রের একাধিক জেলায় লকডাউন (Lockdown) ঘোষণা হওয়ায় প্রভাব পড়েছে শেয়ার বাজারে (Share Market)।

  • TV9 Bangla
  • Published On - 17:30 PM, 22 Feb 2021
লকডাউন ভীতি ও পেট্রোপণ্যের সেঞ্চুরিতে নিম্নমুখী সেনসেক্স-নিফটি, রেকর্ড পতন শেয়ার বাজারে
ফাইল চিত্র।

মুম্বই: মাসের শুরুতে যে গতিতে দৌঁড়েছিল শেয়ার বাজারের সূচক, সেই গতিতেই সোমবার মুখ থুবড়ে পড়ল সেনসেক্স(Sensex)  ও নিফটি (Nifty) সূচক। করোনা সংক্রমণ মাথাচাড়া দিয়ে ওঠায় ও পেট্রোপণ্যের আকাশছোঁয়া দামই সপ্তাহের শুরুতেই সেনসেক্সের সূচককে একধাক্কায় ১১৪৫ পয়েন্ট কমিয়ে দেয়। বর্তমানে সেনসেক্সের সূচক নেমে দাঁড়িয়েছে ৪৯ হাজার ৭৪৪-এ। পতন হয়েছে নিফটির সূচকেও, ৩০৬ অঙ্ক কমে তা ১৪,৬৭৫-এ পৌঁছেছে।

বাজেটের উপর ভর করেই এতদিন স্বপ্নের দৌড়ে সামিল হয়েছিল দালাল স্ট্রিট। কিন্তু দেশে করোনা (COVID-19) সংক্রমণ বৃদ্ধি পেতেই কিছুটা স্লথ হয়েছিল সেই গতি। পেট্রোল-ডিজেলের দাম সেঞ্চুরি হাঁকাতেই নিম্নমুখী হয় শেয়ার সূচক। বিগত কয়েক সপ্তাহ ধরেই বাজারে কিছুটা মন্দা দেখা দিলেও আজ বাজার খোলার পর থেকেই সেনসেক্স-নিফটি সূচক নামতে থাকে। দুই সপ্তাহ আগেই যে সেনসেক্সের সূচক ৫০ হাজারের গণ্ডি পার করেছিল, সোমবার তা ১১৪৫ পয়েন্ট কমে ৪৯,৭৪৪-এ দাঁড়ায়। পাল্লা দিয়ে কমতে থাকে নিফটিও, ৩০৬ পয়েন্ট কমে তা ১৪,৬৭৬ অঙ্কে দাঁড়িয়েছে।

আরও পড়ুন: মুম্বইয়ের হোটেল থেকে উদ্ধার সাংসদের দেহ

দালাল স্ট্রিটের এই পতনের জন্য লকডাউনের আশঙ্কাকেই দোষী মানছেন শেয়ার বাজার বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের মতে, দেশে আচমকাই করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় ও মহারাষ্ট্রের একাধিক জেলায় লকডাউন ঘোষণা হওয়ায় প্রভাব পড়েছে শেয়ার বাজারে। গতবছরের করোনাকালের স্মৃতি এখনও ভোলেনি শেয়ার গ্রহীতারা, তাই ফের লকডাউনের আশঙ্কায় তাঁরা নতুন করে “রিস্ক” নিতে চাইছেন না। একইসঙ্গে পেট্রল-ডিজেলের দাম (Petrol-Diesel Price) ১০০-র গণ্ডি পার করায় পকেটে টান পড়েছে মধ্যবিত্তের। তারই সরাসরি প্রভাব পড়েছে শেয়ার বাজারে। বিগত তিন সপ্তাহে এই প্রথম শেয়ার সূচক সর্বনিম্নে পৌঁছল।

শেয়ারের পতনে ওএনজিসি(ONGC), কোটাক মাহিন্দ্রা ব্যাঙ্ক (Kotak Mahindra Bank) ও এইচডিএফসি ব্যাঙ্ক (HDFC Bank) মাত্র এক শতাংশ লাভের মুখ দেখলেও টেক এম(Tech M), এম অ্যান্ড এম (M & M), ডঃ রেড্ডিস ল্যাব (Dr Reddy’s lab), আরআইএল(IRL), ইন্ডাসিন্ড ব্যাঙ্ক (IndusInd Bank), অ্যাক্সিস ব্যাঙ্ক (Axis Bank) ও মারুতি সুজুকি (Maruti Suzuki) সর্বাধিক ক্ষতির মুখে পড়ে।

আরও পড়ুন: ‘সৎ মা সূলভ আচরণ’ ঝেড়ে ফেলে অসমে উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি প্রধানমন্ত্রীর