প্রতিরোধ বাহিনীর হাতে মৃ্ত কয়েক’শ তালিবান, আত্মসমর্পণ করেছে হাজার খানেক!

যদিও পঞ্জশীরের রাজধানীতে তালিবরা ঢুকে পড়েছে বলে সূত্রের খবর।

প্রতিরোধ বাহিনীর হাতে মৃ্ত কয়েক'শ তালিবান, আত্মসমর্পণ করেছে হাজার খানেক!
ফাইল চিত্র।

কাবুল: গোটা আফগানিস্তান জুড়ে তালিবানি শাসন জারি হতে হয়তো আর বেশি বাকি নেই। তবে হাল ছাড়ছদ না প্রতিরোধ বাহিনীও। প্রতিনিয়ত লড়াই চলছে তাদের সঙ্গে তালিবানের। আর সেই লড়াইতে অন্তত ৬০০ তালিবানের মৃত্যু হয়েছে বলে সূত্রের খবর। এছাড়াও প্রতিরোধ বাহিনীর মুখপাত্র ফাহিম দাস্তি টু্‌ইট করে জানিয়েছেন যে অন্তত এক হাজার তালিবানকে ধরে ফেলেছে তারা। কার্যত তাদের আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য করা হয়েছে।

রুশ সংবাদমাধ্যম ‘স্পুটনিক’-এ এই সংক্রান্ত একটি রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে। সেখানেই এই ৬১৩ জনের মৃত্যুর খবর উল্লেখ করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, আফগানিস্তানের উত্তরে থাকা পঞ্জশীর প্রদেশেই শতাধিক তালিবানের মৃত্যু হয়েছে প্রতিরোধ বাহিনীর হাতে। অন্যদিকে, পঞ্জশীর প্রদেশের যাতে আফগানিস্তানের অন্য কোনও জায়গা থেকে কোনও জিনিসপত্র না আসে সেই ব্যবস্থা করেছে তালিবান। তালিবানের দাবি জায়গায় জায়গায় রেখে দেওয়া হয়েছে ল্যান্ডমাইন আর সেজন্যই পঞ্জশীরের পথে এগোতে তাদের বাধা পেতে হচ্ছে।

এ দিকে, সরকারিভাবে তালিবানের তরফে কোনও বক্তব্য সে ভাবে না এলেও শনিবার শেষবেলায় তালিবান দাবি করেছে, যে তারা পঞ্জশিরের গর্ভনরের অফিসে ঢুকে পড়েছে। সূত্রের খবর পঞ্জশীর প্রদেশের রাজধানী বাজারাকে প্রবেশ করেছে তালিবান। তবে কি শেষ রক্ষা হল না নর্দান অ্যালায়েন্সের? সেই উত্তর এখনও স্পষ্ট নয়। তালিবানের তরফে দাবি করা হিয়েছে, হিন্দুকুশ পর্বতমালার কোলে থাকা সেই পঞ্জশীর উপত্যকা এখন তাদেরই দখলে। যদিও নর্দান অ্যালায়েন্সের পাল্টা দাবি, তারা মোটেই হার মানেনি এখনও।

সূত্রের খবর, একটি দেরি হলেও আফগানিস্তানে তালিবানের সরকার গঠনে খুব দেরি নেই। মনে করা হচ্ছে, তালিবানি সরকারের প্রধান চালিকাশক্তি হবেন মূলত তিনজন। প্রথমজন মোল্লা বারাদার যিনি তালিবানের সহ-প্রতিষ্ঠাতা হওয়ার পাশাপাশি তাদের রাজনৈতিক দফতরের প্রধান। এর পাশাপাশি থাকছেন তালিবানের প্রতিষ্ঠাতা মোল্লা ওমরের ছেলে মোল্লা মোহাম্মদ ইয়াকুব। সেই সঙ্গে সরকারের তৃতীয় অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হতে চলেছেন শের মহম্মদ আব্বাস স্তানিকজাই। যিনি চলতি সপ্তাহেই কাতারের দোহা শহরে ভারতীয় রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠক করেন।
অন্যদিকে, আফগান সরকারের গোপন নথি হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে তালিবান। ডিজিটাল মাধ্যমে যে তথ্য ও নথি আদানপ্রদান হয়েছে, তালিবানরা সেগুলি জানার চেষ্টা করছে এই আশঙ্কাতেই ইমেইল অ্যাকাউন্টগুলি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।১৫ অগস্ট আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখলের পরই একাধিক দেশের দূতাবাসে তালিবান হানা দেওয়ায় গুরুত্বপূর্ণ নথির সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। আমেরিকা, ভারতের মতো দেশ আফগানিস্তান ছাড়ার আগে নিজেদের যাবতীয় গোপন নথি উদ্ধার করে এনেছিল। তবে ব্রিটেন সহ একাধিক দেশ তালিবানি হামলার ভয়ে সেই নথিগুলি ফেলে এসেছিল। আরও পড়ুন: ‘শুভেন্দু-ঘনিষ্ঠ’ হলদিয়া পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যানের ফ্ল্যাটে প্রোক্লেমেশন নোটিস পুলিশের

Click on your DTH Provider to Add TV9 Bangla