Virat Kohli: ‘বিরাট কখনও রোহিত-সূর্য হতে পারবে না’, লতিফের নিশানায় কোহলি
এ বার প্রাক্তন পাক অধিনায়ক রশিদ লতিফের (Rashid Latif) নিশানায় বিরাট। কোহলি বিশ্বমানের ক্রিকেটার। এ কথা একাধিকবার দেশ-বিদেশের কিংবদন্তি ক্রিকেটাররা বলে এসেছেন। তাঁদের সঙ্গে মিলছে না রশিদের মত।

দুবাই: দেখতে দেখতে ফের একটা ভারত-পাক (India vs Pakistan) মহারণের সাক্ষী হতে চলেছে ক্রিকেট বিশ্ব। সপ্তাহ ঘুরতেই বাবর আজমের দলের বিরুদ্ধে নামতে চলেছেন রোহিত-বিরাটরা। চলতি এশিয়া কাপে (Asia Cup 2022) হংকংয়ের বিরুদ্ধে বিরাট কোহলির (Virat Kohli) ব্যাটে রান এসেছে। তা বলে তাঁকে নিয়ে সমালোচনা থেমে যায়নি। এক দিকে কোহলিপ্রেমীরা ২২ গজে পুরনো কোহলির এক ফালি ঝলক দেখতে পেয়ে খুশি হচ্ছে। অন্য দিকে কোহলির ফর্ম নিয়ে কাঁটাছেঁড়া চলছে। এ বার প্রাক্তন পাক অধিনায়ক রশিদ লতিফের (Rashid Latif) নিশানায় বিরাট। কোহলি বিশ্বমানের ক্রিকেটার। এ কথা একাধিকবার দেশ-বিদেশের কিংবদন্তি ক্রিকেটাররা বলে এসেছেন। তাঁদের সঙ্গে মিলছে না রশিদের মত। প্রাক্তন পাক অধিনায়কের মতে, ভারত অধিনায়ক রোহিত শর্মা, মিডল অর্ডারের বিধ্বংসী ব্যাটার সূর্যকুমার যাদবের মতো টি-টোয়েন্টি ম্যাচ উইনার নন বিরাট।
ইউটিউব শো ‘গেম অন হ্যায়’-তে লতিফ বলেন, “বিরাট কখনও সূর্যকুমার হতে পারবে না। ও রোহিত শর্মাও হতে পারবে না। আরসিবিও ওর খেলার ধরণের কারণেই কখনও চ্যাম্পিয়ন হতে পারেনি।” এই বলেই থেমে থাকেননি লতিফ। তিনি মহেন্দ্র সিং ধোনির সঙ্গে বিরাট কোহলির তুলনা টেনে এনে বলেন, “এমএস ধোনিকেই উদাহরণ হিসেবে নিলে, দেখা যায় তিন চারটে ডট বল হলেই পরপর তিন চারটে ছয় মারার ক্ষমতা রাখে ধোনি। বিরাট কোহলি সেটা করতে পারে না। ফলে বিষয়টা এটা নয়, যে কোহলি সে দিন ধীরে খেলল বা তাড়াতাড়ি খেলল। ও এমনই খেলে। ও যেমন ৩০-৩৫ বল খেলার পর হাত খোলার চেষ্টা করে। আইপিএলে বা ভারতের হয়ে খেলার সময় যেমনটা আমি দেখেছি ওকে তার থেকেই এটা বলছি। অন্য দিকে রোহিত শর্মা আবার পাওয়ার প্লেটাকে কাজে লাগানোর চেষ্টা করে।”
লতিফের চোখে টি-২০ নয়, ওয়ান ডে ক্রিকেটে সেরা ক্রিকেটার কোহলি। এই ব্যাপারে লতিফ বলেন, “কোহলি কখনও টি-২০ ক্রিকেটে খুব ভালো প্লেয়ার ছিল না। ওর গড় ও স্ট্রাইকরেট ভালো ছিল। আমরা স্টিভ স্মিথ, কেন উইলিয়ামসন, জো রুট, বাবর আজমের সঙ্গে ওর তুলনা করতে পারি। ওরা কেউই টি-২০ ক্রিকেটে ম্যাচ উইনার নয়। একদিনের ক্রিকেটে বিরাট কোহলির কাছাকাছি কেউ নেই। ওডিআই ক্রিকেটে তিনটে অধ্যায় রয়েছে। ১-১০ ওভার প্রথম, তারপর ১১-৪০ এবং সবশেষে ৪১-৫০ শেষের কটা ওভার। ওটা একটা আলাদা খেলা। ওডিআই ক্রিকেটের জন্য বিশেষ দক্ষতা থাকতে হবে। যেমনটা রয়েছে কোহলির।”





