আটক সু কি: বন্ধ ইন্টারনেট, মায়ানমারে ‘সামরিক স্বৈরাচারের’ বিরুদ্ধে প্রতিবাদ

ইয়াঙ্গনের মিছিলে সামিল হয়েছিলেন শীক্ষার্থী, কারখানার শ্রমিক-সহ সর্বশ্রেণির মানুষ।

আটক সু কি: বন্ধ ইন্টারনেট, মায়ানমারে 'সামরিক স্বৈরাচারের' বিরুদ্ধে প্রতিবাদ
সু কির সমর্থনে আন্দোলন

ইয়াঙ্গন: মায়ানমারে (Myanmar) সেনা অভ্যুত্থান। সে দেশের প্রধান নেত্রী নোবেলজয়ী সু কিকে আটক করেছে সেনাবাহিনী। দেশের হাল ধরেছে জান্তা সরকার। কিন্তু সু কি আটক করার প্রতিবাদের রাস্তায় নেমেছেন সে দেশের হাজারো প্রতিবাদী। সেনা অভ্যুত্থানের পর বন্ধ হয়েছিল মায়ানমারের সব সামাজিক মাধ্যম। বন্ধ হয়ে গিয়েছিল ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রাম। এ বার দেশজুড়ে ইন্টারনেট বন্ধ হল মায়ানমারে।

সেনা অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে মায়ানমারের বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ দেখান সাধারণ মানুষেরা। ইয়াঙ্গন বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে প্রতিবাদে সামিল হন প্রায় ৩ হাজার মানুষ। স্লোগান ওঠে, “গণতন্ত্রের জয় হোক।” সু কি-সহ সামরিক বাহিনীর হাতে আটক ব্যক্তিদের মুক্তির দাবি তোলেন প্রতিবাদীরা। বিক্ষোভকারীদের আটকাতে বিভিন্ন জাতীয় সড়ক অবরুদ্ধ করে রেখেছে পুলিশ।

ইয়াঙ্গনের মিছিলে সামিল হয়েছিলেন শীক্ষার্থী, কারখানার শ্রমিক-সহ সর্বশ্রেণির মানুষ। সামরিক বাহিনীর সরকারের হয়ে কাজ না করে সু কির সমর্থনে এগিয়ে আসার জন্য পুলিশের হাতে গোলাপ ফুল ও জলের বোতল দিয়ে প্রতিবাদ করেন আন্দোলনকারীরা। সু কি আটক হওয়ার পরে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুক, টুইটারে ট্রেন্ডিংয়ে ওঠে হ্যাশট্যাগ উই নিড ডেমোক্র্যাসি ও হ্যাশট্যাগ হেয়ার দ্য ভয়েস অব মায়ানমার। সঙ্গে সঙ্গে ফেসবুক বন্ধ করে দেয় জান্তা সরকার। শুক্রবার রাত ১০ টা নাগাদ বন্ধ হয়ে যায় টুইটার ও ইনস্টাগ্রামও।

আরও পড়ুন: ‘খামখেয়ালি’ ট্রাম্পকে প্রাপ্য দিতে নারাজ বাইডেন

সু কি সম্পর্কে এখনও কিছু জানায়নি সামরিক বাহিনী। তবে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, অবৈধ ওয়াকিটকি রাখার অভিযোগে সু কির দুই বছরের জেল হতে পারে।