করোনা মোকাবিলায় ‘একের পাশে অন্য’, উলুবেড়িয়া ইএসআই হাসপাতাল কর্মীদের আইসিইউ প্রশিক্ষক সঞ্জীবন হাসপাতাল

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের এই অভিনব উদ্যোগ কোভিড রোগীদের আরও দ্রুত সুস্থতার দিকে নিয়ে যাবে বলেই আশা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের।

করোনা মোকাবিলায় 'একের পাশে অন্য', উলুবেড়িয়া ইএসআই হাসপাতাল কর্মীদের আইসিইউ প্রশিক্ষক সঞ্জীবন হাসপাতাল
ফাইল ছবি

হাওড়া: করোনা সংক্রমণে (Corona) উদ্বেগ বাড়িয়েছিল হাওড়া। পরিস্থিতি মোকাবিলায় উলুবেড়িয়ার একাধিক হাসপাতালে বাড়ানো হয়েছিল করোনা শয্যা। এমনকী, কিছু হাসপাতালকে পুরোপুরি করোনা চিকিৎসার জন্য নির্দিষ্টও করা হয়েছিল। উলুবেড়িয়া ইএসআই হাসপাতালের (Uluberia ESI hospital) করোনা শয্যা বাড়িয়ে ১০০ থেকে ১৫০ করা হয়। এ বার, করোনার সম্ভাব্য তৃতীয় ঢেউয়ের বিরুদ্ধে লড়াই করতে উলুবেড়িয়ার ইএসআই হাসপাতাল অধীক্ষক তাঁদের আটজন স্বাস্থ্যকর্মীর এইচডিইউ – আইসিইউ প্রশিক্ষণের দায়িত্ব দেন ফুলেশ্বরের সঞ্জীবন হাসপাতালকে।

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের এই অভিনব উদ্যোগ কোভিড রোগীদের আরও দ্রুত সুস্থতার দিকে নিয়ে যাবে বলেই আশা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের। জেলা স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর, সম্প্রতি, জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতরের মন্ত্রী পুলক রায়ের নেতৃত্বে উলুবেড়িয়ায় একটি বৈঠক হয়। সেখানেই জেলার করোনা মোকাবিলায় কী কী পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে তা নিয়ে আলোচনা হয়।

এদিন, উলুবেড়িয়া ইএসআই হাসপাতাল(Uluberia ESI hospital) অধীক্ষক বলেন, “কোভিড রোগীদের চিকিৎসার স্বার্থে আমাদের স্বাস্থ্যকর্মীদের একমাসে এইচডিইউ-আইসিইউ প্রশিক্ষণের জন্য নিয়োগ করি। স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে রয়েছেন দু’জন মেডিকাল অফিসার, তিনজন নার্স এবং তিনজন জিডিএ স্টাফ মেম্বার। রাজ্য সরকারের তরফে এই প্রশিক্ষকের দায়িত্ব পালন করবে সঞ্জীবন হাসপাতাল। গত একবছর ধরে কোভিড রোগীদের সু্স্থ করার পেছনে সঞ্জীবন নার্সিং স্কুলেরও যথেষ্ট অবদান রয়েছে।”

সঞ্জীবন হাসপাতালের অধ্যক্ষ ও কর্ণধার ড. শুভাশিস মিত্র বলেন, “আমরা একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান হওয়া সত্ত্বেও রাজ্য সরকার আমাদের উলুবেড়িয়ার ইএসআই হাসপাতালের স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশিক্ষণের জন্য যে দায়িত্বটি প্রদান করেছে তাতে আমরা অত্যন্ত সম্মানিত এবং কোভিড রোগীদের সুস্থ করে তোলার ব্যাপারে আরও বেশি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। আমরা এই দায়িত্ব যথাযথ ভাবে পালন করব।”

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের কোভিড বুলেটিনে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৫ হাজার ২৭৪। গতকাল আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৫ হাজার ৩৮৪ জন। শেষ একদিনে মৃত্যু হয়েছে ৮৭ জনের।

আরও পড়ুন: মর্গে উপচে পড়ছে দেহ, দুর্গন্ধে টেকা দায়! ‘ফ্রিজ খারাপ’, সাফাই হাসপাতাল সুপারের