USA vs Iran: আমেরিকা ‘বন্দুক’ তাক করতেই ইঙ্গিতে ‘নিউক্লিয়ার হামলার’ হুঁশিয়ারি ইরানের
USA vs Iran: কিন্তু কোন যুদ্ধের জন্য এত প্রস্তুতি? মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্য়ে চলা বাকযুদ্ধ পরিণতি পাচ্ছে অস্ত্রের যুদ্ধে, মত ওয়াকিবহাল মহলের। এই বিমান ঘাঁটি তারই প্রমাণ।

তেহরান: দিন কতক আগেই ভারত মহাসাগরের উপর দিয়ে উড়তে দেখা গিয়েছিল, মার্কিন বি ২২ যুদ্ধবিমান। বলা হয়, এই বিমান নাকি তাদের বায়ুসেনার সবচেয়ে শক্তিশালী বোমারু বিমানগুলির মধ্যে অন্যতম। একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই যুদ্ধবিমান নিয়ে ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রণাধীন একটি দ্বীপেও ঘাঁটি বেঁধেছে মার্কিন সেনা।
কিন্তু কোন যুদ্ধের জন্য এত প্রস্তুতি? মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্য়ে চলা বাকযুদ্ধ পরিণতি পাচ্ছে অস্ত্রের যুদ্ধে, মত ওয়াকিবহাল মহলের। এই বিমান ঘাঁটি তারই প্রমাণ। গতকালই আবার ট্রাম্পের বোমা হুমকির পাল্টা ইরান যে চুপ করে থাকবে না, তা স্পষ্ট করছে সেই দেশের প্রশাসনিক মহল। মূলত, একটা পারমাণবিক চুক্তি ঘিরেই বিবাদ বেঁধেছে তাদের মধ্য়ে। তাছাড়াও এই বিবাদে হুথি ইন্ধন তো রয়েছেই।
এবার ট্রাম্পের বিরুদ্ধে আরও বড় হুঙ্কার তুলল ইরান। সোমবার ইরানের প্রধান আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির উপদেষ্টা আলী লারিজানি জানিয়েছেন, ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বা তার কোনও মিত্রদেশ যদি আমাদের উপর আক্রমণ চালায়, তা হলে প্রতিরক্ষার জন্য পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি ছাড়া ইরানের কাছে আর কোনও বিকল্প পথ খোলা নেই।’
সেদেশের এক সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার পর্বে এই উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘আমরা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির কথা ভাবি না। কিন্তু কেউ যদি ইরানকে ক্রমাগত উত্যক্ত করে, তবে আমরা সেই পথে এগোতেও দ্বিধা বোধ করি না।’ গত মাসেই ট্রাম্প ইরানকে সরকার হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, ‘আমাদের উপর হুথিদের চালানো প্রতিটা আক্রমণ ইরানের তরফ থেকে করা আক্রমণ হিসাবে গণ্য হবে এবং তাদেরকেই সেই হামলার পরিণাম ভুগতে হবে।’
পারমাণবিক চুক্তি নিয়ে বিবাদের মাঝে খামেনির উপদেষ্টা একই সুরে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘কেউ যদি নিজে বা ইজরায়েলের সাহায্য আমাদের উপর হামলা করে, তবে তাদেরকে সেই কর্মকাণ্ডের পরিণাম ভুগতে হবে।’





