হাসপাতাল চত্বরে যত্র-তত্র পড়ে রয়েছে পিপিইকিট! আতঙ্কিত রোগীরা, নীরব কর্তৃপক্ষ

বিবার সকালে, হাসপাতালে ভ্যাকসিন নিতে আসেন অনেকে। এছাড়াও হাসপাতালে খোলা রয়েছে কোভিড ওয়ার্ড। রয়েছেন অন্যান্য রোগীরা। এর মধ্যেই দেখা গেল হাসপাতালের যেখানে-সেখানে পড়ে রয়েছে পিপিইকিট। কে বা কারা সেই পিপিইকিট ফেলে রেখে গিয়েছে তা জানা যায়নি।

হাসপাতাল চত্বরে যত্র-তত্র পড়ে রয়েছে পিপিইকিট! আতঙ্কিত রোগীরা, নীরব কর্তৃপক্ষ
নিজস্ব চিত্র

পশ্চিম মেদিনীপুর: বেলাগাম করোনায় (Corona) বিধ্বস্থ বাংলা। তবুও সচেতন নয় মানুষ। যথোপযুক্ত কোভিডবিধিও মানা হচ্ছে না সর্বত্র। এ বার, কোভিড বিধি শিকেয় তুলে রীতিমতো আতঙ্ক সৃষ্টি করল ঘাটাল মহকুমা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল। হাসপাতাল চত্বরের যত্র-তত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে রয়েছে ব্যবহার হওয়া পিপিইকিট (PPE Kit)! তা দেখে চোখ কপালে উঠেছে হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে আসা রোগীদের। হাসপাতালের তরফে এমন চূড়ান্ত অসাবধানতা কেন, তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন।

জানা গিয়েছে, রবিবার সকালে, হাসপাতালে ভ্যাকসিন নিতে আসেন অনেকে। এছাড়াও হাসপাতালে খোলা রয়েছে কোভিড ওয়ার্ড। রয়েছেন অন্যান্য রোগীরা। এর মধ্যেই দেখা গেল হাসপাতালের যেখানে-সেখানে পড়ে রয়েছে পিপিইকিট। কে বা কারা সেই পিপিইকিট ফেলে রেখে গিয়েছে তা জানা যায়নি। ঘটনায় রীতিমতো আতঙ্কিত সকলে। হাসপাতালে ভ্যাকসিন নিতে আসা এক ব্যক্তি জানিয়েছেন, এইভাবে, হাসপাতালেই (Hospital) যদি এত অসাবধানতা দেখা যায়, তাহলে সাধারণ মানুষ কোথায় যাবে! এইভাবে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা পিপিইকিট থেকেও সংক্রমণ ছড়াতে পারে। অনেক দূর-দূরান্ত থেকে লোকে এখানে চিকিৎসা করাতে, টিকা (Vaccine) নিতে আসছেন অনেকে। সকলেই শঙ্কিত। যদিও, এই ঘটনায় হাসপাতাল সুপারের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।

ঘাটাল মহকুমার স্বাস্থ্যকর্মাধক্ষ্য পঞ্চানন মণ্ডল বলেন, “এমন কিছু এখনও শুনিনি। তবে, হাসপাতালে যদি সত্যিই পিপিইকিট এভাবে পড়ে থাকে তবে তা অপরাধ। অবিলম্বে সুপারের সঙ্গে যোগাযোগ করে ওই পিপিইকিটগুলি পুড়িয়ে ফেলার ব্যবস্থা করছি।” উল্লেখ্য, উল্লেখ্য, শনিবার প্রকাশিত রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে নতুন করে মারণ ভাইরাসের সংক্রমণে পড়েছেন ১৯ হাজার ৪৩৬ জন। এই সময়পর্বে রাজ্যে একদিনে করোনায় ১২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনাযুদ্ধ জয় করেছেন ১৮ হাজার ২৪৩ জন। এই মুহূর্তে রাজ্যে করোনাকে জয় করা রাজ্যবাসীর শতকরা হার ৮৫.৮৯ শতাংশ।

আরও পড়ুন: বন্ধ স্কুল, ক্রমবর্ধমান সংক্রমণ রোধে পথে-প্রচারে শিক্ষকরা, বিনামূল্যে বিতরণ করলেন মাস্ক, স্যানিটাইজার