Bardhaman: ৫ লাখ টাকা নিয়ে বাসে উঠেছিলেন, কিন্তু চেন খুলতেই চক্ষু চড়কগাছ ব্যক্তির!

Money: তাহলে কি বাসেই কেউ?

Bardhaman: ৫ লাখ টাকা নিয়ে বাসে উঠেছিলেন, কিন্তু চেন খুলতেই চক্ষু চড়কগাছ ব্যক্তির!
(প্রতীকী ছবি)

বর্ধমান: বাসে উঠেছিলেন অনেকগুলো টাকা (Money) সঙ্গে নিয়ে। যথেষ্ঠ সাবধানেও রেখেছিলেন টাকাগুলো। কিন্তু তাও যেন রক্ষে হলো না। বাস থেকে নামার পর চক্ষু চড়কগাছ ব্যক্তির। গেল কোথায় অত টাকা? তাহলে কি বাসেই কেউ?

পূর্ব বর্ধমানের (Purba Bardhaman) এক ব্যবসায়ী শ্যামল কুমার সাঁই। রবিবার প্রায় পাঁচ লাখ কী তারও বেশি টাকা ব্যাগে নিয়ে রাস্তায় বেরিয়েছিলেন। তাঁর গলসী (galshi) এবং নবদ্বীপ (Nabadwip) দুই জায়গাতেই বাড়ি রয়েছে। রবিবার তিনি নবদ্বীপ থেকে গলসী যাচ্ছিলেন। সঙ্গে ছিল অতগুলো টাকা। কাজের জন্য বিভিন্ন জনের থেকে পাঁচ লাখে বেশি টাকা আদায় করেছিলেন তিনি। এরপর রাস্তাতেই কার্জন গেটের (Kargan Gate) কাছে আরও একজনের কাছ থেকে তার টাকা পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বাস (Bus) থেকে নেমে ব্যাগ খুলেই অবাক হয়ে যান তিনি। মাথায় পড়ে হাত। দেখেন টাকাগুলো সব উধাও। ভিড়ের সুযোগে কেউ ব্যাগের চেন খুলে চুরি করে নিয়েছে। এরপর সোজা বর্ধমান থানায় (bardhaman police station) গিয়ে অভিযোগ দায়ের করেছেন শ্যামলবাবু।

এই চুরির ব্যাপারে তিনি জানিয়েছেন, ” আমার রেডিমেট কাপড়ের ব্যবসা রয়েছে। গলসী এবং নবদ্বীপ দুই জায়গাতেই আমার বাড়ি রয়েছে। নবদ্বীপেই যাচ্ছিলাম। ব্যাগ ভর্তি টাকা নিয়ে আমি লোকাল একটি টাউন সার্ভিস বাসে উঠি। এরপর কার্জন গেটের কাছে এসে দেখি আমার ব্যাগে কোনও টাকা নেই। সঙ্গে-সঙ্গে থানায় অভিযোগ জানিয়েছি। পুলিশও তদন্তের আশ্বাস দিয়েছে। ”

এদিকে, রবিবার জলপাইগুড়িতে সন্ধান মিলেছে ভুয়ো চিকিৎসকের। বাঁকুড়া জেলার ভুয়ো চিকিৎসক তিনি। পুলিশ তাঁকে খুজছিল। তাই তিনি গা ঢাকা দিতে পালিয়ে পালিয়ে বেড়িয়ে অবশেষে ঘাঁঁটি গেড়েছিলেন জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলার রাজগঞ্জে (Rajganj)। অবশেষে রাঢ় ও উত্তরবঙ্গ, পুলিশের যৌথ অভিযানে ধরা পড়লেন সোমবার। এদিন জলপাইগুড়ি ও বাঁকুড়া জেলা পুলিশের যৌথ অভিযানে গ্রেফতার করা হল গুণধর ‘চিকিৎসক’কে।

পুলিশ সূত্রে খবর, অন্য চিকিৎসকের রেজিস্ট্রেশন নম্বর ব্যবহার করে বাঁকুড়া জেলায় চেম্বার খুলেছিলেন মাঝবয়সী সুদীপ্ত সর্দার। ভালই পসার জমিয়ে বসেছিলেন। রমরমিয়ে চলছিল ‘ব্যবসা’। কিন্তু কতদিন আর চাপা থাকে পাপ! তাঁর কুকীর্তির কথা ছড়িয়ে পড়ে জেলায়। অভিযোগ যায় পুলিশের কাছে। এদিকে বড়জোড়া থানার পুলিশ যখন তাঁকে খুঁজতে বেরিয়েছেন ‘চিকিৎসক’ তখন বেপাত্তা। খোঁজ-খোঁজ, অবশেষে ‘সর্দারজি’ কে পাওয়া গেল জলপাইগুড়িতে।

পুলিশ যে তাঁকে গ্রেফতার করতে পারে কোনওভাবে সেটা টের পেয়ে গা ঢাকা দেন সুদীপ্ত। এদিকে বড়জোড়া থানার তদন্তকারী অফিসাররাও নাছোড়। সূত্র মারফৎ তাঁরা জানতে পারেন গুণধর চিকিৎসক লুকিয়ে আছেন জলপাইগুড়ি জেলার রাজগঞ্জ থানা এলাকায়।

এর পর অভিযুক্তর ছবি পাঠানো হয় জলপাইগুড়ি জেলা পুলিশের কাছে। ভুয়ো চিকিৎসককে চিহ্নিত করার পর সোমবার যৌথ অভিযান চালায় রাজগঞ্জ ও বড়জোড়া থানার পুলিশ। অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে আদালতে ট্রানজিট রিমান্ড নিয়ে তাঁকে জলপাইগুড়ি থেকে বাঁকুড়া নিয়ে গিয়েছে পুলিশ।

আরও পড়ুন: Lakhimpur Kheri: লখিমপুরের ঘটনায় ধৃত আরও ৪, জট খুলছে উত্তর প্রদেশ পুলিশ

Click on your DTH Provider to Add TV9 Bangla