Sonali Phogat: সিসিটিভিতে ধরা পড়ল চাঞ্চল্যকর ফুটেজ! কান্নায় ভেঙে পড়ল সোনালীর ১৫ বছরের মেয়ে
Sonali Phogat: প্রসঙ্গত, চলতি সপ্তাহের সোমবারই সহকারী ও বন্ধুদের নিয়ে গোয়ায় যান হরিয়ানার বিজেপি নেত্রী সোনালি ফোগট।

যত দিন যাচ্ছে ততই ঘনীভূত হচ্ছে বিজেপি নেত্রী তথা অভিনেত্রী সোনালী ফোগটের মৃত্যু রহস্য। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর তত্ত্ব প্রথম থেকেই মানতে নারাজ ছিল পরিবার। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে দেহে আঘাতের হদিশের পর এবার সিসিটিভি ফুটেজেও মিলল চাঞ্চল্যকর ফুটেজ। এনআই সূত্রে খবর, গোয়া পুলিশের ডিরেক্টর জেনারেল জসপাল সিং জানিয়েছেন, সিসিটিভি ফুটেজ ঘেঁটে প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে তাঁর পানীয়তে কিছু একটা মেশানো হয়েছিল। প্রথমে তা খেতে অস্বীকারও করেন সোনালী। সোনালীর মৃত্যুর পর ওই একই অভিযোগ করেছিলেন তাঁর বোনও। মৃত্যুর দিনেই তিনি স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছিলেন সোনালী নাকি সন্দেহ প্রকাশ করেছেন তাঁর খাবারে কিছু একটা মেশানো হয়েছে।
View this post on Instagram
ইতিমধ্যেই তদন্তে নেমে সোনালি ফোগটের দুই সহকারীকে গোয়া থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অন্যদিকে গোটা ঘটনায় কার্যত ভেঙে পড়েছেন সোনালীর বছর ১৫র মেয়ে। বাবাকে আগেই হারিয়েছিল সে এবার মায়েরও চলে যাওয়া যেন কিছুতেই মেনে নিতে পারছে না নেত্রী-কন্যা। মায়ের বিচার চেয়ে তাঁর এক ভিডিয়োও ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। যদিও পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে ভাবে তদন্ত প্রক্রিয়া এগচ্ছে তাতে তাঁরা সন্তুষ্ট।
প্রসঙ্গত, চলতি সপ্তাহের সোমবারই সহকারী ও বন্ধুদের নিয়ে গোয়ায় যান হরিয়ানার বিজেপি নেত্রী সোনালি ফোগট। সারাদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন পোস্ট করতেও দেখা যায় ওই টিকটক তারকাকে। বিকেলে শেষবার তাঁর সঙ্গে পরিবারের কথা হয়। এরপরই রাতে তিনি অসুস্থ বোধ করায় গোয়ার সেন্ট অ্যান্টনি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। মঙ্গলবার ভোরে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। প্রাথমিক সূত্রে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে সোনালির মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করা হলেও, তাঁর পরিবারের তরফেই মৃত্যু নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তোলা হয়, সিবিআই তদন্তের দাবি করা হয়।
এরপরই বৃহস্পতিবার ময়নাতদন্ত করা হয় সোনালি ফোগটের দেহের। গোটা ময়নাতদন্তের রেকর্ডিংও করা হয় প্রমাণের জন্য। বিকেলে ময়নাতদন্তের রিপোর্টে বলা হয়, শরীকে একাধিক ভোঁতা অস্ত্র দিয়ে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। মহিলা পুলিশ কর্মীরা, যারা সোনালির দেহের পরীক্ষা করেছিলেন, তাঁরা কোনও ধারাল অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন পাননি। এরই মধ্যে বিকেলেই জানা যায়, সোনালির খুনের ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে তাঁর ব্যক্তিগত সহকারী সুধীর সঙ্গন ও বন্ধু সুখবিন্দর ওয়াসিকে গ্রেফতার করেছে গোয়া পুলিশ। তাদের বর্তমানে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।





