Post Poll Violence: নির্বাচনের ফলপ্রকাশের দিন পিটিয়ে ‘খুন’ বিজেপি নেতাকে, বীরভূমে সিবিআই-এর জালে তৃণমূল নেতা

Post Poll Violence: নিহত বিজেপি কর্মীর পরিবারের অভিযোগ ছিল, থানায় অভিযোগ দায়ের করা হলেও, কোনও অভিযুক্তকেই গ্রেফতার করেনি পুলিশ। পুলিশের তদন্তে আস্থা ছিল না নিহতের পরিবারের। এরপরই এই ঘটনার তদন্তে নামে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা।

Post Poll Violence: নির্বাচনের ফলপ্রকাশের দিন পিটিয়ে 'খুন' বিজেপি নেতাকে, বীরভূমে সিবিআই-এর জালে তৃণমূল নেতা
বূীরভূমে গ্রেফতার তৃণমূল নেতা (নিজস্ব চিত্র)

বীরভূম: ভোট পরবর্তী হিংসায় (Post Poll Violence) বিজেপি (Bengal BJP) নেতা খুনে গ্রেফতার তৃণমূল নেতা। বীরভূমের (Birbhum) ইলামবাজার থেকে লদাই হাঁসদা নামে ওই তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার করে সিবিআই। ধৃতকে সোমবার বোলপুর আদালতে পেশ করা হবে। ভোট পরবর্তী হিংসায় তৎপর সিবিআই। খুনের মামলায় একাধিক তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার করেছেন তদন্তকারীরা। বীরভূমের ইলামবাজারের গোপালনগর গ্রামে বিজেপি কর্মী গৌরব সরকার খুন হন ভোট পরবর্তী সময়ে। পরিবারের তরফে থেকে সে সময় কয়েকজনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযুক্তরা প্রত্যেকেই এলাকায় তৃণমূল নেতা-কর্মী বলে পরিচিত।

নিহত বিজেপি কর্মীর পরিবারের অভিযোগ ছিল, থানায় অভিযোগ দায়ের করা হলেও, কোনও অভিযুক্তকেই গ্রেফতার করেনি পুলিশ। পুলিশের তদন্তে আস্থা ছিল না নিহতের পরিবারের। এরপরই এই ঘটনার তদন্তে নামে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। নিহতের পরিবারে গিয়ে সদসযদের সঙ্গে কথা বলেন তাঁরা। ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ নেন তাঁরা।

শুরু হয় তৎপরতা। খুনের ঘটনায় ইতিমধ্যেই এক তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার করেন তদন্তকারীরা। আরও এক তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার করল সিবিআই । নির্বাচনের ফলপ্রকাশের দিন অর্থাৎ ২ মে তৃণমূল কর্মীদের হাতে ‘খুন’ হন গৌরব সরকার। বাড়ির অদূরেই তাঁকে পিটিয়ে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছিল।

সেই ঘটনার তদন্ত শুরু হতেই একের পর এক তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার করতে শুরু করেন সিবিআই আধিকারিকরা। ইতিমধ্যেই ইলামবাজারের দুই তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এরপর আবারও এক তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার করল সিবিআই। লদাই হাঁসদার বাড়ি ইলামবাজারের কামারপাড়া গ্রামে। ঘটনার পর থেকে পলাতক ছিল লদাই। উৎসবের আগে গ্রামে ফিরেছিল সে। কিন্তু তাক ধরতে ওঁত পেতে ছিলেন তদন্তকারীরা। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে, কামার পাড়া গ্রামের এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় লদাই হাঁসদাকে। ধৃতকে আজ তোলা হয় বোলপুর মহকুমা আদালতে। গোটা ঘটনায় একের পর এক তৃণমূল নেতা গ্রেফতারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ইলামবাজার এলাকায়। উল্লেখ্য, এই ঘটনার তদন্ত শুরু করে ইলামবাজার তৃণমূল কার্যালয়ে হানা দিয়েছিল সিবিআই আধিকারিকেরা।

এর আগে বিজেপি কর্মী  জাকির হোসেন খুনে ঘটনায় ধরপাকড় চালায় সিবিআই। খুনে অভিযুক্ত ১৩ জনের বাড়িতে এক-একজন করে যান সিবিআই-এর আধিকারিকরা। সিবিআই বাড়িতে পৌঁছতেই ফজিয়া কাজি নামে এক অভিযুক্ত বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। তাঁর স্ত্রী ও ছেলেকে দীর্ঘক্ষণ জেরা করা হয়। পরে অভিযুক্তের ছেলে আলমগির কাজিকে আটক করে নিয়ে যায় সিবিআই।

গত ৮ মে কোর্ট গ্রামে খুন হন বিজেপি কর্মী জাকির হোসেন। বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে বিজেপির ওই বুথকর্মীকে গ্রামের হাততলার কাছে রাস্তার উপরে বেধড়ক পেটানো হয়। রক্তাক্ত অবস্থায় দীর্ঘক্ষণ রাস্তায় পড়ে থাকেন তিনি। স্থানীয়রাই তাঁকে উদ্ধার করে রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করান। পরে সেখানে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। তাঁকে কলকাতায় স্থানান্তরিত করা হয়। কলকাতায় নিয়ে যাওয়ার পথে ১৬ মে মৃত্যু হয় তাঁর। হাইকোর্টের নির্দেশে এই ঘটনার তদন্ত শুরু করে সিবিআই।

আরও পড়ুন: কলকাতায় কি জারি হচ্ছে কনটেইনমেন্ট জোন? কলকাতা পুরনিগমের বিশেষ নোটিস

Click on your DTH Provider to Add TV9 Bangla