রাতের অন্ধকারে সীমান্তে রমরমিয়ে চলছিল গরু পাচার, বিএফএফের গুলিতে খতম পাচারকারী

ভারত ও বাংলাদেশের গরু পাচারকারী(Cattle Smuggler)-দের সাড়াশি আক্রমণেই আত্মরক্ষায় গুলি চালিয়েছিলেন বিএসএফ(BSF) আধিকারিক। সেই গুলির আঘাতেই প্রাণ হারান এক পাচারকারী।

রাতের অন্ধকারে সীমান্তে রমরমিয়ে চলছিল গরু পাচার, বিএফএফের গুলিতে খতম পাচারকারী
ফাইল চিত্র।

আগরতলা: রাতের অন্ধকারে কাঁটাতারের বেড়া কেটেই চলছিল গরু পাচার( Cattle Smuggling)। তবে নজর এড়াতে পারল না সীমান্তরক্ষী বাহিনী(Border Security Force)-র। বারবার সতর্ক করা সত্ত্বেও পাচারকারীরা পিছু না হটায় বাধ্য হয়ে গুলি চালায় বিএসএফ। গুলিতে প্রাণ হারান বাপ্পা মিঞা (৩২)। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, তিনি বাংলাদেশের মৌলবী বাজারের বাসিন্দা।

উত্তর ত্রিপুরা পুলিশের সুপারিন্ডেন্টেট ভানুপদ চক্রবর্তী জানান, গোটা ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং তদন্ত শুরু করা হয়েছে। অন্যদিকে, বিএসএফের তরফে প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “শুক্রবার রাতে সীমান্তে টহল চলাকালীন সীমান্তরক্ষী বাহিনীর একটি দল দেখতে পান ভারতের তরফে ১২ থেকে ১৫ জন গরু পাচারকারী ও বাংলাদেশের ১০-১২ জন পাচারকারী সীমান্ত পার করার চেষ্টা চালাচ্ছেন। তাঁদের সতর্ক করা হলে পাচারকারীরা সীমান্তরক্ষী বাহিনীদের লক্ষ্য করে পাথর ছুড়তে শুরু করে।”

আরও পড়ুন: ৭৬ দেশে ৬ কোটি করোনা টিকা পাঠিয়ে ‘জন আন্দোলন’ করছে ভারত

ভারতীয় পাচারকারীরা এক বিএসএফ আধিকারিককে দাঁ ও লাঠি নিয়ে আক্রমণ করলে তিনি বাংলাদেশ সীমান্তের একটি গেটের আড়ালে লুকানোর চেষ্টা করেন। তবে সেখানে বাংলাদেশী পাচারকারীরা তাঁর উপর চড়াও হয়। পাথরের আঘাতে আহত হওয়ার পরই আত্মরক্ষায় তিনি নন-লিথাল পাম্প অ্যাকশন বন্দুক (Non-Lethal Pump Action Gan) ব্যবহার করে দুই রাউন্ড গুলি চালান। এই গুলিতেই প্রাণ হারান একজন বাংলাদেশী পাচারকারী। তল্লাশি চালিয়ে তাঁর কাছ থেকে একটি ধারাল অস্ত্র, তাঁর কাটার যন্ত্র উদ্ধার করা হয়।

চলতি বছরে এর আগেও ১ ফেব্রুয়ারি ও ১৩ ফেব্রুয়ারি দুই পাচারকারীকে ত্রিপুরা সীমান্তে আটক করে। ইতিমধ্যেই বিএসএফ(BSF)-র তরফে ঘোষণা করা হয়েছে, অনুপ্রবেশ রুখতে চলতি বছরের মধ্যেই কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার কাজ শেষ করা হবে।

আরও পড়ুন: করোনা আক্রান্ত ওম বিড়লা, ভর্তি হলেন হাসপাতালে

Click on your DTH Provider to Add TV9 Bangla