চুক্তিপত্রে সই না করা মানে মুখ্যমন্ত্রীকে অমান্য করা, বিস্ফোরক বাঙ্গুর

'মূল চুক্তিপত্রে সই না করা মানে মুখ্যমন্ত্রীকে অবমাননা করা।' দুবাই থেকে টেলিফোনে টিভি নাইন বাংলাকে বিস্ফোরক সাক্ষাৎকার দিলেন শ্রী সিমেন্টের (Shree Cement) ম্যানেজিং ডিরেক্টর হরিমোহন বাঙ্গুর (Hari Mohan Bangur)।

চুক্তিপত্রে সই না করা মানে মুখ্যমন্ত্রীকে অমান্য করা, বিস্ফোরক বাঙ্গুর
চুক্তিপত্রে সই না করা মানে মুখ্যমন্ত্রীকে অমান্য করা, বিস্ফোরক বাঙ্গুর

কৌস্তভ গঙ্গোপাধ্যায়

‘ইস্টবেঙ্গল (East Bengal) ক্লাবের সঙ্গে আমাদের যে চুক্তি হয়েছিল, তাতে মান্যতা দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী (CM) মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। টার্মশিটে সইয়ের আগে ক্লাব অনেক বিষয় নিয়েই প্রশ্ন তুলেছিল। সেগুলোর মীমাংসা হয়ে যাওয়ার পরই টার্মশিটে ক্লাব সই করে। নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছিলেন আমাদের সঙ্গে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের গাঁটছড়া বাধার কথা। মূল চুক্তিপত্রে সই না করা মানে মুখ্যমন্ত্রীকে অবমাননা করা।’ দুবাই থেকে টেলিফোনে টিভি নাইন বাংলাকে বিস্ফোরক সাক্ষাৎকার দিলেন শ্রী সিমেন্টের (Shree Cement) ম্যানেজিং ডিরেক্টর হরিমোহন বাঙ্গুর (Hari Mohan Bangur)।

গতকাল ক্লাবের চিঠি পাওয়ার পর এ দিন ফের ক্লাবকে চিঠি পাঠাল লগ্নিকারী সংস্থা। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই চুক্তিকে মান্যতা দিয়েছিলেন। টার্মশিটের ভিত্তিতেই মূল চুক্তিপত্র হয়েছে।’ ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের আচরণে রীতিমতো ক্ষুব্ধ লগ্নিকারী সংস্থা। বারবার ক্লাবের থেকে জানতে চাওয়া হয়েছে টার্মশিট আর মূল চুক্তিপত্রের মধ্যে কোথায় ফারাক তা জানাতে। ক্লাবের উত্তর কখনই সন্তুষ্ট করতে পারেনি বিনিয়োগকারী সংস্থাকে। শ্রী সিমেন্টের ম্যানেজিং ডিরেক্টর হরিমোহন বাঙ্গুর বলেন, ‘ওরা খালি আলোচনার কথা বলছে। টার্মশিটের পুরো বিষয়গুলোকে তো বিস্তারিত উল্লেখ করে আমরা চিঠি পাঠিয়েছি। কোনওরকম এজেন্ডা ছাড়া তো কখনও আলোচনা করা যায় না। কিসের ভিত্তিতে আলোচনা করব? সামনাসামনি দেখা করব, আড্ডা দেব, চা খাব ব্যস? টার্মশিটে সইয়ের আগে দফায় দফায় আলোচনা হয়েছিল। এরপর আর কোনও আলোচনায় যেতে আমি আগ্রহী নই। আমাদের বক্তব্য পরিষ্কার, টার্মশিট আর মূল চুক্তিপত্রের মধ্যে কোথায় অসামঞ্জস্য রয়েছে তা আমাদের পরিষ্কার করে জানাতে।’

মূল চুক্তিপত্রে সই না করলে আর এক টাকাও লগ্নি করবে না ইনভেস্টর। কারণ এফএসডিএলের কাগজে সই করতে হলে, আইনী কাগজ প্রয়োজন। ক্লাব মূল চুক্তিপত্রে সই করলে তবেই আইনী ভাবে লগ্নি করতে বিনিয়োগকারী সংস্থা। চিঠিতে সেই কথাও উল্লেখ করা আছে। ক্লাব-ইনভেস্টর জট ক্রমশ বাড়ছে। আইএসএলের অন্যান্য ফ্র্যাঞ্চাইজি দলগুলো যখন ঘর গোছাতে ব্যস্ত, তখন লাল-হলুদে শুধুই ডামাডোল। দুই পক্ষের চিঠি আদান প্রদান পর্ব মিটিয়ে কবে নতুন ভোরের আলো ফুটবে, সেই অপেক্ষায় লাল-হলুদ জনতা।

আরও পড়ুন: ভোর রাতে তারক সিনহার বাড়িতে পন্থ, কারণ জানালেন কোচ