নাম না করে তৃণমূলকে ‘অনুপ্রবেশকারী’র তকমা মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের, পাল্টা তোপ ঘাসফুল শিবির থেকেও

Tripura: পাল্টা তৃণমূল নেতার কটাক্ষ, 'এই মুহূর্তে দেশের সব থেকে আনপপুলার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব।'

নাম না করে তৃণমূলকে 'অনুপ্রবেশকারী'র তকমা মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের, পাল্টা তোপ ঘাসফুল শিবির থেকেও
ত্রিপুরায় বাংলার আইনমন্ত্রী মলয় ঘটক।

আগরতলা: ত্রিপুরায় এখন দুই ফুলের লড়াই। একদিকে ঘাসফুল যখন সেখানে নিজেদের জমি তৈরি করতে মরিয়া। পাল্টা নাছোড় পদ্মশিবিরও। এক চুলও জায়গা ছাড়বে না বিরোধীদের। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন যত দিন এগোবে ততই বাড়বে ত্রিপুরায় এই টক্কর। ইতিমধ্যেই নাম না করে তৃণমূলকে অনুপ্রবেশকারী বলে তকমা দিয়েছেন সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব। পাল্টা তৃণমূল নেতার কটাক্ষ, ‘এই মুহূর্তে দেশের সব থেকে আনপপুলার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব।’

নাম না করে তৃণমূলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে এক অনুষ্ঠানে বিপ্লব দেব বলেন, “ত্রিপুরার সমৃদ্ধিকে বিভ্রান্ত করার জন্য অনুপ্রবেশকারীরা ঢুকতে চাইছে। নিজেরা তো করতে পারছে না কিছু। অন্যের জায়গায় অশান্তি করছে। রণকৌশল সাজাচ্ছে। আমরা রাজনীতি অন্য কারও কাছ থেকে শিখি না। আমাদের কাছে দুনিয়ার সর্বশ্রেষ্ঠ রাজনীতিজ্ঞ চাণক্য ছিলেন।”

এদিকে পাল্টা তৃণমূল নেতা তাপস রায় বলেন, ” মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব অনুপ্রবেশকারীর সংজ্ঞাটা জানেন না। তার জন্য আমার মনে হয় ত্রিপুরাবাসী অনুশোচনা করছেন। আগামী নির্বাচনে বিপ্লব দেবকে সামনে রেখে মনে হয় না বিজেপি নির্বাচন লড়বে। ভীষণ আনপপুলার সিএম। ভারতবর্ষে যতজন জনখ্যাতি হীন মুখ্যমন্ত্রী রয়েছেন, অন্যতম বিপ্লব দেব।”

এদিকে মঙ্গলবারই ত্রিপুরায় যান বাংলার আইনমন্ত্রী মলয় ঘটক। তাঁর বক্তব্য, ত্রিপুরায় এবার থেকে তাঁদের যাতায়াত লেগেই থাকবে। কেউ না কেউ নিয়মিতই আসবেন। যদিও এই বক্তব্যের পাল্টা বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, “এত বছর অত্যাচার করেছে মানুষকে। আজ একটা প্ল্যাকার্ড দেখেই ভয়ে চলে এসেছে। এতেই দম শেষ? লড়াই করো গিয়ে। আমরা ঘাম রক্ত দিয়ে ১৮৫ জনকে হারিয়ে বাংলার মন জিতেছি। মানুষ ভরসা করেছেন। বাংলার অবস্থা খুবই খারাপ। এখানে আইন কানুন বলে কিছুই নেই। এখানকার তৃণমূল নেতারা একটু জিরিয়ে নিতে ত্রিপুরা যাচ্ছেন। এর বাইরে আর কিছুই নয়।”

এদিকে সোমবার রাতেই ত্রিপুরার আমবাসা থেকে পাঁচ তৃণমূল কর্মীকে গ্রেফতার করা হয় বলে অভিযোগ। আমবাসার ঘটনায় তাঁদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র, খুনের চেষ্টা, সরকারি সম্পত্তি নষ্ট, অস্ত্র দিয়ে আঘাত-সহ একাধিক অপরাধের ধারা যুক্ত হয়েছে। মঙ্গলবার তাঁদের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত। এদিনের গ্রেফতারি প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, “ত্রিপুরায় জঙ্গলরাজ চলছে। গণতন্ত্র সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। আইপ্যাকের টিমকে হেনস্তা, অভিষেকের উপর হামলা করলেও একজনও গ্রেফতার হয়নি। অথচ পুলিশ দিয়ে ফাঁদে ফেলে আমাদের ১৪ জনের টিমের আক্রমণ করল। অভিষেক ছুটে গেলেন। জামিন হল। মাঝরাত থেকে আবার সেখানকার দলীয় কর্মীদের গ্রেফতার শুরু হয়। বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিজেপির কর্মীরা পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে গিয়ে তৃণমূলের কর্মীদের বাড়ি চিহ্নিত করে দিয়েছে। পাঁচজনকে ধরে নিয়ে গিয়েছে।” আরও পড়ুন: ৩৭০ অনুচ্ছেদ বিলোপের পর জম্মু কাশ্মীরে কতজন জমি কিনেছে, জবাব দিল কেন্দ্র

 

Click on your DTH Provider to Add TV9 Bangla