Cumilla Protest: দশ হাতে কালো পতাকা নিয়ে বিসর্জনের পথে দুর্গা, কুমিল্লার ঘটনায় অভিনব প্রতিবাদ কলকাতায়

Kakurgachi Durga Puja: দুর্গা প্রতিমার দশ হাতে কালো পতাকা দিয়ে বিসর্জনের জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। দেবীর হাতে একটি প্ল্যাকার্ডও ঝোলানো হয়েছে। তাতে বাংলাদেশের ঘটনার তীব্র নিন্দা করা হয়েছে।

Cumilla Protest: দশ হাতে কালো পতাকা নিয়ে বিসর্জনের পথে দুর্গা, কুমিল্লার ঘটনায় অভিনব প্রতিবাদ কলকাতায়
কাঁকুড়গাছির দুর্গা প্রতিমা বিসর্জন (নিজস্ব চিত্র)

কলকাতা: বাংলাদেশের কুমিল্লায় যে তাণ্ডব হয়েছে, তার আঁচ এসে পড়েছে ইছামতীর এপারেও। প্রতিবাদে সরব হচ্ছেন বিভিন্ন মহলের বিশিষ্টজনরা। গতকাল নওসাদ সিদ্দিকী নিজে চিঠি লিখেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন। আর এরই মধ্যে অভিনব প্রতিবাদের সাক্ষী থাকল কলকাতা। দুর্গা প্রতিমার দশ হাতে কালো পতাকা দিয়ে বিসর্জনের জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। দেবীর হাতে একটি প্ল্যাকার্ডও ঝোলানো হয়েছে। তাতে বাংলাদেশের ঘটনার তীব্র নিন্দা করা হয়েছে।

কাঁকুরগাছির ভোট পরবর্তী হিংসায় খুন হওয়া অভিজিৎ সরকারের স্মৃতিতে এই বছর থেকেই সেখানে ‘স্মৃতির পুজোর’ আয়োজন করা হয়েছিল। এ বছর সেখানে পুজোর থিম ছিল ভোট পরবর্তী হিংসা। রাজ্যজুড়ে বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকে যে একের পর এক হামলার অভিযোগ উঠেছিল, তাই কাঁকুরগাছির এই পুজোয় তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে। আর এবার দুর্গা প্রতিমার বিসর্জনের সময়েও অভিনব প্রতিবাদ। কুমিল্লার ঘটনার প্রতিবাদে অভিনব প্রতিবাদে সামিল কাঁকুড়গাছির স্মৃতির পুজো।

দেবী দুর্গার ১০ হাত থেকে অস্ত্র খুলে সেখানে দেওয়া হয়েছে কালো পতাকা। সঙ্গে রয়েছে বাংলাদেশের ঘটনার প্রতিবাদে একটি প্ল্যাকার্ডও ঝুলছে দেবীর এক হাত থেকে। এভাবেই অভিনব প্রতিবাদ জানিয়ে দেবী প্রতিমা নিয়ে শহর পরিক্রমা করবে কাঁকুড়গাছি স্মৃতির পুজো। তারপর গঙ্গায় প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হবে।

পুজোর উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, বাংলাদেশে যে ঘটনা ঘটেছে, তার প্রতিবাদ জানাতেই দেবীর হাতে কালো পতাকা তুলে দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়েও বার্তা দেওয়া হয়েছে দেবীর হাতে রাখা প্ল্যাকার্ডে।

বাংলাদেশের ঘটনার পর থেকে সারা রাজ্যে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন অনেকে। তবে বাংলাদেশ প্রশাসনও চুপ করে বসে নেই। কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন মুজিব-কন্যা শেখ হাসিনা। বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রীর স্পষ্ট বার্তা,  এই ধরনের ঘটনা যারা ঘটাবে, তাদের খুঁজে বের করা হবেই। সে যেই হোক না কেন, যে ধর্মেরই হোক না কেন, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা অবশ্যই যথাযথভাবে নেওয়া হবে।

বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেছেন, ‘অনেক কিছুই দেখেছি, অনেক কিছু অনুমানও করছি। এখন শুধু আমরা প্রমাণের অপেক্ষায় আছি। আমরা প্রমাণ পেলেই আপনাদের সামনে তা তুলে ধরব।’ অর্থাৎ, এটা স্পষ্ট, ঘটনার একেবারে গভীরে গিয়ে তদন্ত চাইছে বাংলাদেশ সরকার। আর এই তাণ্ডবের সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের যে কোনওভাবেই রেয়াত করা হবে না, সেই বার্তাও দিয়ে রেখেছে বাংলাদেশ সরকার।

আরও পড়ুন : Naushad Siddique: হাসিনাকে চিঠি, কলকাতায় মানববন্ধন; বাংলাদেশ নিয়ে দিনভর তৎপরতায় নওশাদ সিদ্দিকি

আরও পড়ুন : Bangladesh: ‘আমাদের দেশের মানুষ ধর্মভীরু কিন্তু ধর্মান্ধ নয়’, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির কথা বললেন বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

Click on your DTH Provider to Add TV9 Bangla